
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে অপহরণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা কিশোর রাফিজ মিয়া (১৫) হত্যা মামলার অন্যতম আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৫ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে বারোটার দিকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার হাবিবপুর মসজিদ মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামি আলমডাঙ্গা উপজেলার খেজুরতলা বাজারপাড়া গ্রামের মৃত মুরজুল হকের ছেলে শরিফুল ইসলাম (৩৫)।
পুলিশ জানায়, আলমডাঙ্গা থানার চিলাভালকী গ্রামের বাসিন্দা মোছাঃ আমেনা খাতুন (৫৬)-এর নাতি রাফিজ মিয়াকে গত ৫ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল করে কৌশলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে তাকে মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখা হয়।
একই দিন রাত আনুমানিক ১১টার দিকে অপহরণকারীরা রাফিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন করে। এ সময় রাফিজের কান্নাজড়িত কণ্ঠ শোনানোর মাধ্যমে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পাশাপাশি বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে জবাই করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর একই নম্বর থেকে একাধিকবার ফোন করে পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে মুক্তিপণের টাকা দাবি করা হয়।
এ ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় গত ১০ জুন মামলা নং-১১ দায়ের করা হয়। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী-২০২৫)-এর ৭/৮/৩০ ধারায় রুজু করা হয়।
বৃহস্পতিবার বিকালে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল (সিসিআইসি)-এর সাব-ইন্সপেক্টর আশিকুর রহমান, সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ রজিবুল হক ও আরিফুল ইসলাম এবং আলমডাঙ্গা থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মোঃ হোসেন আলীর নেতৃত্বে একটি যৌথ দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন হাবিবপুর মসজিদ মার্কেট এলাকা থেকে মামলার অন্যতম আসামি শরিফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার দিন পরিকল্পিতভাবে রাফিজকে ফোন করে ডেকে মোটরসাইকেলে করে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর এলাকার অর্জুন খালের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার হাত-পা বেঁধে নির্যাতন চালানো হয়। এরপর রাফিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দিয়ে পরিবারের সদস্যদের কাছে কল করে তার চিৎকার শোনানো হয় এবং ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
তদন্তে আরও জানা যায়, পরিবারের সদস্যরা মুক্তিপণের টাকা দিতে ব্যর্থ হলে অপহরণকারীরা রশি দিয়ে শ্বাসরোধ করে রাফিজকে হত্যা করে। পরে মরদেহ অর্জুন খালে ফেলে রেখে তারা পালিয়ে যায়।
ঘটনার আট দিন পর, গত ১৩ জুন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর এলাকার লাল ব্রিজ মাঠসংলগ্ন অর্জুন খালের পাশে জনৈক মজিদের জমির পুকুর থেকে রাফিজ মিয়ার পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত শরিফুল ইসলামকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত আলোচিত এ হত্যা মামলায় মোট তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
টিআর
- ১সিরাজগঞ্জে ১০৪ বোতল স্ক্যাফসহ এক নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
- ২দেশের ৭ জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
- ৩বগুড়ায় যাত্রীবাহী বাস পিলারে লেগে ৬ শ্রমিক নিহত
- ৪বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসায় আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার
- ৫রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে স্বল্পমেয়াদি অধিবেশন ডাকা হবে: চিফ হুইপ
- ৬বিটিভির মহাপরিচালক হলেন কাজী জেসিন
- ৭২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের বই ছাপাতে ৯৪৮ কোটি টাকা অনুমোদন
- ৮ভারত সফরের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী নেবেন : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ৯এসএসসির ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট
- ১০আলোচিত রাফিজ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেফতার
- ১দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আগ্রহী আনিসুর রহমান
- ২কয়রায় পুলিশ সুপারের সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময়
- ৩মনু সেচ প্রকল্পে জলাবদ্ধতা সমাধানের দাবিতে কৃষকদের স্মারকলিপি
- ৪বিতর্কিত সনদে রূপালী লাইফের মুখ্য নির্বাহী গোলাম কিবরিয়া
- ৫আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নৌপথে ট্র্যাকিং সিস্টেম থাকা দরকার: নোয়াখালী জেলা প্রশাসক
- ৬প্রশাসনে বদলি-পদায়নে এআই ব্যবহারের নির্দেশ
- ৭অবৈধভাবে উত্তোলনকৃত বালু জব্দ, জড়িতরা ধরাছোঁয়ার বাইরে
- ৮সাবেক নারী সেনাসদস্যকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে
- ৯চাঁদপুর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি রুহুল আমিনের মৃত্যু
- ১০কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের অর্ধ-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত





পাঠকের মতামত