
চলতি বাজেটে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্ল্যান্ট, ইকুইপমেন্ট ও ইরেকশন ম্যাটেরিয়াল আমদানিতে শুল্ক আরোপ করার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এতে বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে পণ্যের উৎপাদন খরচে। বিশেষ করে কৃষিতে উৎপাদন খরচ বাড়বে।
এদিকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ কমানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) ঘোষিত বাজেটে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩০ হাজার ৩১৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। এর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে ২৯ হাজার ২৩০ কোটি এবং জ্বালানি খাতে ১ হাজার ৮৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৪ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা।
দীর্ঘদিন ধরে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। সংসার চালাতে মানুষ দিশেহারা। সংসারের বোঝা বইতে মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। সরকারের কাছে মানুষের একমাত্র চাওয়া দ্রব্যমূল্যের দাম যেন কম হয়। স্বল্প আয়ে কীভাবে সংসার ব্যয় মেটানো যায় তা নিয়ে চিন্তায় মানুষ। এর উপরে যদি বিদ্যুতের দাম আবার বাড়ে তাতে কৃষিতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে। শুধু তাই না ব্যক্তি পর্যায়ে সংসারের খরচ বাড়তে পারে বেশ।
বিগত ১৫ বছরে গ্রাহক পর্যায়ে ১৪ বার বেড়েছে বিদ্যুতের দাম। পাইকারি পর্যায়ে বেড়েছে ১২ বার। ২০২৩ সালের জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি মাসে তিনবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। যার প্রভাব এখনও রয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে সবকিছুর ওপর।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) এর তথ্য অনুযায়ী দেশে প্রায় ১৬ লাখ সেচযন্ত্র আছে। এর মধ্যে প্রায় ৭০ ভাগ ডিজেলচালিত, বাকি বিদ্যুৎচালিত। অন্য একটি হিসেবে বোরো মৌসুমে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ ডিজেলচালিত সেচযন্ত্রের ব্যবহার হয়। আর বিদ্যুৎচালিত সেচযন্ত্রের সংখ্যা প্রায় চার লাখ ৩৩ হাজার। এই বিপুল পরিমাণ সেচযন্ত্রের মাধ্যমে জমিতে সেচ দিতে কৃষকের ব্যয় বাড়বে।
রাজশাহী মহানগরীর মোহনপুর উপজেলার কৃষক মাসুদ রানা জানান, এমতিতেই কৃষি কাজে ব্যয় বেড়েছে। শ্রমিক থেকে শুরু করে সবকিছুতেই দ্বিগুণ বেড়েছে খরচ। তার উপরে যদি বিদ্যুতের দাম বাড়ে তাহলে খরচ আরো বাড়বে।
তিনি আরো বলেন, ফসল উৎপাদন করতে যেভাবে ব্যয় বেড়েছে কিন্তু সেভাবে ফসল উৎপাদন করে লাভ করা যাচ্ছে না। এদিকে ব্যয় বাড়তেই আছে অন্যদিকে ফসল উৎপাদন করে তেমন লাভ হচ্ছে না। এর উপরে যদি বাজেটের পর আবার যদি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি পায় তাহলে তো সমস্যায় পড়তে হবে।
নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলার শুড়িপুকুর গ্রামের কৃষক মানিক মণ্ডল জানান, বরেন্দ্র অঞ্চলে বৃষ্টি কমেছে। তাই বৃষ্টির পানির দিকে তাকিয়ে থেকে আবাদ ঘরে উঠানো যায় না। সেচের উপরেই নির্ভর করতে হয়। চলতি বোর মৌসুমে প্রতি বিঘা জমি সেচ দিতে খরচ হয়েছে দুই হাজার থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা। আগের মৌসুমে সে খরচ হয়েছিল এক হাজার ৫০০ থেকে এক হাজার ৭০০ টাকা। কৃষক মানিক মণ্ডল জানান, বৃষ্টি না হওয়ায় এমনিতেই বেড়েছে সেচ খরচ। তার উপরে যদি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি পায় তাহলে ধান চাষে ব্যয় আরো বেড়ে যাবে।
এআরএস
- ১প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ
- ২মানিকগঞ্জে বেসরকারি হাসপাতালে অভিযান
- ৩এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার
- ৪মোড়লগঞ্জ-শরণখোলা-খুলনা রুটে বিআরটিসির নৈরাজ্য অনিয়মে অতিষ্ঠ যাত্রীরা
- ৫টেকসই অর্থায়নে পুঁজিবাজারের ভূমিকা আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ
- ৬এসিল্যান্ড হচ্ছেন প্রশাসন ক্যাডারের ৫০ কর্মকর্তা
- ৭শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক দুই ডিজিকে হাইকোর্টে তলব
- ৮মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের বোর্ড সভা ২৯ জুলাই
- ৯পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ জুলাই
- ১০লিন্ডে বিডির বোর্ড সভা ২৭ জুলাই
- ১চলতি অর্থবছরে ৫০ আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ
- ২এক মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছে ৫০ হাজার কোটি
- ৩একনেক সভায় ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
- ৪নতুন বিনিয়োগ সৃষ্টি ও ব্যবসার সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার
- ৫সরকারের প্রতিজ্ঞা ভাঙ্গার কারণে সবকিছু হতাশায় পরিণত হয়েছে
- ৬পাবনার এসপিসহ পুলিশের ১০ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বদলি
- ৭মোদীর বাসভবন ঘিরে বিক্ষোভ, পদত্যাগ দাবি
- ৮সব পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর
- ৯ভরা মৌসুমে চাঁদপুরে মাছঘাটে প্রচুর পাঙ্গাস আমদানি
- ১০নামজারিতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি: আব্দুল মান্নান





পাঠকের মতামত