
দীর্ঘ ১৯ মাসেও সম্মেলন করতে না পারায় চরম সাংগঠনিক স্থবিরতা ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জর্জরিত হয়ে পড়েছে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি। স্থানীয় পর্যায়ে বিবাদ মেটাতে ব্যর্থ হওয়ায় জেলার এই কোন্দল শেষ পর্যন্ত গড়িয়েছে দলটির শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত। গত ১৭ই জুন মৌলভীবাজার সফরকালে বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। উদ্ভূধ পরিস্থিতিতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জেলায় অধীনস্থ সব ইউনিটের কাউন্সিল শেষ করে দ্রুত জেলা সম্মেলন আয়োজনের করার তাগিদ দিয়েছেন দলীয়প্রধান।
দলীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে এম নাসের রহমানকে সভাপতি ও মিজানুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে জেলা বিএনপি’র সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়েছিল। তবে কিছুদিন পরই দুই নেতার অনুসারীদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয় এবং দলটি দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
পরবর্তীতে কোন্দল মেটাতে ২০২৪ সালের ৪ঠা নভেম্বর ফয়জুল করিম ময়ুনকে আহ্বায়ক এবং আব্দুর রহিম রিপনকে সদস্যসচিব করে একটি ৩২ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও এই কমিটি জেলা সম্মেলন সম্পন্ন করতে পারেনি। ৫টি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক ইউনিটের সম্মেলন ঝুলে থাকায় আটকে আছে মূল জেলার কাউন্সিল।
গত ১৭ই জুন মৌলভীবাজারের স্থানীয় দুসাই রিসোর্টে জেলা ও সিলেট বিভাগীয় বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় বসেন তারেক রহমান। সেখানে তৃণমূলের একাংশ সরাসরি দলীয়প্রধানের কাছে জেলার সাংগঠনিক স্থবিরতার চিত্র তুলে ধরেন। সব শুনে তারেক রহমান অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঝুঁলে থাকা ৫টি ইউনিটের কাউন্সিল শেষ করে মূল জেলা সম্মেলন আয়োজনের নির্দেশ দেন।
কমলগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র, যুগ্ম আহ্বায়ক, আবুল হোসেন জানান:-“দলীয়প্রধানের নির্দেশনা পাওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব কমলগঞ্জ উপজেলা কমিটির কাউন্সিল আয়োজনের প্রক্রিয়া চলছে। ইতিমধ্যে ইউনিয়নের তালিকা প্রস্তুতের কাজ শুরু হয়েছে।”
জেলা সম্মেলনকে কেন্দ্র করে মৌলভীবাজার বিএনপিতে এখন নেতৃত্ব পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। তৃণমূলের একটি বড় অংশ চাচ্ছে সরাসরি কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন ও গতিশীল কমিটি গঠন করা হোক। শীর্ষ পদের দৌড়ে আলোচনায় রয়েছেন হেভিওয়েট নেতারা:
সভাপতি ১.এম নাসের রহমান (সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য)
২.ফয়জুল করিম ময়ুন (বর্তমান আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র) |
সাধারণ সম্পাদক ১.মিজানুর রহমান (সাবেক সাধারণ সম্পাদক)
২.আব্দুর রহিম রিপন (বর্তমান সদস্যসচিব)
গণমাধ্যমকে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ুন বলেন, “নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে আহ্বায়ক কমিটি বসে ছিল না। আমরা দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে কাজ করেছি। দলীয় প্রধানের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুততম সময়ের মধ্যে ত্যাগী ও যোগ্যদের নিয়ে একটি সুন্দর পূর্ণাঙ্গ কমিটি উপহার দেওয়াই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”
দলীয়প্রধানের এই কড়া নির্দেশনার পর আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি’র নতুন নেতৃত্বের পথে কতটা এগিয়ে যেতে পারে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
এনজে
- ১ইউনিয়ন ক্যাপিটালের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ২বিএসটিআইর মোবাইল কোর্ট: চাঁদপুরে তিন বেকারি মালিকের অর্থদণ্ড
- ৩যবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও দপ্তর সম্পাদক পদে নতুন মুখ
- ৪সাউথইস্ট ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৫প্রবাসীদের ভোটব্যবস্থা নিয়ে আজ ইসির বৈঠক
- ৬ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৭ভাত খেতে চাওয়ায় চোরের অপবাদ দিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা
- ৮ভরা মৌসুমে চাঁদপুরে মাছঘাটে প্রচুর পাঙ্গাস আমদানি
- ৯ঢাকাসহ দেশের ১৭ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা
- ১০চলতি অর্থবছরে ৫০ আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ
- ১ভাইরাল ভিডিও সম্পর্কে যা বললেন এমপি গাজী নজরুল ইসলাম
- ২চাঁদপুরে নিজ বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে বাড়ির মালিকের মৃত্যু
- ৩শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষমতা ফিরল কমিটির হাতে
- ৪নবীনগরে সরকারি পুকুরপাড়ের লিজ নিয়ে বিতর্ক
- ৫পাথরঘাটায় তরুণী নিখোঁজ
- ৬ময়মনসিংহে ট্রাক চাপায় নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত
- ৭সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত মুজিবুরের পরিবারকে সরকারি সহায়তা
- ৮শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিসিএসের স্বপ্নে প্রিয়ন্তী
- ৯প্রবাসী কার্ডে মিলবে প্রায়োরিটি চেক-ইন ও বোর্ডিং সুবিধা
- ১০কয়রায় চরম ঝুঁকি নিয়ে চলছে ৪ হাজার মানুষের চলাচল





পাঠকের মতামত