
চুয়াডাঙ্গা ও আলমডাঙ্গা শহরের পুঞ্জিভূত জঞ্জাল পরিষ্কারের পর শহর অলঙ্কারে হাত লাগিয়েছেন বৈষম্যবিরোধি ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থিরা। গত সোমবার সকাল থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীরা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানের প্রাচীর ও দেয়ালে গ্রাফিতির বর্ণালী রঙের তুলির আঁচড়ে মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের অবতারণা করছেন। বাস্তব জীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতাজাত শ্লোগানও গুরুত্ব পাচ্ছে সেই গ্রাফিতিতে। আলমডাঙ্গা শহরের হাইরোডের মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স, উপজেলা পরিষদের গেটের আশপাশ, প্রাচীর সর্বত্র গ্রাফিতিত বর্ণালী স্টোক লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এসব গ্রাফিতিতে জুলাই বসন্তের লাল রঙের দিনগুলো স্মরণীয় হয়ে থাকবে ইতিহাসে, গণমানুষের স্মৃতিতে। অনিয়ম, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শক্তি, সাহস ও প্রেরণা যোগাবে এই গ্রাফিতি।
এর আগে বিভিন্ন পোল ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে অবাঞ্চিত পোস্টার ব্যানার অপসারণ করেন শিক্ষার্থীরা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আলমডাঙ্গা সাধারণ শিক্ষার্থীরা স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছেন ওই কর্মসূচিতে।
আলমডাঙ্গা ১ম শ্রেণির পৌরসভা হলেও নাগরিক সুবিধা শূন্যের কোঠায়। পুরো শহর যেন ময়লার ভাগাড়। হাইরোডে যত্রতত্র ইতোস্তত ময়লার স্তুপ। দুর্গন্ধময় জঞ্জাল। অপরিকল্পিত ও অপরিণত ড্রেনের নোংরা পানি, মশা মাছিতে শহর সয়লাব। দুর্গন্ধ আর রক্ত পচা গন্ধে নাকমুখ চেপে ধরে একহাটু কাঁদা মাড়িয়ে প্রতিনিয়ত পৌর পরিষদ যাতায়াত করেন ওই পথে।
এই যখন অবস্থা, তখন বৈষম্য বিরোধি শিক্ষার্থিরা এলেন ত্রাতা রূপে। রাস্তার দুই পাশের ময়লা আবর্জনা অপসারণে সব্যসাচীর মত হাত লাগালেন। গত কয়েক দিন ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এ কর্মযজ্ঞ চলছে। শিক্ষার্থীদের সড়ক ঝাড়ু দিতে, কোথাও আবর্জনা কুড়াতে দেখা গেছে। শিক্ষার্থীদের অনেকে দলে দলে ভাগ হয়ে কাজ করতে দেখা গেছে।
এ সময় বিভিন্ন পোল ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে অবাঞ্চিত পোস্টার-ব্যানার অপসারণ করা হচ্ছে। স্বাধীনতা স্তম্ভ ‘৭১ পরিষ্কার করা হয়। রাস্তার দুই পাশের ময়লা অপসারণ করা হয়। রোড ডিভাইডার অংকন করা হয়। অঙ্কন করা হয় জেব্রা ক্রসিং। আলমডাঙ্গা শহরবাসী নিজের শহরে এই প্রথম জেব্রা ক্রসিং’র সাথে পরিচিত হল। শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের এ কর্মসূচি চলমান।
এদিকে, শিক্ষার্থীদের এ কাজকে শহরের সাধারণ জনগণ অভিনন্দিত করেন। এই দেশেতে জন্ম নিয়ে গর্ববোধ করি, সোনার বাংলা সোনার দেশ, সবাই মিলে গড়ি এই শ্লোগানে গতকাল নূর মাদানী সমাজ কল্যাণ সংস্থা প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীর দুপুরে খাওয়ার ব্যবস্থা করেন । এছাড়াও শহরের ব্যবসায়ীরা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পানীয় ও নাস্তার প্যাকেট দিয়ে আপ্যায়িত করেন।
এসকে
- ১‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ২রপ্তানি খাতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অপরিসীম: বাণিজ্যমন্ত্রী
- ৩পলিথিন ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতা ও আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি
- ৪এনআরবিসি ব্যাংকে নবনিযুক্ত ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসারদের ওরিয়েন্টেশন
- ৫বাংলা কিউআরের প্রচারে সোনালী ব্যাংক
- ৬যমুনা ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত
- ৭শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী
- ৮জাতীয় অধ্যাপক হলেন অর্থনীতিবিদ মাহবুব উল্লাহ
- ৯খাল খননের পাশাপাশি দখল-দূষণমুক্ত করতে কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদ মন্ত্রী
- ১০একযোগে ৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি
- ১আইএফআইসি ব্যাংকে ঋণের নামে লুটপাট: ‘নীরব’ ছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
- ২চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ হবে: অর্থমন্ত্রী
- ৩ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ৩০ জুলাই
- ৪২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক : তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
- ৫লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল
- ৬মেঘনায় মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ, হতাশা নিয়ে ফিরছেন জেলেরা
- ৭ফনিক্স ফাইন্যান্সের বোর্ড সভা ২৮ জুলাই
- ৮শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার
- ৯রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইসি
- ১০নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন শুরু ২ আগস্ট





পাঠকের মতামত