প্রকাশিত: জানুয়ারী ২১, ২০২৩ ৪:৫৭ পিএম , আপডেট: জানুয়ারী ২১, ২০২৩ ৫:০০ পিএম

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন মিষ্টি কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে মিষ্টি।কোনো কোনো মিষ্টির দোকানগুলোতে নেই কোনো মূল্যতালিকা, তার ওপর প্রতিকেজি মিষ্টির খালি প্যাকেটের ওজন ২০৫ গ্রাম। একে তো অস্বাস্থ্যকর খাদ্য, অন্যদিকে ওজনে প্রতারণা শিকার হয়ে উভয় সঙ্কটে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

মাধবপুর উপজেলার জগদীশপুর, নোয়াপাড়া, ছাতিয়াইন বাজারের বেশ কিছু মিষ্টির দোকান ঘুরে দেখা যায়, মিষ্টির দোকানে মূল্যতালিকা না থাকায় অতিরিক্ত দামে মিষ্টি বিক্রি করা হচ্ছে।এসব মিষ্টির প্যাকেট ওপরের কভার হালকা থাকলেও নিচের দিক ভারী। একেকটি প্যাকেটের ওজন ১৩৫-২০৫ গ্রাম। সাধারণ মিষ্টির দোকানগুলোতে প্রতিকেজি মিষ্টির মূল্য ২০০-২৪০ টাকা। তবে অভিজাত মিষ্টির দোকানগুলোতে প্রতিকেজি মিষ্টির মূল্য ২৩০-৬০০ টাকা। ক্রেতারা মিষ্টি ক্রয় করতে গেলে প্যাকেটসহ মিষ্টি ওজন করা হয়।

এতে ক্রেতারা ১ কেজি মিষ্টি কিনলেও প্রকৃতপক্ষে পান ৭৫০-৮৫০ গ্রাম। কেউ নিজের দোকানের নামে আবার কেউ বাজার থেকে প্যাকেট স্বল্পমূল্যে ক্রয় করে বিক্রি করা হচ্ছে মিষ্টির দামে। ডিজিটাল পাল্লায় ওজনের সঙ্গে কৌশলে মিষ্টির প্যাকেটেরও ওজন দেওয়া হয়। এতে প্রতিকেজি ১৪০-২১০ গ্রাম মিষ্টি কম দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি মিষ্টির দোকানে ওজনে প্রকাশ্যে চলছে কারচুপি।

মিষ্টি তৈরির কয়েকটি কারখানা ঘুরে দেখা যায়, অবস্থা আরও খারাপ। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে দই, মিষ্টি। এর আশপাশে দুর্গন্ধে কোনোভাবেই থাকা যাচ্ছে না। মিষ্টির দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানা করলেও তাদের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। পৌর শহর ও ইউনিয়ন বাজারগুলোতে শতাধিক মিষ্টির দোকান রয়েছে। এ ওজন নিয়ে প্রায়ই ক্রেতাদের সঙ্গে দোকান মালিকদের বাকবিতণ্ডা ঘটছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাতিয়াইন বাজারের কয়েকজন ক্রেতা জানান, দোকানে মূল্য তালিকা না থাকায় দোকানের মালিকরা ইচ্ছামতো মিষ্টির দাম আদায় করছেন। মিষ্টি ওজনের সময় প্যাকেটসহ পরিমাপ করছেন। আবার দইয়ের ক্ষেত্রে পাতিলের ওজনসহ বেশি দামে দই বিক্রি করছেন। আমরা দোকানদারদের কিছু বললে দোকানি বলে বেশি দামে নিলে নেন না নিলে না নেন। এটি দেখার যেন কেউ নেই। আমরা অনেকেই বেকায়দায় পড়ে বেশি মূল্য দিয়ে মিষ্টি কিনছি।

বাজারের সাধারণ ক্রেতারা জানান, সরকারি নির্দেশনার চেয়ে বেশি ওজনের প্যাকেটে মিষ্টি বিক্রি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ মিষ্টি তৈরি করলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ছাড়া এদের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিকার নেই। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদের কঠিন শাস্তির জরিমানা ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

শেয়ার

পাঠকের মতামত

দায়িত্বে অবহেলার কারণে চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে তাৎক্ষনিক বদলির নির্দেশ

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যান্টি-র‌্যাবিস ভ্যাকসিন ও ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ইনজেকশন মওজুদ না থাকা ...

কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের বিপরীত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে তারা মিয়া (২০) ...

রাজীবপুরে নদীভাঙন পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

কুড়িগ্রামের চর রাজীবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নের পূর্বপাড়ে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ...

রায়পুরায় ট্রান্সফরমার চুরি জমিতে সেচ বন্ধ, ভোগান্তিতে শতাধিক কৃষক

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার দক্ষিণ মির্জানগর গ্রামে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) পরিচালিত গভীর নলকূপের দুটি ...

বিএসএফ কর্তৃক ৩ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক তিন জনকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশ-ইন করার চেষ্টা প্রতিহত করেছে বর্ডার ...

খুলনায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪

খুলনা মহানগরীর মিয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৯৫৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ...