
ঈদের আগে অস্বাভাবিকভাবে দাম বাড়ার পর দফায় দফায় কমছে ব্রয়লার মুরগির দাম। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে শনিবার (৩০ মে) একদিনের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে কমেছে ৩০ টাকা পর্যন্ত।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনাভাইরাসের শুরুতে মুরগির দাম কিছুটা কমেছিল। এরপর রোজার শুরুতে চাহিদা বাড়ায় ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা বাড়ে। ঈদের আগে কয়েক দফা দাম বেড়ে ব্রয়লারের কেজি ২০০ টাকা স্পর্শ করে। তবে ঈদের পর চাহিদা কমায় আবার পোল্ট্রি মুরগির দাম কমতে শুরু করেছে।
রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। শুক্রবার (২৯ মে) বিভিন্ন বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হয় ১৭০ টাকা। আর ঈদের আগের দিন বেশিরভাগ বাজারে বিক্রি হয় ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজি। কোথাও কোথাও ২০০ টাকা কেজিও বিক্রি হয়।
অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে মুরগির দাম কেজিতে ৩০ টাকা কমলেও, ঈদের পর পাঁচ দিনে কেজিতে দাম কমেছে ৫০ টাকা পর্যন্ত। অবশ্য রোজার আগে ব্রয়লার মুরগির কেজি ১১০ টাকা ছিল। সেই হিসাবে এখনও রোজার আগের তুলনায় মুরগির দাম এখনও বেশি।
ব্রয়লার মুরগির দামের বিষয়ে রামপুরার ব্যবসায়ী মিলন বলেন, ‘করোনার কারণে অনেক ফার্মের মালিক মুরগির উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। যারা অব্যাহত রেখেছে তারা উৎপাদনের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে। যে কারণে ঈদের আগে চাহিদা বাড়ায় ব্রয়লার মুরগির অস্বাভাবিক দাম বেড়ে যায়। কিন্তু ঈদের পর মুরগির আর চাহিদা নেই। এ কারণে দাম কমে যাচ্ছে। তবে আমাদের ধারণা যেকোনো সময় আবার দাম বেড়ে যেতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘করোনার শুরুর দিকে ব্রয়লার মুরগি ১১০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি। এরপর রোজার মধ্যে বেড়ে ১৬০ টাকা কেজি হয়েছিল। আর ঈদের আগে হয়েছিল ১৯০ টাকা কেজি। এখন সেই মুরগির দাম কমে ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।’
যাত্রাবাড়ীর ব্যবসায়ী কাশেম বলেন, ‘ঈদের সময় ব্রয়লার মুরগির টান ধরাই দাম বেড়ে গেছে। ১১০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া মুরগির দাম দেখতে দেখতে ১৮০ টাকা হয়ে যায়। ঈদের পর বিক্রি না হয় দাম কমে এখন ১৪০ টাকায় নেমেছে। ব্যবস্থা কয়দিন থাকবে বলা যাচ্ছে না। কারণ অনেক ফার্মে এখন ব্রয়লার মুরগি উৎপাদন হচ্ছে না। সুতরাং দু’দিন পর চাহিদা বাড়লে আবার দাম বেড়ে যাবে।’
এদিকে ব্রয়লার মুরগির দাম কমলেও আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে দেশি মুরগি, গরু ও খাসির মাংস। দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি। গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা। আর খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। ডিমের ডজন ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
- ১মাদক সংশ্লিষ্টতার সঙ্গে পুলিশ জড়িত থাকলেও ছাড় নয়: ডিআইজি
- ২ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ৩লোকসানী শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারদর এক মাসে বেড়েছে ৬৮ শতাংশ
- ৪স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন পরিচালক ডা. নুরুল ইসলাম
- ৫পোশাকশিল্পের বিকাশে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
- ৬পারিবারিক বিরোধের জেরে তায়েবাকে হত্যার অভিযোগ, ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
- ৭বন্যাকবলিত ৩ হাজার ৫০ পরিবারকে ত্রাণ দিল শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন
- ৮সাতক্ষীরায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা
- ৯‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতেই চলবে বৈদেশিক সম্পর্ক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ১০মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা শুরু
- ১এক মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছে ৫০ হাজার কোটি
- ২একনেক সভায় ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
- ৩ভরা মৌসুমে চাঁদপুরে মাছঘাটে প্রচুর পাঙ্গাস আমদানি
- ৪এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার
- ৫মানিকগঞ্জে বেসরকারি হাসপাতালে অভিযান
- ৬শ্রীপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনে নিজ অর্থায়নে স্থানীয়দের ড্রেন নির্মাণ
- ৭সবার জন্য চালু হচ্ছে ‘ন্যাশনাল হেলথ কার্ড’: আইসিটিমন্ত্রী
- ৮অনলাইনে রিটার্ন দাখিল ৪৭ লাখ
- ৯আস্থাহীন পুঁজিবাজারে আস্থা ফেরাতে পারবে কি নতুন কমিশন?
- ১০স্থানীয় সরকার কার্যকর হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্তিশালী হবে





পাঠকের মতামত