
বিশ্ব উষ্ণায়ন বর্তমান বিশ্বের বড়সড় সমস্যা। উষ্ণতা কমাতে নানা নিদান দিয়ে থাকেন বিজ্ঞানীরা। এবারে চাঁদের ধুলো চেয়ে বসলেন তাঁরা। বাঁধাধরা ছক ভেঙে কিছু করতে একটু দুঃসাহস লাগে বটে। তেমনই দুঃসাহসী পরিকল্পনার কথা জানালেন উষ্ণায়ন কমানোর চেষ্টায় থাকা একদল বিজ্ঞানী। বুধবার তাঁদের গবেষণাপত্রে এক অভিনব কায়দায় পৃথিবীর উষ্ণতা কমানোর প্রস্তাব দেন তাঁরা। বলা হয়, চাঁদের ধুলো দিয়ে কমানো যেতে পারে পৃথিবীর উষ্ণতা। কীভাবে? গবেষকদের কথায়, চাঁদ থেকে নিয়মিত ধুলো এনে পৃথিবী ও সূর্যের মাঝামাঝি জায়গায় রাখলে কমতে পারে পৃথিবীর উষ্ণতা।
সূর্যের বিকিরণের ফলেই বাড়ছে বিশ্ব উষ্ণায়ন। তাই বিকিরণ কীভাবে কমানো যায়, তা নিয়ে দশকের পর দশক ভাবনা চিন্তা চলেছে। মহাজাগতিক পর্দা তৈরি থেকে মেঘ বিশেভাবে মন্থন করে এই বিকিরণ ঠেকানোর পরিকল্পনা করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। তবে কোনওবারই সাফল্য আসেনি। বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য গ্ৰিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ কমানোর আর্জিও করা হয়েছে বহুবার। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি সেভাবে। বাধ্য হয়ে সূর্যের বিকিরণ ঠেকাতে নানা উপায়ের খোঁজ চলছিল। এবার সেই খোঁজেরই দিশা মিলল বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও গবেষণার জগতে আলোড়ন ফেলল এই নতুন গবেষণা।
গবেষকদের তরফে বলা হয়, এক বা দুই শতাংশ সূর্যরশ্মিকে রোধ করতে পারলেই পৃথিবীপৃষ্ঠের উষ্ণতা এক থেকে দুই শতাংশ কমিয়ে ফেলা সম্ভব। ঘটনাচক্রে গত শতাব্দী থেকে পৃথিবীর উষ্ণতাও বেড়েছে ২ ডিগ্রির কাছাকাছি। পৃথিবীর একদম উপরের বায়ুমন্ডলে রয়েছে লক্ষ লক্ষ সালফার কণা। বিজ্ঞানের পরিভাষায় এদের বলা হয় সালফার এরোসল। এরা সূর্যের রশ্মি শোষণ করে না। বরং তাকে বিকিরিত করে।
বিজ্ঞানীদের একাংশের ধারণা, বায়ুমণ্ডলের উপরিস্তরে সালফার এরোসলের পরিমাণ বাড়াতে পারলেই পৃথিবীপৃষ্ঠের উষ্ণতা কমানো যেতে পারে। বেশিরভাগ আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুৎপাতে তাই হয়। ১৯৯১ সালে ফিলিপিন্স দ্বীপপুঞ্জে মাউন্ট পিনাটুবু আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত হয়। তাতে উত্তর গোলার্ধের উষ্ণতা এক বছর ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম ছিল। তবে এর বেশ কয়েকটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। বৃষ্টিপাতের চরিত্রে বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে এতে।
প্লস ক্লাইমেটে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের কথায় চাঁদ থেকে ধুলো এনে পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে একটি কক্ষপথে রাখতে হবে। এতেই সূর্যের বিকিরণ এড়ানো যাবে। সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে সেইমতো একটি কক্ষপথে থাকবে এই ধুলোকণাগুলি। বিজ্ঞানী মহলে ইতিমধ্যে বেশ প্রশংসাও পেয়েছে এই নতুন তত্ত্ব। তবে কক্ষপথ থেকে ধুলো সরে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। সে আশঙ্কাওকেও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
- ১লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার
- ২ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত
- ৩ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুত করা হচ্ছে এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক
- ৪‘অর্ডার অব অস্ট্রেলিয়া মেডেল’ পাওয়ায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পুলিশ কর্মকর্তাকে সংবর্ধনা
- ৫জুলাই আন্দোলন ছিল দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বিস্ফোরণ: জাহিদুল ইসলাম
- ৬গ্যাস সংকটসহ শিল্প খাতের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
- ৭ব্র্যাক ব্যাংকের এসএমই ফান্ড ৫৬,০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে
- ৮শ্রীমঙ্গলে নাহিদ-হাসনাতদের গাড়িবহর আটকে দিলো পুলিশ
- ৯‘নগদ’ বিক্রির গুজব ভিত্তিহীন: আইসিটি মন্ত্রী
- ১০১.৫ বিলিয়ন ডলারে ২১ বোয়িং কিনছে ইউএস-বাংলা, বিশ্ববাজারে বড় লক্ষ্য
- ১প্রথমবারের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী
- ২চাঁদপুরে নদীতে পড়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যু
- ৩২৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো আড়াই বিলিয়ন ডলার
- ৪পুলিশ জনগণকে সঙ্গে নিয়েই বাঁচবে, কারও লাঠিয়াল বাহিনী হবে না
- ৫হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ অনেকে আহত
- ৬বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত
- ৭শেখ হাসিনার লাশও বাংলাদেশের মাটি গ্রহণ করবে না: জবি প্রক্টর
- ৮সংসদের গণপূর্ত প্রকৌশলীর কার্যালয়ে আগুন, তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ
- ৯মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী
- ১০চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার





পাঠকের মতামত