
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার বিষয়টি ওমানের সঙ্গে চলমান আলোচনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয় বলে জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একইসঙ্গে ইরানের শর্তগুলো যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি মেনে নিলেই প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির এই অভিজাত বাহিনী।
শনিবার (৮ আগস্ট) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসির মুখপাত্র সারদার মোহেবি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়া নির্ভর করছে ইরানের নির্ধারিত ‘নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ও শর্তের’ ওপর। এর সঙ্গে ওমানের চলমান আলোচনার কোনো সম্পর্ক নেই।
মোহেবি বলেন, ‘আমাদের কাছে হরমুজ প্রণালি শুধু একটি অর্থনৈতিক জলপথ নয়; এটি ভৌগোলিক ও কৌশলগত শক্তিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।’
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের শর্তগুলো পুরোপুরি মেনে নিতে হবে এবং আঞ্চলিক আলোচনায় হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। এরপরই প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেয়ার বিষয়টি কার্যকর হবে।
আইআরজিসির এই মুখপাত্র বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যখনই ইরানের শর্ত মেনে নেবে, তখনই হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়া হবে।’
এর আগে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে এবং শিগগিরই একটি চুক্তি হতে পারে।
এদিকে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ইতিবাচক বার্তা পাওয়ার দাবি করেছে ইরান। তবে এই মুহূর্তে ট্রাম্প প্রশাসনের চেয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনাতেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে তেহরান। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির সীমানা ও নৌ চলাচল নিয়ে মাস্কটের সঙ্গে সমঝোতার পরই ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেয়া সম্ভব।
দ্রুত যুদ্ধ শেষ হওয়ার বিষয়ে আশাবাদী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পও। তিনি বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত শিগগিরই শেষ হবে এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে চুক্তিও খুব কাছাকাছি। তবে একই সময়ে মার্কিন অস্ত্রের মজুত নিয়ে চাপের কথাও স্বীকার করেছেন ট্রাম্প। নির্দিষ্ট কিছু অস্ত্রের মজুত তুলনামূলকভাবে কম বলে জানান তিনি। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
বিএইচ
- ১নাফ নদী থেকে বাংলাদেশি ৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি
- ২যে ৭ অভ্যাস আপনার অজান্তেই বাড়িয়ে দিতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি
- ৩ঘুমানোর আগে ইসলামের ৯ আদব
- ৪আজ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- ৫আওয়ামী লীগ ১৭ বছরে যা পারেনি, আমরা ৫ বছরেই তা করার চেষ্টা করবো
- ৬জীববৈচিত্র্য-দ্বীপবাসী দুটোই সেন্টমার্টিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ
- ৭রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী
- ৮হাসিনার নির্দেশে গুম করা হয়েছিল সালাহউদ্দিন আহমদকে
- ৯সড়ক-বাড়িতে দূষিত পানি, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে সরিষাবাড়ীবাসী
- ১০গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে শিল্পকারখানা, ঋণের সুদ মওকুফ চায় চট্টগ্রাম চেম্বার
- ১সাতক্ষীরা-ভেটখালী সড়কে বড় বড় খানাখন্দ, চলাচলে চরম ভোগান্তি
- ২আখাউড়ায় শাহপীর কল্লা শহীদ’র ওরস সোমবার শুরু
- ৩সিন্ডিকেট-মজুদদারির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করবে সরকার
- ৪চিকিৎসক সমাজের পেশাগত উৎকর্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ড্যাব
- ৫অসময়ে তরমুজ চাষে কৃষকের দৃষ্টান্ত স্থাপন
- ৬সমনবাগ চা বাগানে ৫০০ টাকা মজুরির দাবিতে গণবিক্ষোভ
- ৭কাপাসিয়ায় বাবার খরিদকৃত জমি দখল চেষ্টা, থানায় মেয়ের অভিযোগ
- ৮চাহিদা অনুযায়ী বগুড়ার তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী
- ৯আমরা বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই: শিক্ষামন্ত্রী
- ১০ভরিতে ফের ৪৩৭৪ টাকা বাড়লো সোনার দাম





পাঠকের মতামত