
বাজেটে রপ্তানিমুখী সব শিল্পের উৎসে কর শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত অব্যাহত রাখাসহ আটটি প্রস্তাব বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি)। বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংগঠনটির সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদীর সই করা ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেটে অনেক বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম— কোভিড মহামারি ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট মূল্যস্ফীতি মোকাবিলা ও অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অধিক খাদ্য উৎপাদন ও সারের ভর্তুকি অব্যাহত রাখা, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, কর্মসৃজন ও পল্লী উন্নয়ন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের বাস্তবায়ন ও সম্পন্নকরণ, সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম সম্প্রসারণ, বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি, প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচি, তৃতীয় লিঙ্গ, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীত মহিলা ভাতা কর্মসূচি প্রভৃতির আওতা বৃদ্ধি। এ অগ্রাধিকারযুক্ত বিষয়গুলো অবশ্যই বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানিয়ে ইএবি বলছে, রপ্তানিমুখী সব শিল্পের উৎসে কর শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে, পরিবেশবান্ধব কারখানার অন্যতম উপাদান সোলার প্যানেল আমদানিতে বাজেটে প্রস্তাবিত শুল্ক হার ১ শতাংশ না বাড়িয়ে পূর্বের ন্যায় শূন্য করা, ব্যাংক সুদের উৎসে করহার কোম্পানি করদাতার জন্য পূর্বের ন্যায় ১০ শতাংশ রাখা।
ভ্যাট খেলাপি হলে প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণে মূসক কর্মকর্তাগণ কর্তৃক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করার বিধান আইনে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে যা বাস্তবায়িত হলে শিল্পে শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে।
ধারাবাহিক তিন বছর বা ততোধিক সময়ব্যাপী কোনো কোম্পানির কার্যক্রম বন্ধ থাকলে পরিচালকদের নিকট হতে বকেয়া অবিতর্কিত কর আদায়ের বিধান রাখা এবং সরকারের অবিতর্কিত রাজস্ব দাবি পরিশোধে ব্যর্থ হলে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানিসহ অন্যান্য সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার বিধান প্রবর্তন করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
মাংস রপ্তানিতে ফ্রিজার ভ্যান এবং চিলার ভ্যান অপরিহার্য বিধায় এগুলোকে আমদানির ক্ষেত্রে মূলধনী পণ্য হিসাবে বিবেচনায় নিয়ে শুল্ক অব্যাহতি দিয়ে মাংস রপ্তানিতে বিশ্ববাজারে সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করার জন্য আবেদন জানানো হচ্ছে।
সসেজ, পেপারনি, সালামি ইত্যাদি একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত উল্লেখ করে বলা হয়, যেখানে উপকরণ হিসাবে বিভিন্ন ধরনের মসলা এবং প্যাকেজিং পণ্য আমদানি নির্ভর বিধায় উপরোক্ত উপকরণ আমদানিতে শুল্ক সুবিধা প্রদানের অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
বিপি/ আইএইচ
- ১জ্বালানি সংকট থেকে বের হতে দুই বছর সময় লাগবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
- ২৩১ দফা দেয়, ৩২ দফা পর্যন্ত পূরণ করে—এর নাম বিএনপি
- ৩হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
- ৪পেশাগত দক্ষতা ও গবেষণা উন্নয়নে যবিপ্রবির সঙ্গে তিন প্রতিষ্ঠানের চুক্তি
- ৫১৮ বছরের জঞ্জাল ৫ মাসে পুরোপুরি পরিষ্কার সম্ভব নয়: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
- ৬ইনস্যুরেন্স ইনোভেশন চ্যালেঞ্জে চ্যাম্পিয়ন পাইওনিয়ার
- ৭কুষ্টিয়ার ‘মসলা গ্রামে’ কৃষকদের সঙ্গে বিএনপি নেতার মতবিনিময়
- ৮বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে রিজভী-আমানসহ ৪ নতুন সদস্য
- ৯প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে ইবিতে দোয়া মাহফিল
- ১০ঝিনাইদহের সাবেক সংসদ সদস্য নায়েব আলী গ্রেফতার
- ১যশোর বোর্ডে প্রথম কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের সামিউল
- ২চাঁদপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার অভিযোগ
- ৩সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯
- ৪সীতাকুণ্ডে শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে নিরাপত্তা ঘাটতি ছিল কি না, তদন্তে বের হবে
- ৫বাস মেরামতে ২৮ লাখ টাকা ব্যয়, পরিবহন পরিচালকের ব্যাখ্যা
- ৬চাঁদপুরে জমজ দুই বোনের একসঙ্গে জিপিএ-৫
- ৭নিরাপত্তাহীনতা থাকলে চিকিৎসকদের বিদেশমুখিতা বন্ধ হবে না : প্রধানমন্ত্রী
- ৮বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে রিজভী-আমানসহ ৪ নতুন সদস্য
- ৯মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে চাঁদপুরে ৫ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
- ১০শিক্ষকদের অশ্রু মুছতে আজ ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী





পাঠকের মতামত