
সিরাজগঞ্জ শহরের ইসলামিয়া কলেজ ও রেলগেট এলাকায় মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে কোটা আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ ব্যাপক রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ সময় শহরের বিভিন্ন সড়ক রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সংঘর্ষে ৫ পুলিশ সহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকে ছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়েছে। সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার রেলগেট এলাকার সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ আটজনকে আটক করেছে। আটকদের নাম জানা যায়নি।
আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ জিসান (১৯) ও সিয়ামকে (১৯) সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি নাবিল, সৈকত নয়ন ও ইমনকে শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত পুলিশেরা হলেন, সিরাজগঞ্জ ২ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক এসএম কামাল, সিরাজগঞ্জ গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক সৌমিক হাসান, সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজওয়ানুল ইসলাম, ডিএসবির উপ-পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম সহ পাঁচজন।
জানা গেছে, এসবি ফজলুল হক রোড, ইসলামিয়া কলেজ রোড, স্টেডিয়াম রোড ও সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল রোড পর্যন্ত সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এরপরের শহরে বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে সংঘর্ষ হয়।
আন্দোলনকারী সৈকত ও নাবিল জানায়, আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রেলগেট এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ বাঁধা দেয়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ছাত্রদের ওপর টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে। এতে বেশ কয়েকজন ছাত্র আহত হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, আন্দোলনকারীরা পুলিশের উপর হামলা করে। ফলে ঘটনাস্থল থেকে আটজনকে আটক করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজওয়ানুল ইসলাম জানান, কোটা আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে রেলগেট এলাকায় পৌঁছালে তাদের মধ্যেকার বহিরাগতরা পরিকল্পিতভাবে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ তখন তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ সময় তারা পুলিশের উপর হামলা চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এ ঘটনার পর থেকে এখনও শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
এছাড়া শাহজাদপুরের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস-১ এ কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়ে রাস্তায় বের হলে ছাত্রলীগের ছেলেরা হামলা চালিয়ে জাহিদ মামের এক ছাত্রকে আহত করেছে।
অপরদিকে সিরাজগঞ্জের শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা এদিন বিকেল ৩টার দিকে ক্যাম্পাসে কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে।
এএন
- ১চলতি অর্থবছরে ৫০ আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ
- ২সব পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর
- ৩সরকারের প্রতিজ্ঞা ভাঙ্গার কারণে সবকিছু হতাশায় পরিণত হয়েছে
- ৪নতুন বিনিয়োগ সৃষ্টি ও ব্যবসার সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার
- ৫নামজারিতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি: আব্দুল মান্নান
- ৬জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া : তথ্যমন্ত্রী
- ৭মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক
- ৮কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
- ৯বিনা চিকিৎসায় কেউ মারা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ১০যানজট নিরসনে নবীনগর বাজারে উচ্ছেদ অভিযান, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা
- ১‘লুটপাটে সহায়তাকারী’ আইএফআইসির এমডি মনসুর মোস্তফা বহাল তবিয়তে
- ২ভাইরাল ভিডিও সম্পর্কে যা বললেন এমপি গাজী নজরুল ইসলাম
- ৩চাঁদপুরে নিজ বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে বাড়ির মালিকের মৃত্যু
- ৪শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষমতা ফিরল কমিটির হাতে
- ৫নবীনগরে সরকারি পুকুরপাড়ের লিজ নিয়ে বিতর্ক
- ৬পাথরঘাটায় তরুণী নিখোঁজ
- ৭ময়মনসিংহে ট্রাক চাপায় নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত
- ৮শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিসিএসের স্বপ্নে প্রিয়ন্তী
- ৯সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত মুজিবুরের পরিবারকে সরকারি সহায়তা
- ১০প্রবাসী কার্ডে মিলবে প্রায়োরিটি চেক-ইন ও বোর্ডিং সুবিধা





পাঠকের মতামত