
রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতে গত বছর থেকে দেশে তীব্র আকারে ডলার সংকট দেখা দিয়েছে। সাথে কমেছে রেমিট্যান্স এবং রপ্তানি আয়। বৈদেশিক মুদ্রার সংকটের মাঝে আমদানি ব্যয় মেটাতে বাধ্য হয়ে রিজার্ভ থেকে খরচ করেছে সরকার। ফলে রিজার্ভের মাত্রা আগের বছরের তুলনায় বেশ কমে এসেছে।
এদিকে রেমিট্যান্স বাড়াতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি বছরের শুরুর মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার। আগের বছরের শেষ প্রান্তিকে রপ্তানি আয়েও বেশ উন্নতি হয়েছে। একই সাথে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) তিন হাজার ২৪৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ বেশি। ফলে কমতে থাকা রিজার্ভের পরিমান আগের তুলনায় সামান্য বেড়েছে।
ফেব্রুয়ারি মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত রিজার্ভের পরিমান দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলার। যা জানুয়ারি মাসের তুলনায় দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। গত মাসে রিজার্ভের পরিমাণ ছিলো ৩২ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার।
শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এমসিসিআই আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় ও মুক্ত আলোচনায় সংগঠনটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম রিজার্ভের উন্নতি প্রসঙ্গে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, শেষ কয়েকমাসে আমাদের আমদানি খরচ এবং নানান দেনা শোধ করতে আমাদের রিজার্ভ থেকে খরচ করতে হয়েছে। আমরা গত মাসেও রিজার্ভ থেকে বড় অঙ্কের আকু বিল পরিশোধ করেছি। আবার একই সময়ে আমাদের রেমিট্যান্স এবং রপ্তানিতে কিছুটা প্রবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। ফলে রিজার্ভের পরিমান আস্তে আস্তে বাড়া শুরু করেছে। চলতি মাসের অর্ধেক সময় পর্যন্ত আমাদের রিজার্ভের হার ৩২ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলার।
রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি নিয়ে সাইফুল ইসলাম বলেন, চলতি অর্থবছরে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ইতোমধ্যে প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) ৩২ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে এই অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৬০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি হবে বলে আশা করছি।
তৈরি পোশাক নিয়ে এমসিসিআই সভাপতি বলেন, দেশের রপ্তানি খাতে রাজত্ব করে বেড়াচ্ছে তৈরি পোশাক খাত। আমাদের রপ্তানির সিংহভাগ এই খাত থেকে আসে। চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে এই খাতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ১৪ দশমিক ৪০ শতাংশ। হিসাব অনুযায়ী, আমাদের পোশাক খাতে প্রতি মাসে ৪ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, রপ্তানির বেলায় আমাদের শুধুমাত্র তৈরি পোশাকের উপর নির্ভর করা উচিত না। আমাদের বার্ষিক আয় বৃদ্ধির জন্য হলেও রপ্তানি বহুমুখীকরণ খুব জরুরি। এ ব্যাপার নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে।
বিপি/এএস/আজাদ
- ১পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৩ কর্মকর্তাকে বদলি
- ২দরপত্র ছাড়া আরও ১৪ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার
- ৩মির্জা ফখরুলের কান্নাভেজা বিদায়, চাইলেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট
- ৪জ্বালানি নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস কাতারের প্রধানমন্ত্রীর
- ৫জবিতে ‘ফিরে দেখা ছাত্র জনতার রক্তাক্ত গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’ শীর্ষক সেমিনার
- ৬বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিল্পীসত্তা বিকাশে পূবালী ব্যাংকের চিত্রাঙ্কন উদ্যোগ
- ৭পপুলার ফার্মাকে ৩০.৭ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে আইএফসি
- ৮শরীয়তপুরে বিনা খরচে কর্মসংস্থানের সুযোগ
- ৯হজ্জ সেবার মানোন্নয়নে এজেন্সিগুলোর সঙ্গে প্রিমিয়ার ব্যাংকের মতবিনিময়
- ১০বাগেরহাটে ফলতিতা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
- ১চরফ্যাশন টি বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও জনবল সংকটে পাঠদান ব্যাহত
- ২চাঁদপুরে ইলিশ আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দামে কিছুটা স্বস্তি
- ৩তিন জেলার ডিসি প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন
- ৪স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি
- ৫বাণিজ্য প্রতিদিনে সংবাদ প্রকাশের পর মানিকগঞ্জে ভেজাল ছানা-ঘির কারখানা সিলগালা, জরিমানা ৫০ হাজার
- ৬যবিপ্রবিতে কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স অ্যান্ড অ্যাক্রেডিটেশন: নলেজ শেয়ারিং অ্যান্ড প্যানেল ডিসকাশন’ শীর্ষক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত
- ৭জুনে ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় ধস
- ৮একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন
- ৯মিষ্টিতে পোকা ও অতিরিক্ত সেবামূল্য: চাঁদপুরে ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
- ১০দরিদ্রতার কষাঘাতে রেশমির স্বপ্ন পূরণের প্রচেষ্টা কি থেমে যাবে?





পাঠকের মতামত