
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানিবাজার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে মহাধস নেমেছে। সর্বশেষ প্রান্তিকে (এপ্রিল’২০-জুন’২০) দেশটির জিডিপি তথা মোট দেশজ উৎপাদন ৩২ দশমিক ৯ শতাংশ কমে গেছে। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ চলাকালীন সময়ের পর কোনো প্রান্তিকে দেশটির জিডিপি এতটা কমেনি।
বৃহস্পতিবার দেশটির ব্যুরো অব ইকনোমিক অ্যানালাইসিস এই তথ্য প্রকাশ করেছে। খবর সিএনএন ও গার্ডিয়ানের
নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রকোপে দেশটির ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়ায় অর্থনীতির এমন বেহাল অবস্থা হয়েছে। গত পাঁচ বছরে দেশটির অর্থনীতির ব্যাপক বিস্তার ঘটেছিল। ফিরে এসেছিল জৌলুস। এর আগে টানা এতটা সময় অর্থনীতিতে এমন ভাল অবস্থা ছিল না কখনোই। কিন্তু মাত্র চার মাসের করোনা ঝড়ে সব শেষ হয়ে গেছে।
গত সপ্তাহে দেশটিতে আরও ১৪ লাখ ৩০ হাজার মানুষ বেকারের খাতায় নাম লিখিয়ে সরকারের সাহায্য চেয়েছে। এই সংখ্যা আগের সপ্তাহের চেয়ে বেশি।
টানা দুই প্রান্তিক জিডিপির ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধির কারণে মন্দায় (Recession) প্রবেশ করেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই অর্থনীতি।
এর আগে সর্বশেষ ২০০৮ সালে মন্দা নেমেছিল যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে। বন্ধকী ঋণের সংকটে (Subprime Mortgage) ওই মন্দা দেখা দিয়েছিল। সেবার দেশটিতে জিডিপি কমেছিল ৮ দশমিক ৪ শতাংশ। তার আগে প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ারের সময় ১৯৫৮ সালে একবার মন্দা নেমেছিল, তখন জিডিপি কমেছিল ১০ শতাংশ।
করোনাভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে গত মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে লকডাউন জাতীয় কড়াকড়া শুরু হয়। তাতে দোকানপাট, শিল্প-কারখানা, এমনকি অনেক সেবা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকে। তাতে ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধাক্কা সামলাতে না পেরে অনেক প্রতিষ্ঠান চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। এসব কারণে দেশটিতে বেকারত্ব বাড়তে থাকে, কমতে থাকে পণ্যের চাহিদা। গত এপ্রিলে দেশটির ২ কোটি মানুষ চাকরি হারায়। আগের ৮০ বছরে এমনটি দেখা যায়নি। ১৯৩০ সালের মহামন্দার (Great Depression) এ সময়েই কেবল এমন ঘটনা ঘটেছিল।
দেশটির অর্থনীতিবিদদের একাংশের ধারণা চলতি বছর শেষেই ঘুরে দাঁড়াবে তাদের অর্থনীতি। কিন্তু অন্য অংশের আশংকা, মন্দা দীর্ঘ সময় চলতে পারে। কারণ এখনো দেশটিতে করোনার সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। পরিস্থিতির উন্নতি কবে নাগাদ ঘটবে তা বলা মুশকিল। করোনা সংকট যত দীর্ঘায়িত হবে, অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর সময় তত বেড়ে যাবে।
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানিবাজারের এই নাজুক অবস্থা আমাদের অর্থনীতিকেও চাপে রাখবে। কারণ দেশটির অর্থনীতি বেহাল দশায় থাকলে, পণ্যের চাহিদা কমে গেলে তা আমাদের রপ্তানিকে ব্যাহত করতে পারে।
- ১সূচকের মিশ্রাবস্থায় চলছে লেনদেন
- ২রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ৪৮৩ জন গ্রেপ্তার
- ৩যবিপ্রবিতে কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স অ্যান্ড অ্যাক্রেডিটেশন: নলেজ শেয়ারিং অ্যান্ড প্যানেল ডিসকাশন’ শীর্ষক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত
- ৪লভ্যাংশ দেবে না এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়া ফান্ড
- ৫চাঁদপুরের দেশীয় মাছ ধ্বংসের মূলে কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী
- ৬শ্রীমঙ্গলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ চারজন গ্রেপ্তার
- ৭চাঁদপুরে ইলিশ আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দামে কিছুটা স্বস্তি
- ৮ইমরান খানকে কারাগার থেকে হাসপাতালে স্থানান্তরের আদেশ
- ৯দেশের ৭ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা
- ১০তিন জেলার ডিসি প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন
- ১গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২৫
- ২ঢাকা কলেজস্থ সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রকল্যাণের ফল উৎসব ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
- ৩চট্টগ্রামেও চালু হলো বিআরটিসির বিশেষ মহিলা ‘গোলাপি বাস’
- ৪মানিকগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে ছানা, ঝুঁকিতে ভোক্তার স্বাস্থ্য
- ৫খুলনা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি’র উদ্যোগে ইবিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
- ৬রাজস্ব নিয়ে জনগণের বিভ্রান্তি দূর করাই চ্যালেঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী
- ৭সিরাজগঞ্জে যুবদল নেতা সুজন হত্যা, স্ত্রীসহ দুজনের যাবজ্জীবন
- ৮রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট খারিজ
- ৯রাত হলেই কপোতাক্ষ নদীর শামুক শিকার, ধ্বংসের মুখে জীববৈচিত্র
- ১০মাদারীপুরের ৪০১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই





পাঠকের মতামত