
ভারতের কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তসহ একই পরিবারের চারজন নিহত হয়েছেন। নিহত অন্যরা হলেন তার স্ত্রী আফসানা শিম্মিন, শিশুসন্তান শর্ণশীষ দত্ত এবং শ্বশুর মো. আকরাম আলী।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টা থেকে ২টার মধ্যে নিউ মার্কেটের পার্শ্ববর্তী মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি পাঁচতলা ভবনে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ভবনটিতে একাধিক আবাসিক হোটেল ছিল। আগুনে অন্তত নয়জন নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছেন বলে কলকাতা পুলিশ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। প্রায় ৮০ জনকে ভবনটি থেকে উদ্ধার করা হয়।
নিহতদের মধ্যে কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৩৯), তার স্ত্রী আফসানা শিম্মিন (২৭), তাদের শিশুসন্তান শর্ণশীষ দত্ত এবং আফসানার বাবা মো. আকরাম আলী (৬৪) রয়েছেন। সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তের বাড়ি কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়া রাজারহাট এলাকায় এবং তার শ্বশুর আকরাম আলীর বাড়ি থানাপাড়া এলাকায়। পরিবারটি চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়েছিল বলে স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
দেবাশীষ দত্ত কুষ্টিয়ার সাংবাদিক মহলে পরিচিত মুখ ছিলেন। তিনি আজকের পত্রিকা ও চ্যানেল নাইন-এর কুষ্টিয়া প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পাশাপাশি স্থানীয় দৈনিক আজকের আলো পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পত্রিকাটির সম্পাদক গাজী মাহবুব রহমান।
দেবাশীষ দত্তের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কুষ্টিয়ার সাংবাদিক সমাজে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী, স্বজন ও পরিচিতজনদের মধ্যে চলছে শোক ও আহাজারি। একই সঙ্গে স্ত্রী, শিশুসন্তান ও শ্বশুরসহ পরিবারের চার সদস্যের একসঙ্গে মৃত্যুর ঘটনায় স্বজনদের মাঝে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক তৌহিদী হাসান বলেন, সংবাদপত্রের সবথেকে বিশ্বস্ত ছিল দেবাশীষ দত্ত। প্রতিদিন যে কোন সংবাদের জন্য তার সাথে আমার সবসময় বেশি যোগাযোগ হতো। সংবাদের শুরু করে শেষ পর্যন্ত এবং সংবাদের ভিত্তিতে গভীরভাবে তথ্য উপাত্ত তুলে আনার আপ্রাণ চেষ্টা করত তিনি।
কুষ্টিয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও স্থানীয় দৈনিক আজকের আলো পত্রিকার সম্পাদক গাজী মাহবুব রহমান চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দেবাশীষ দত্ত ওই পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এছাড়া দেবাশীষ দত্ত চ্যানেল নাইন ও দৈনিক আজকের পত্রিকার কুষ্টিয়া প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক সূত্র জানায়, অসুস্থ স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য গত ৩ আগস্ট চিকিৎসার জন্য দেবাশীষ দত্ত ভারতের ব্যাঙ্গালুরে গিয়েছিলেন। দেবাশীষের আট বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান এবং বাবা-মা রয়েছেন।
কলকাতার মর্মান্তিক এ অগ্নিকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের চার সদস্যকেই কেড়ে নেয়নি, কুষ্টিয়ার সাংবাদিক সমাজ ও তাদের পরিচিতজনদের কাছ থেকেও কেড়ে নিয়েছে একজন সহকর্মী ও তার পরিবারের তিন সদস্যকে।
টিআর
- ১চরফ্যাশনে গভীর রাতে ঝিল থেকে ডাব ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার
- ২কমিউনিটি ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত
- ৩সুন্দরবনের উপকূলে লবণাক্ত জমিতে সবুজের বিপ্লব
- ৪কোস্টগার্ডের নতুন ডিজি মঈনুল হাসান
- ৫প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ
- ৬কলকাতায় আবাসিক হোটেলে আগুন, কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চারজন নিহত
- ৭বাণিজ্য প্রতিদিনে সংবাদ প্রকাশের পর মানিকগঞ্জে ভেজাল ছানা-ঘির কারখানা সিলগালা, জরিমানা ৫০ হাজার
- ৮ছাড়পত্র ছাড়াই জাহাজ কাটায় ফেরদৌস স্টিলকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা
- ৯বিদ্যুৎ সংকটে বর্তমান সরকারের ন্যূনতম দায় নেই: তথ্য উপদেষ্টা
- ১০জমি নিয়ে বিরোধ, মামলা তুলে নিতে অন্তঃসত্ত্বাকে হত্যার হুমকি
- ১ঢাকা কলেজস্থ সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রকল্যাণের ফল উৎসব ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
- ২চরফ্যাশন টি.বি. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকসংকটে পাঠদান ব্যাহত, বিপথে ঝুঁকছে শিক্ষার্থীরা
- ৩প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপির নবনিযুক্ত স্থায়ী কমিটির ৪ সদস্যের সাক্ষাৎ
- ৪চাঁদপুরে ইলিশ আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দামে কিছুটা স্বস্তি
- ৫পিএসসি চেয়ারম্যানের পদত্যাগ
- ৬রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই
- ৭জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করবে বাংলাদেশ-কাতার
- ৮রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াতে কাজ করছে সরকার
- ৯বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও ইতিবাচক সম্পর্ক চায় ভারত
- ১০প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আপডেট নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী





পাঠকের মতামত