
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা বিএনপিতে দীর্ঘদিন ধরে পূর্ণাঙ্গ নেতৃত্বের অভাব ও অভ্যন্তরীণ বিভাজনের কারণে সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মমিনুল হক টুলু বিশ্বাসকে বহিষ্কারের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি জেলা বিএনপি। এতে পদপ্রত্যাশী ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, একই সময়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করেছে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী। স্থানীয় নেতাদের দাবি, তারা আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি শুরু করেছেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, চিতলমারী, মোল্লাহাট ও ফকিরহাট উপজেলা নিয়ে গঠিত বাগেরহাট-১ আসনে বর্তমানে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। একদিকে বিএনপির সাংগঠনিক পুনর্গঠনে বিলম্ব, অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের ধারাবাহিক সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থানীয় রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
বিএনপির একাধিক নেতা জানান, উপজেলা কমিটির নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা মাঠপর্যায়ের কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন, নতুন সদস্য সংগ্রহ এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের সাংগঠনিক কার্যক্রমেও এর প্রভাব পড়ছে।
বাগেরহাট-১ আসনে বিএনপির মনোনীত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-সংক্রান্ত প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মণ্ডলের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য মঞ্জুর মোর্শেদ স্বপন বলেন, “একটি রাজনৈতিক দলকে কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য পূর্ণাঙ্গ কমিটি অপরিহার্য। এটি যত বিলম্বিত হবে, সাংগঠনিক দুর্বলতা ও অভ্যন্তরীণ বিভাজনের ঝুঁকি তত বাড়বে।”
উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আহসান হাবীব ঠান্ডু বলেন, “সভাপতি মমিনুল হক টুলু বিশ্বাস বহিষ্কৃত হওয়ার পর জেলা কমিটি আমাকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছে। তবে পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা রয়েছে। দ্রুত নতুন কমিটি গঠন করা প্রয়োজন।”
অন্যদিকে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা গাজী মনিরুজ্জামান বলেন, “জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক নিয়মনীতি অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে আমাদের নেতাকর্মীরা মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক প্রস্তুতি ও জনসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন।”
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চিতলমারী উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে দীর্ঘসূত্রতা অব্যাহত থাকলে সাংগঠনিক দুর্বলতা আরও প্রকট হতে পারে। একই সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তা স্থানীয় রাজনৈতিক ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে বলে তারা মনে করছেন। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত মূল্যায়ন নির্ভর করবে আগামী দিনে দলগুলোর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর।
টিআর
- ১মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা শুরু
- ২কানাডা থেকে ৪০ হাজার টন এমওপি সার কিনবে সরকার
- ৩চাঁদপুরে ভরণ-পোষণ দাবি করায় মা’কে হত্যাচেষ্টা
- ৪স্থানীয় সরকার কার্যকর হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্তিশালী হবে
- ৫স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল আগস্টে, প্রথম ধাপের ভোট অক্টোবরে
- ৬বন্যাকবলিত ৪,৫০০ পরিবারের পাশে ব্র্যাক ব্যাংক
- ৭সুন্দরবনে ৩০ কেজি হরিণের মাংস জব্দ, আটক ১
- ৮মরণনেশা ক্যাসিনো আসক্তিতে এক তরুণের মৃত্যু
- ৯সৌদির বিরুদ্ধে হুথিদের নৌ অবরোধ ঘোষণার নিন্দা জানাল বাংলাদেশ
- ১০সুন্দরবনের ৮ হাজার ২৭১ জেলে পরিবারের জন্য ভিজিএফ চাল বরাদ্দ
- ১চলতি অর্থবছরে ৫০ আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ
- ২এক মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছে ৫০ হাজার কোটি
- ৩নতুন বিনিয়োগ সৃষ্টি ও ব্যবসার সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার
- ৪একনেক সভায় ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
- ৫সরকারের প্রতিজ্ঞা ভাঙ্গার কারণে সবকিছু হতাশায় পরিণত হয়েছে
- ৬ভরা মৌসুমে চাঁদপুরে মাছঘাটে প্রচুর পাঙ্গাস আমদানি
- ৭সব পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর
- ৮নামজারিতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি: আব্দুল মান্নান
- ৯কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
- ১০এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার





পাঠকের মতামত