প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১ ৪:৩২ পিএম , আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১ ৪:৫৯ পিএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলদেশ যতটা এগিয়ে গেছে, বৈশ্বিক বাজারে ব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে আমরা ততটা প্রচার করতে পারিনি। আমরা ব্র্যান্ডিংয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছি। ‘বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২১’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তিতায় সালমান এফ রহমান একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ে বিডার সম্মেলন কক্ষে, বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) এর সহযোগিতায় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) কতৃক আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২১’ এর প্রাক প্রস্তুতি অনুষ্ঠানে লোগো উন্মোচন ও ওয়েবসাইটের উদ্বোধন করেন।

আগামী ২৮ ও ২৯ নভেম্বর ‘বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২১’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন।

সালমান এফ রহমান বলেন, কিছুদিন আগে আমরা আমেরিকাতে চারদিনের একটা রোড শো করেছি, সেখানেও প্রবাসীসহ সকল বক্তারা বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিংয়ে পিছিয়ে থাকার কথাই বলেছেন। ওই রোড শো’তে আমেরিকার ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন ধারণা পেয়েছে। বাংলাদেশ যে এতটা এগিয়ে গেছে সেটা তাদের জানা ছিলো না। তারা আমাদের ব্র্যান্ডিং বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমি মনে করি বিডাসহ অন্যান্য বিনিয়োগ উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তায় ‘বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২১’ এর এই উদ্যোগ আমাদের ব্র্যান্ডিংয়ে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা স্বল্প আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হতে যাচ্ছি। এই মুহূত্বে আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জটাই হলো বিনিয়োগ বাড়ানো। আশা করি ‘ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২১’ সেই লক্ষ্য পূরণে অনেকটা সহায়ক হবে।

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিশ্ব ব্যাংকের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান আইএফসি এ আয়োজনের অর্থায়ন করবে। “বিডা সেখানে এক কোটি টাকার মত খরচ করবে বলে প্রাথমিকভাবে আমরা চিন্তা করছি।”

আয়োজকরা জানিয়েছেন, করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে সামিটটি শারীরিক ও ভার্চুয়াল দুই মাধ্যমেই অনুষ্ঠিত হবে, যা কার্যকর জনসংযোগ, মতবিনিময় এবং অংশীদারিত্বের সুযোগ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে উচ্চ বিকাশমান খাতগুলোতে বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

সম্মেলনে কয়েকটি প্ল্যানারি সেশনের পাশাপাশি খাতভিত্তিক কারিগরি অধিবেশন হবে। সেখানে তথ্য প্রযুক্তি, তৈরি পোশাক, ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড ইলেক্ট্রিক শিল্প, কৃষি, চামড়া, ওষুধ শিল্প, স্বাস্থ্য, পরিবহনসহ মোট ১২টি খাত নিয়ে আলোচনা হবে।

এর আগে সর্বশেষ বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্মেলন হয়েছিল ২০১৬ সালে তখনকার বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ডের অধীনে। ওই বছরই বিনিয়োগ বোর্ড ও বেসরকারীকরণ কমিশনকে একীভূত করে গঠিত হয় বিডা।

শেয়ার

পাঠকের মতামত

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে শিল্পকারখানা, ঋণের সুদ মওকুফ চায় চট্টগ্রাম চেম্বার

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহে দীর্ঘস্থায়ী সংকটে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়ে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। এ ...

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের বই ছাপাতে ৯৪৮ কোটি টাকা অনুমোদন

আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক, ইবতেদায়ি, মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি স্তরের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও ...

বিশ্বব্যাংক এআই-এর কারণে উন্নত দেশগুলোতে চাকরি হারানোর ঝুঁকি তিন গুণ বেশি

জেনারেটিভ এআই-এর কারণে উন্নত দেশগুলোতে চাকরি হারানোর ঝুঁকি উন্নয়নশীল দেশের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি ...

এফবিসিসিআইয়ের নতুন প্রশাসককে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের শুভেচ্ছা

বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর নবনিযুক্ত প্রশাসক ...