প্রকাশিত: আগস্ট ৩১, ২০২১ ২:৫০ পিএম

সাধারণ সহায়তার (জিআর) চাল আত্মসাৎ করে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে কালো বাজারে। বরাদ্দের প্রায় ৬ হাজার টন সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে ১৬ জন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকতাসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. হোসাইন শরীফ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকতারা হলেন, গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, ওই উপজেলার নারী ভাইস চেয়ারম্যান আকতারা বেগম ও গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর মোছা. গোলাপী বেগম।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হলেন- গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ১ নং কামদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.মোশাহেদ হোসেন চৌধুরী, ২ নং কাটাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম (রফিক), ৩ নং শাখাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তাহাজুল ইসলাম, ৪ নং রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল লতিফ সরকার, ৫ নং সাপমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাকিল আলম, ৬ নং দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. র. ম. শরিফুল ইসলাম জজ, ৭ নং তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতিকুর রহমান আতিক, ৮ নং নাকাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাদের প্রধান, ১০ নং রাখালবুরুজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহদাত হোসেন, ১১ নং ফুলবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান মোল্লা, ১২ নং গুমানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শরীফ মোস্তফা জগলুল রশিদ রিপন, ১৩ নং কামারদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শরিফুল ইসলাম রতন, ১৪ নং কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোশারফ হোসেন, ১৫ নং শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সেকেন্দার আলী মন্ডল, ১৬ নং মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল লতিফ প্রধান এবং ১৭ নং শালমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আমির হোসেন শামীম।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা জাল কাগজপত্র তৈরি করে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ধর্মীয় সভার অনুকূলে জিআর এর বরাদ্দকৃত ৫ হাজার ৮২৩ মেট্রিক টন সরকারি চাল উত্তোলন পূর্বক কালোবাজারে বিক্রয় করে। যেখানে তৎকালীন সরকারি আর্থিক মূল্য প্রতি মেট্রিক টন চাল ৩৭ হাজার ৮৩৬ টাকা হিসেবে মোট ২২ কোটি ৩ লাখ ২১ হাজার ৫৯০ টাকা আত্মসাৎ করে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরােধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে।

তাই সরকারি চাল আত্মসাতের পরিপ্রেক্ষিতে ১৬ জন চেয়ারম্যান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকতা, উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান, কাউন্সিলরসহ মোট ১৯ জনের বিরুদ্ধে দুদক মামলা দায়ের করে।

শেয়ার

পাঠকের মতামত

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে শিল্পকারখানা, ঋণের সুদ মওকুফ চায় চট্টগ্রাম চেম্বার

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহে দীর্ঘস্থায়ী সংকটে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়ে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। এ ...

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লু ইকোনমি সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েছে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সমুদ্রসম্পদ এবং সমুদ্রবন্দরকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশ বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ...

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের বই ছাপাতে ৯৪৮ কোটি টাকা অনুমোদন

আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক, ইবতেদায়ি, মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি স্তরের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও ...

বিশ্বব্যাংক এআই-এর কারণে উন্নত দেশগুলোতে চাকরি হারানোর ঝুঁকি তিন গুণ বেশি

জেনারেটিভ এআই-এর কারণে উন্নত দেশগুলোতে চাকরি হারানোর ঝুঁকি উন্নয়নশীল দেশের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি ...

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য-বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, দক্ষতা উন্নয়ন ও গবেষণা সহযোগিতা আরও বিস্তৃত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ...