
লিবিয়ার মানবপাচারকারীদের গুলিতে ২৬ বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চায় বাংলাদেশ। পাশাপাশি এ বিষয়ে ক্ষতিপূরণ আদায়ের প্রতি জোর দিচ্ছে সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, যদি কোনো পক্ষ এ বিষয়ে মামলা করে তাহলেও পূর্ণ সহযোগিতা দেওয়া হবে।
এরই মধ্যে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে দেশটির সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন দেওয়া হয়েছে। এতে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, আহতদের চিকিৎসা এবং মৃতদের বিষয়ে ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন রাইজিংবিডিকে বলেন, এ মুহূর্তে লিবিয়াতে মূলত কোনো সরকার ব্যবস্থা নেই। তাছাড়া আমাদের সব শ্রমিক ছিল অবৈধ অভিবাসী। তাই আপাদত কোনরকম মামলার বিষয়ে সরকার ভাবছে না। আমরা জোর দিচ্ছি ক্ষতিপূরণের বিষয়ে।
তিনি বলেন, এরই মধ্যে আমাদের দূতাবাসের মাধ্যমে দেশটির সরকারের কাছে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
অভিবাসীদের পরিবার বা তৃতীয় কোনো পক্ষ এ বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা করলে সরকারের মনোভাব কি হবে এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা অবশ্যই বিষয়টিকে সাধুবাদ জানাবো এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে।
জানা গেছে, দূতাবাসের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এরই মধ্যে লিবিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিজদাহের সুরক্ষা বিভাগকে অপরাধীদের গ্রেপ্তার এবং বিচারের আওতায় আনার জন্য সবস্ত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এ ঘটনায় দেশের মানব পাচারকারী চক্রের যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করার বিষয়েও জোর দিচ্ছে সরকার।
মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করা শর্তে রাইজিংবিডিকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে লিবিয়ায় কর্মী পাঠানো গত পাঁচ বছর ধরেই বন্ধ। তারপরও কী করে এতো লোক বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া যাচ্ছে সেই ঘটনার তদন্ত করার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের হাতে থাকা প্রাথমিক তথ্য মতে, সিলেট, সুনামগঞ্জ, নোয়াখালী, মাদারীপুর, শরীয়তপুরসহ সুনির্দিষ্ট কিছু এলাকার লোকজন এভাবে ইউরোপে যায়। কাজেই এ এলাকার স্থানীয় দালাল ও মানবপাচার চক্রকে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে মন্ত্রণালয়।
এদিকে, লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম বিষয়ক কাউন্সিলর আশরাফুল ইসলাম জানান, ৩৮ জন বাংলাদেশি ও কিছু সুদানি নাগরিক প্রায় ১৫ দিন ধরে ওই অপহরণকারী চক্রের হাতে আটক ছিলেন। ডিসেম্বর মাসে তারা ভারত ও দুবাই হয়ে বেনগাজি বিমানবন্দরে পৌঁছান।মূলত ইতালিতে অভিবাসনের উদ্দেশ্যে তারা লিবিয়ায় গিয়েছিলেন।
ত্রিপলি থেকে ১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণের শহর মিজদায় আটক করে রাখা হয়েছিল তাদের। মানব পাচারকারী চক্রের কাছ থেকে অপহৃত হওয়ার পর অপহরণকারীদের হাতে খুন হন তারা।
- ১শিক্ষকদের অবশ্যই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
- ২সংবিধান রক্ষা করেছি, নতুন সরকার দেশ চালাচ্ছে, এসব আমারই কৃতিত্ব
- ৩শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় মদসহ ২ চোরাকারবারি আটক
- ৪২০২৭ সালে ৩১ কোটি মানসম্পন্ন বই বিতরণ করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী
- ৫কয়রায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসি’র সদস্য মনোনয়নে বিতর্ক
- ৬ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে : তথ্যমন্ত্রী
- ৭আত্মঘাতী বোমা হামলায় পাকিস্তানের ১২ সেনাসহ ১৫ জন নিহত
- ৮মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চা-শ্রমিকদের কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ
- ৯কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
- ১০মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমা সদৃশ বস্তু, নিষ্ক্রিয় করেছে পুলিশ
- ১মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমা সদৃশ বস্তু, নিষ্ক্রিয় করেছে পুলিশ
- ২যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ঘোষণায় সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক পাচ্ছে বাংলাদেশ
- ৩শেরপুরে হাতি সংরক্ষণে জনসচেতনতা বিষয়ক তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ
- ৪পাটশিল্পের স্বর্ণযুগ ফেরাতে যবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থীর এআই অ্যাপ ‘ম্যাটেরিও’
- ৫বৃষ্টিমুখর পরিবেশে ঢাকার বায়ুর মান ‘ভালো’
- ৬বাংলাদেশ-ভারতের পণ্য আমদানিতে মার্কিন শুল্ক ১০ শতাংশ
- ৭লক্ষ্মীপুরে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার
- ৮রাজনগরে যাবজ্জীবন সাজা ও একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার
- ৯রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করছেন আজ
- ১০কয়রায় জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের স্মরণে ছাত্রশিবিরের দোয়া অনুষ্ঠান





পাঠকের মতামত