
দীর্ঘদিন ধরে দেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সম্পদ সুন্দরবনে বনদস্যুদের তৎপরতা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা সম্ভব না হলেও তাদের দমনে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। গত দেড় বছরে কোস্ট গার্ডের নিয়মিত ও বিশেষ অভিযানে সুন্দরবনের কুখ্যাত করিম-শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ ও আসাবুর বাহিনীর মোট ৬১ জন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তবে এত অভিযানের পরও বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য পুরোপুরি কমেনি; বরং কিছু ক্ষেত্রে তাদের বেপরোয়া তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
জেলেরা মনে করেন, শুধুমাত্র অভিযান নয় বরং বিকল্প জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি, স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি বাড়ানো গেলে সুন্দরবনে দস্যুতা আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং এ বননির্ভর মানুষের নিরাপদ জীবিকা নিশ্চিত করতে বনদস্যু দমনে সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন উপকূলীয় মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় প্রতিদিনই সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় জেলেদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা করছে দস্যুরা। এতে অনেক জেলে জীবিকার তাগিদ থাকা সত্ত্বেও নিরাপত্তার অভাবে বনে মাছ ধরতে যেতে ভয় পাচ্ছেন। সম্প্রতি দস্যুদের ছোড়া গুলিতে এক জেলে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে, যা জেলেদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে তারা সর্বদা সক্রিয় ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বনদস্যু দমনে নিয়মিত যৌথ অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযানও চালানো হচ্ছে।
কোস্ট গার্ডের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন অভিযানে এখন পর্যন্ত ৮০টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৯৯ রাউন্ড তাজা গুলি, ৩০৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি, ১ হাজার ৯৫০ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া দস্যুদের কবল থেকে ৭৮ জন জেলে এবং ৩ জন পর্যটককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
কোস্ট গার্ড আরও জানিয়েছে, সুন্দরবনের অভ্যন্তরীণ নদী ও খালগুলোতে টহল কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় জনগণ ও সুন্দরবননির্ভর পেশাজীবীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে দস্যুদের কয়েকটি আস্তানা শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে এবং এই কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত করতে ভবিষ্যতেও তাদের নেতৃত্বে যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে।
এ বিষয়ে লেফটেন্যান্ট সাকিব ইমরান (এক্স), বিএন, নেভিগেটিং কর্মকর্তা (বিসিজিএস স্বাধীন বাংলা) জানান, সুন্দরবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ড সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে এবং বনদস্যুদের বিরুদ্ধে এ অভিযান চলমান থাকবে।
- ১‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ২রপ্তানি খাতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অপরিসীম: বাণিজ্যমন্ত্রী
- ৩পলিথিন ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতা ও আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি
- ৪এনআরবিসি ব্যাংকে নবনিযুক্ত ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসারদের ওরিয়েন্টেশন
- ৫বাংলা কিউআরের প্রচারে সোনালী ব্যাংক
- ৬যমুনা ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত
- ৭শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী
- ৮জাতীয় অধ্যাপক হলেন অর্থনীতিবিদ মাহবুব উল্লাহ
- ৯খাল খননের পাশাপাশি দখল-দূষণমুক্ত করতে কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদ মন্ত্রী
- ১০একযোগে ৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি
- ১আইএফআইসি ব্যাংকে ঋণের নামে লুটপাট: ‘নীরব’ ছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
- ২চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ হবে: অর্থমন্ত্রী
- ৩ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ৩০ জুলাই
- ৪২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক : তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
- ৫লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল
- ৬মেঘনায় মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ, হতাশা নিয়ে ফিরছেন জেলেরা
- ৭ফনিক্স ফাইন্যান্সের বোর্ড সভা ২৮ জুলাই
- ৮শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার
- ৯রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইসি
- ১০নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন শুরু ২ আগস্ট





পাঠকের মতামত