
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে বাংলাদেশের সকল আলিয়া মাদ্রাসায় বই প্রেরণ করা হয়। এই বইসমূহের লেখাগুলো হওয়ার কথা ছিল কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে এবং ইতিহাসগুলো হওয়ার কথা ছিল কুরআনুল কারীম ও হাদিস গ্রন্থ সমূহ থেকে। এখানে ইসলাম তথা আল্লাহর কর্তৃক নিষিদ্ধ কোন কথা ওঠার প্রশ্নই আসে না। কারণ মাদ্রাসা মানেই হচ্ছে দ্বীনি প্রতিষ্ঠান। আল্লাহ তা’আলা বলেন:
إن الدين عند الله الاسلام.
অর্থ: নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট একমাত্র মনোনীত দিন হচ্ছে ইসলাম।
অর্থাৎ, মাদ্রাসা মানে ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে ইসলাম তথা আল্লাহর দীনকে জানার জন্য অভিভাবকরা বুক ভরা স্বপ্ন নিয়ে তাদের সন্তানদেরকে ভর্তি করায়। কিন্তু আফসোস: এখানে আকাঈদ ও ফিকহ বইয়ে কদমবুচির কথা বলা হয়েছে। অথচ আল্লাহ ব্যতীত কারো সামনে মাথানত করাও জায়েজ নেই।
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে সমাজের ছয়টি স্তর দেওয়া আছে। যেখানে বলা হয়েছে, কৃষিকাজ আবিষ্কার করেছে মেয়েরা। কিন্তু, শায়খ আহমদ মামুর আল আসিরি কর্তৃক লিখিত “মুসলিম জাতির ইতিহাস” বইটিতে স্পষ্টভাবে লেখা হয়েছে: হযরত জিব্রাইল (আ.) এসে হযরত আদম (আ.)-কে দুনিয়াতে জীবন যাপনের জন্য কৃষিকাজ শিখিয়ে দিয়ে যান।
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে আরও আছে, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। কিন্তু, বাচ্চা থেকে বুড়ো সবাই জানে যে, সকল ক্ষমতার মালিক আল্লাহ তা’আলা ছাড়া অন্য কেউ নয়।
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, কৃষিশিক্ষা, শারীরিক শিক্ষা সহ অনেক বই রয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে।এর মধ্যে বেশিরভাগ বই মেয়েদের ছবি দেওয়া আছে। কিন্তু পর্দারত অবস্থায় নেই। এমনকি এনিমেশন এর মাধ্যমে তৈরি ছবিগুলোতেও নেই। অন্যদিকে হাদিস শরীফে এসেছে:
عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم قال المرأة عورة فإذا خرجت استشرفها الشيطان.
অর্থ: আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (র.) নবি কারীম (স.) থেকে বর্ণনা করেন: মহিলারা পর্দায় থাকার বস্তু। যখন সে (পর্দা অপেক্ষা করে) বাহিরে আসে তখন শয়তান তাকে সুসজ্জিত করে দেখায়।
অর্থাৎ, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বইগুলোর ডিজাইন এবং লেখা কখনো অন্যান্য বোর্ডের সাথে মিলতে পারে না।
তাই বাংলাদেশ সরকারের নিকট অনুরোধ থাকবে , পরবর্তীতে বইগুলো “শায়খ সাইয়েদ কামালুদ্দিন আব্দুল্লাহ্ জাফরি (হাফি.)” এর মাপের আলেমদের দ্বারা লিখাবেন এবং ডিজাইনগুলোর মধ্যে মেয়েদের ছবি পর্দা সহকারে দিবেন। অন্তত, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বইগুলো হলেও এমন করবেন। আল্লাহ আপনাদের এই কাজ করার তৌফিক দান করুন। আমিন।
লেখক: আয়ান হাসান ওয়াফি
জামেয়া কাসেমিয়া নরসিংদীর ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
- ১চাঁদপুরে বাঁশ দিয়ে আটকে দেওয়া হলো মসজিদের প্রবেশপথ
- ২কুষ্টিয়ায় হজ্ব ও ওমরাহ সেবা নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
- ৩চকরিয়ায় ২০ প্যাকেট ইয়াবাসহ মাদককারবারী আটক
- ৪রংপুরে প্রি-পেইড মিটার স্থাপন বন্ধের দাবিতে মামলা
- ৫চাঁদপুরে মোটরসাইকেল-অটোরিক্সা সংঘর্ষে কিশোর নিহত
- ৬বিশ্ববাজারে ফের বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম
- ৭দেশের ১০ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস
- ৮মাদক সংশ্লিষ্টতার সঙ্গে পুলিশ জড়িত থাকলেও ছাড় নয়: ডিআইজি
- ৯ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ১০লোকসানী শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারদর এক মাসে বেড়েছে ৬৮ শতাংশ
- ১‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতেই চলবে বৈদেশিক সম্পর্ক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ২একনেক সভায় ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
- ৩এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার
- ৪টেকসই অর্থায়নে পুঁজিবাজারের ভূমিকা আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ
- ৫পারিবারিক বিরোধের জেরে তায়েবাকে হত্যার অভিযোগ, ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
- ৬মানিকগঞ্জে বেসরকারি হাসপাতালে অভিযান
- ৭অনলাইনে রিটার্ন দাখিল ৪৭ লাখ
- ৮শ্রীপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনে নিজ অর্থায়নে স্থানীয়দের ড্রেন নির্মাণ
- ৯স্থানীয় সরকার কার্যকর হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্তিশালী হবে
- ১০সবার জন্য চালু হচ্ছে ‘ন্যাশনাল হেলথ কার্ড’: আইসিটিমন্ত্রী





পাঠকের মতামত