
বিশ্ব বাজারে নিম্নমুখী ধারার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমানো হবে কি না, সে বিষয়ে সরকার বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
বুধবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
জ্বালানি তেলের দাম কমার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে শিগগিরই কোনো সিদ্ধান্ত আসবে কি না, জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ভালো বলতে পারবে। এটা আমাদের পর্যায়ে এলে আপনাদের জানাতে পারবো। তবে আমার বিশ্বাস, যখন যা করা দরকার সরকার অবশ্যই করবে।
মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, আপনারা জানেন, জ্বালানি তেলের দাম কতটা ঊর্ধ্বমুখী ছিলো। এখন আমরা নিম্নমুখী দেখতে পাচ্ছি। আমার বিশ্বাস সরকার সেটি বিবেচনা করবে। এর জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
তিনি বলেন, আজ রপ্তানি বাণিজ্যের পরিমাণ নির্ধারণ বিষয়ে একটি প্রস্তাব ছিলো। আমরা কীভাবে রপ্তানি বাণিজ্য করবো এর নীতি নির্ধারণ করার বিষয়টি প্রস্তাবে আসে। আমরা ২০২১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এর খসড়া নীতি নির্ধারণ করেছি, এটা অনুমোদন করে দিয়েছি। আমাদের বিদ্যমান রপ্তানি বাণিজ্যের যে লক্ষ্যমাত্রা সেটি ৬০ বিলিয়ন মর্কিন ডলার, এটিকে বাড়িয়ে ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করেছি। এরজন্য আনুসাঙ্গিক যেসব বিষয় রয়েছে, সেগুলোর জন্য যা যা করা দরকার করবো।
আট জেলায় হাই-টেক পার্কের জন্য ঠিকাদার নিয়োগে পাঁচ বছর বিলম্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে এটি করা হয়েছে। আগে বিভিন্ন কারণে বিলম্বিত হয়েছে। সেখানে কিছু কাজ আমরা শুরু করেছি। বাকি কাজগুলো করার জন্য আজ আমরা অনুমোদন দিয়েছি। বিভিন্ন কারণে এটি বিলম্ব হয়েছে। ভারত অবশ্যই টাকা দেবে। এখন যাদের দেওয়া হচ্ছে লারসেন অ্যান্ড টাব্রো (LARSEN & TOUBRO Limited) নামকরা একটি কোম্পানি, আমার মনে হয় এবার এ প্রকল্পটি নিয়ে এগোতে পারবো।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এ মুহূর্তে মধ্যম আয়ের দেশগুলোর ট্র্যাপের মধ্যে পড়াটা আমাদের জন্য কার্যকর নয়। ২০৪১ সাল পর্যন্ত আমরা যে পরিকল্পনা করেছি, সেখানে বাৎসরিক আমাদের প্রক্ষেপণ এবং বাস্তবায়ন সবকিছু উল্লেখ করা আছে। আমি মনে করি অন্যদের সঙ্গে আমাদের মেলানো যাবে না। যদি ভিয়েতনামের কথা বলেন, তাদের বিনিয়োগ অলমোস্ট আসে বাইরে থেকে। সেখানে আন্তর্জাতিক বাজার আপস অ্যান্ড ডাউন কিছু হলে বৈদেশিক বিনিয়োগ ইম্প্যাক্টেড হয়। আমাদের দেশে তা উল্টো। আমাদের দেশে আমরা যা করছি নিজেদের বিনিয়োগ থেকে করে আসছি। মূলত লার্জলি আমাদের বিনিয়োগ। ফলে আমাদের ওপর এর ইম্প্যাক্ট আসবে বলে মনে করি না।
- ১রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান
- ২মির্জা ফখরুলের ১টি, অলি আহমদের ২ মনোনয়নপত্র জমা
- ৩ইসলামী ব্যাংকের উপশাখাসমূহের অর্ধ-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
- ৪বাংলাদেশে কার্যক্রম বাড়াতে চায় মেটা, স্থানীয় অবকাঠামো স্থাপনের আশ্বাস
- ৫চকরিয়ায় বাস-জিপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪
- ৬হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
- ৭ময়মনসিংহে প্রকাশ্যে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
- ৮এক বছরে পুঁজিবাজারে লেনদেনের গতি বেড়েছে ৪ গুণের বেশি
- ৯ক্রেডিট কার্ডে খরচ বেড়েছে বাংলাদেশিদের, কমেছে বিদেশিদের
- ১০সচিবালয়ে বিএনপির কোনো বৈঠক হয়নি : গয়েশ্বর
- ১ডিএসইর এজিএম নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, থানায় জিডি
- ২কুবিতে সাড়ে ৮ শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ছাত্রশিবিরের নবীনবরণ
- ৩শেরপুরের গারো পাহাড়ে বিশ্ব হাতি দিবস পালিত
- ৪বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক আরও জোরদারে অঙ্গীকার
- ৫বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ আক্তার হোসেনের নিয়োগ বাতিল
- ৬শপিংমল-দোকানপাট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ, বিলবোর্ড ৭টায়
- ৭বন্যার্তদের পাশে আইএসডিই, পূর্ব বড় ভেওলায় ৫১০ পরিবারের মুখে স্বস্তি
- ৮বিশ্ববিদ্যালয় ও হলের নামে ফেসবুক পেজ খুলে ‘গুপ্ত’ রাজনৈতিক কার্যক্রমের অভিযোগ
- ৯যবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে রেল কর্তৃপক্ষকে প্রশাসনের চিঠি
- ১০ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৭২৩





পাঠকের মতামত