
৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পরপরই পালিয়ে যায় কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা। এরপর আর তাদের ক্যাম্পাসে দেখা যায় নাই।
অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন দোকানে দুই লাখেরও বেশি টাকা বাকি খেয়ে উধাও হয়ে গেছে কলেজ শাখা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এরমধ্যে বেশিরভাগ টাকা বাকি রয়েছে ক্যাম্পাসের আশেপাশে খাবার হোটেলগুলোতে। বাদবাকি চা-সিগারেট এর দোকানে। ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের অন্তত ২০টি দোকানের বাকির হিসাব থেকে এ তথ্য উঠে এসেছে। ক্যাম্পাসে থাকাকালে বিভিন্ন সময় খেয়ে তারা টাকা বাকি রাখতো বলে অভিযোগ দোকানীদের।
অনুসন্ধানে জানা যায় খাবার হোটেল ও অন্য দোকানগুলোতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বাকি রয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৭শত ১১ টাকা। এরমধ্যে চা-সিগারেটের দোকানে বাকি ৫৩ হাজার ৫শত টাকা। আর খাবার হোটেলে ১ লাখ ৫৫ হাজার ২শত ১১ টাকা বাকি রয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কলেজের প্রধান ফটকের পাশে ফয়সাল হোটেলে ১৮ হাজার ৮শত ৮০ টাকা ও রজ্জব আলীর হোটেলে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩শত ৩১ টাকা বাকি রয়েছে। হোটেলগুলোর বকেয়া খাতা হিসাব করে এ তথ্য জানা গেছে।
ক্যাম্পাসের পাশে সাইফুল চা স্টোরে প্রায় ৪০ হাজার টাকা বাকি।
৪ আগস্ট প্রধান ফটকের সামনে চা দোকানে বাকি খেয়েছে ২ হাজার ৬ শত টাকা। অন্য আরো দুটি দোকান থেকে বাকি খেয়েছে ৫ হাজার ৯ শত টাকা। ডিম দোকানে প্রায় ৫ হাজার টাকা বাকি ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের।
দোকানিরা বলেন, তারা ইচ্ছে মতো বাকি খেতো। টাকা চাইলে শুধু নতুন তারিখ দিতো। আবার অনেক সময় দোকান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিতো। এজন্য ভয়ে তারা মুখ খুলতে পারতেন না। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা চেয়েছেন।
ছাত্রলীগ নেতাদের সাথে ফোনে কথা হয় কিনা এ প্রশ্নের জবাবে দোকানীরা বলেন, অধিকাংশের মোবাইলে ফোন দিলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। যোগাযোগ করতে না পেরে হা-হুতাশ করছেন এই ব্যবসায়ীরা।
ক্যাম্পাসের পুরোনো ব্যবসায়ী ফয়সাল হোটেলের মালিক ফয়সাল হোসেন বলেন, অনেক কষ্টে এই হোটেল চালু করেছিলাম। ছাত্রলীগের বাকির চাপে শেষ আমরা।এখনতো পুরো টাকাই পাবো না।
রজ্জব আলী হোটেল ব্যবসায়ী কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমার দোকানে সবচেয়ে বেশি বাকিতে খাবার খেয়েছে।এত টাকা বাকি থাকলে সামনে ব্যবসা করব কিভাবে। একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছি। তাদের বিচার আল্লাহ করবে।
চা দোকানীরা বলেন,তাদের উচিত ছিলো আমাদের টাকা দিয়ে যাওয়া। আমাদের স্বল্প পুঁজি। জিনিসপত্রের যে দাম স্ত্রী সন্তান নিয়ে শহরে থাকা কঠিন হয়ে গেছে।
এম জি
- ১মে মাসে ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় ধাক্কা
- ২চাঁদপুরে এক কালভার্ট বদলে দেবে ৮ গ্রামের মানুষের জীবন
- ৩আসছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, ৮২ লাখ মাদকাসক্তকে রক্ষায় আইনি সংস্কার
- ৪ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্যে হাসি ফুটেছে চাষিদের মুখে
- ৫হুমকির মুখে ১২০০ বিঘা আমন আবাদ, ঝুঁকিতে মাছ চাষ
- ৬পায়ে শিকল বাঁধা সেই নারী ফিরলেন স্বজনদের কাছে
- ৭কুড়িগ্রামের কাঁচকোলে ভাঙন মোকাবিলায় দিনরাত পাউবোর কাজ
- ৮জুলাইয়ের ১৮ দিনে এলো ১৮০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স
- ৯রেমিট্যান্স আহরণে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাইলফলক অর্জন
- ১০মোস্ট সাসটেইনেবল কোম্পানি অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ
- ১সিরাজগঞ্জে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
- ২কক্সবাজারে পরিবার পরিকল্পনা কমিটির মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
- ৩নির্মাণাধীন চাঁদপুর শহর সংরক্ষণ বাঁধের কাজ দৃশ্যমান
- ৪রবি আজিয়াটার বোর্ড সভা ২৮ জুলাই
- ৫প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্র-সমাজের যৌথ দায়িত্ব: ডিএসসিসি প্রশাসক
- ৬ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষণ মামলায় তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন
- ৭ইরানের হামলায় ২ মার্কিন সেনা নিহত, জবাবে ভয়াবহ হামলা যুক্তরাষ্ট্রের
- ৮যমুনা ব্যাংকের বোর্ড সভা ২২ জুলাই
- ৯১৫ বছরের ধ্বংসযজ্ঞ অল্প সময়ে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়, তবে কাজ শুরু হয়েছে
- ১০চিলমারীতে ফের তীররক্ষা বাঁধে ধস, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ





পাঠকের মতামত