
দীর্ঘ ১৭ বছর পর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার( ৩০ মার্চ )বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এরপরে গণনা শেষে ফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস।
১৫টি সদস্য পদে নির্বাচিতরা হলেন- প্রফেসর ড. তরুণ কান্তি বোস, প্রফেসর ড. লস্কার এরশাদ আলী, প্রফেসর ড. মো. মতিউল ইসলাম, প্রফেসর ড. মো. ইকবাল আহম্মেদ, প্রফেসর ড. মো. নাসিফ আহসান, প্রফেসর মো. সানাউল ইসলাম, প্রফেসর ড. শেখ সিরাজুল হাকিম, প্রফেসর ড. আবু রাশেদ মো. মোস্তাফিজার রহমান, প্রফেসর ড. সেখ মো. এনায়েতুল বাবর, সহযোগী অধ্যাপক ড. তানভীর আহমেদ সোহেল, প্রফেসর ড. রামেশ্বর দেবনাথ, প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ রকিবুল হাসান সিদ্দিকী, প্রফেসর ড. মো. জাকির হোসেন এবং প্রফেসর ড. মো. নাজমুস সাদাত।
এবারের নির্বাচনে ১৫টি পদের বিপরীতে ৩৩ জন শিক্ষক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ৩৯০ জন ভোটারের মধ্যে ৩৬৫ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন বলে জানা যায়। দীর্ঘদিন পর সিনেটে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছিলো।
এদিকে বেলা ১২টা ১৫ মিনিটে ভোট প্রদান করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর সিনেটে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন হচ্ছে। শিক্ষকরা অত্যন্ত আনন্দ সহকারে নির্বাচনের অংশগ্রহণ করেছেন এবং ভোট দিচ্ছেন। সিনেট কার্যকরের মাধ্যমে গভর্নেন্সের জায়গাটা পরিস্কার হবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট আরও বেশি কার্যকর হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও রিটার্নিং অফিসার প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় গভর্নেন্সের সিনেট বডিকে কার্যকরের উদ্যোগ নিয়েছেন বর্তমান প্রশাসন। সিনেটে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনের পর খুব শীঘ্রই রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটে ১৬টি ক্যাটাগরিতে ৫৬ জন সদস্য থাকার বিধান রয়েছে। এছাড়া আরও একটি ক্যাটগরিতে প্রাক্তন ভাইস-চ্যান্সেলরবৃন্দও সিনেটের সদস্য হিসেবে থাকবেন। সিনেটে মনোনীত বা নির্বাচিত সদস্যদের মেয়াদ ৩ বছর। তবে মেয়াদ শেষ হলেও উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত উক্ত সদস্যগণ পদে বহাল থাকবেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় আইনে উল্লেখ রয়েছে।
রেজওয়ান আহম্মেদ
- ১এক বছরের মধ্যে জুলাই গণহত্যার তদন্ত শেষের আশা চিফ প্রসিকিউটরের
- ২সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী
- ৩বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চট্টগ্রামে এনসিপির শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার
- ৪আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের সাথে হজ এজেন্সি প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা
- ৫পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর
- ৬রাষ্ট্রপতি চাইলে পদত্যাগ করতে পারবেন, সংবিধানে সেই সুযোগ আছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ৭বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ
- ৮পেঁয়াজ আমদানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হবে : কৃষিমন্ত্রী
- ৯ব্লক মার্কেটে লেনদেন ২২ কোটি টাকার
- ১০কেশবপুরে তিনদিনব্যাপী ফল মেলা’র উদ্বোধন
- ১লোকসানী শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারদর এক মাসে বেড়েছে ৬৮ শতাংশ
- ২‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতেই চলবে বৈদেশিক সম্পর্ক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ৩পারিবারিক বিরোধের জেরে তায়েবাকে হত্যার অভিযোগ, ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
- ৪মাদক সংশ্লিষ্টতার সঙ্গে পুলিশ জড়িত থাকলেও ছাড় নয়: ডিআইজি
- ৫কানাডা থেকে ৪০ হাজার টন এমওপি সার কিনবে সরকার
- ৬মানিকগঞ্জে বেসরকারি হাসপাতালে অভিযান
- ৭ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ৮এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার
- ৯স্থানীয় সরকার কার্যকর হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্তিশালী হবে
- ১০UCB Price Sensitive Information





পাঠকের মতামত