প্রকাশিত: জুলাই ২২, ২০২৩ ১২:০৩ পিএম

বিএনপির তিন সংগঠনের উদ্যোগে আজ রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হবে ‘তারুণ্যের সমাবেশ’। সমাবেশে অংশ নিতে বিএনপির অঙ্গ-সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা সকাল থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসছেন। এ সমাবেশ থেকে এক দফা দাবিতে আবারও নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

শনিবার সকাল ১১টার দিকে দেখা যায়, রাজধানীর ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মী ছাড়াও ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোর অসংখ্য নেতাকর্মী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এবং এর আশপাশে জড়ো হয়েছেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আশেপাশের এলাকার লোকারণ্য হয়ে গেছে। তারা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।

‘তরুণ প্রজন্ম দেব ভোট, রাজপথে বিজয় হোক’ স্লোগানে আজ রাজধানীতে ‘তারুণ্যের সমাবেশ’ করবে জাতীয়তাবাদী যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বেলা ২টায় শুরু হবে এ সমাবেশ। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঢাকা, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর সাংগঠনিক বিভাগের সমন্বয়ে আজকের সমাবেশ। এতে সমাবেশে চাকরিবঞ্চিত, গুম হওয়া নেতাকর্মীদের পরিবারের সদস্য, ভোট না দিতে না পারা তরুণ-তরুণীসহ এই সরকারের আমলে চাকরিচ্যুত কয়েকজনের বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকা তরুণদের নগরীতে পরিণত হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের কারণে চার কোটি ৭০ লাখের বেশি নতুন ভোটার তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তাদের অধিকারের জন্য আমরা মাঠে নেমেছি। সেসব মেধাবী তরুণের পক্ষে মাঠে নেমেছি, যাদের যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও শুধু দলীয় বিবেচনায়, আওয়ামী লীগ না করার কারণে চাকরির ভেরিফিকেশনে বাদ দেওয়া হচ্ছে। ভোট দিতে পারে না, চাকরির ক্ষেত্রে যেসব তরুণের মেধার মূল্যায়ন হচ্ছে না-এমন তরুণদের সবাই সমাবেশে অংশ নেবে।

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী বলেন, ঢাকার তারুণ্যের সমাবেশে নতুন জাগরণ ও গণজোয়ার সৃষ্টি হবে। তারুণ্যের নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হবে। তরুণদের নিয়ে রাজপথে ফ্যাসিবাদী সরকারকে রুখে দেব।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল বলেন, ‘ভোটাধিকারবঞ্চিত তরুণ তথা ন্যায়সংগত অধিকার বঞ্চিত মানুষের জন্য দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে তারুণ্যের সমাবেশ ডেকেছি। এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণ সমাজকে জাগ্রত করতে পেরেছি। আশা করি ঢাকায় স্মরণকালের সর্ববৃহৎ সমাবেশ হবে।’

গত মাসে চট্টগ্রাম থেকে প্রথম তারণ্যের সমাবেশ শুরু হয়। এরপর বগুড়া, বরিশাল, সিলেট, খুলনায় তারুণ্যের সমাবেশ করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল।

বিপি/এএস

শেয়ার

পাঠকের মতামত

সেতু বিভাগের সচিব এর সাথে পিপিপি প্রকল্পের বিকল্প ঋণদাতা প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

রাজধানী ঢাকার তীব্র যানজট নিরসনে আধুনিক, দ্রুতগামী ও কার্যকর পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি ...

এনসিসি ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের এনসিসি ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ...

রপ্তানি খাতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অপরিসীম: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশের রপ্তানি খাতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অপরিসীম বলে উল্লেখ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। সোমবার ...

চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ হবে: অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় গড়ে ওঠা চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে (সিইআইজেড) শেষ পর্যন্ত এক বিলিয়ন মার্কিন ...

চট্টগ্রামে ২০ হাজার নলকূপ ক্ষতিগ্রস্ত, নিরাপদ পানির তীব্র সংকট

চট্টগ্রামে ১৫টি উপজেলায় বন্যায় ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের তিনটি উপজেলা সাতকানিয়া, বাঁশখালী ও ...