
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদলের সহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নাসিম আহমেদের বিরুদ্ধে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে দেড় বছর ধরে অবস্থান করার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্ত নাসিম আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের এবং শহীদ জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নাসিম আহমেদের নিয়মিত শিক্ষা জীবন ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে মাস্টার্সের ফল প্রকাশের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। তবে ফল প্রকাশের পরও তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান হলের ৩২১ নম্বর কক্ষে অবস্থান করছেন বলে দাবি করেছেন হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম।
হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর আবাসিক হল ত্যাগ করার কথা থাকলেও নাসিম আহমেদ এখনো হলে অবস্থান করছেন।
তিনি আরো বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রভোস্ট সবকিছু জানার পরও নাসিম আহমেদের হলে অবস্থানের বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না এবং হল প্রভোস্ট বলছেন মানবিক বিবেচনায় তাকে হলে থাকার অনুমতি দিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নাসিম আহমেদ বলেন, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে মাস্টার্সের ফল প্রকাশের পর তিনি তার বৈধ আবাসিক সিট ছেড়ে দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি তার বিভাগের এক জুনিয়র শিক্ষার্থীর কক্ষে অবস্থান করছেন বলে দাবি করেন।
একজন শিক্ষার্থীর বরাদ্দকৃত সিটে অন্য শিক্ষার্থীর অবস্থান করার কোনো বিধান রয়েছে কি না দৈনিক মানবকণ্ঠ প্রতিনিধির এমন প্রশ্নের জবাবে নাসিম বলেন,আমি আপনাকে চিনি না। এ প্রশ্নের উত্তর আমি এখন দিতে পারবো না।
শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, নাসিম এখনো হলে অবস্থান করছেন এটি শতভাগ সত্য। আমার সঙ্গেও তার কয়েকবার দেখা হয়েছে। তবে প্রায় সাত মাস আগে তার আবাসিক সিট বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কার সিটে বা কীভাবে হলে অবস্থান করছেন, তা খুঁজে বের করা হল প্রশাসনের জন্য কষ্টকর।
এই বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী জানান নাসিম আহমেদ হলে থাকার বিষয়ে তিনি সঠিক কিছু জানেন না।
টিআর
- ১মে মাসে ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় ধাক্কা
- ২চাঁদপুরে এক কালভার্ট বদলে দেবে ৮ গ্রামের মানুষের জীবন
- ৩আসছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, ৮২ লাখ মাদকাসক্তকে রক্ষায় আইনি সংস্কার
- ৪ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্যে হাসি ফুটেছে চাষিদের মুখে
- ৫হুমকির মুখে ১২০০ বিঘা আমন আবাদ, ঝুঁকিতে মাছ চাষ
- ৬পায়ে শিকল বাঁধা সেই নারী ফিরলেন স্বজনদের কাছে
- ৭কুড়িগ্রামের কাঁচকোলে ভাঙন মোকাবিলায় দিনরাত পাউবোর কাজ
- ৮জুলাইয়ের ১৮ দিনে এলো ১৮০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স
- ৯রেমিট্যান্স আহরণে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাইলফলক অর্জন
- ১০মোস্ট সাসটেইনেবল কোম্পানি অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ
- ১সিরাজগঞ্জে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
- ২কক্সবাজারে পরিবার পরিকল্পনা কমিটির মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
- ৩নির্মাণাধীন চাঁদপুর শহর সংরক্ষণ বাঁধের কাজ দৃশ্যমান
- ৪রবি আজিয়াটার বোর্ড সভা ২৮ জুলাই
- ৫প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্র-সমাজের যৌথ দায়িত্ব: ডিএসসিসি প্রশাসক
- ৬ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষণ মামলায় তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন
- ৭ইরানের হামলায় ২ মার্কিন সেনা নিহত, জবাবে ভয়াবহ হামলা যুক্তরাষ্ট্রের
- ৮যমুনা ব্যাংকের বোর্ড সভা ২২ জুলাই
- ৯১৫ বছরের ধ্বংসযজ্ঞ অল্প সময়ে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়, তবে কাজ শুরু হয়েছে
- ১০চিলমারীতে ফের তীররক্ষা বাঁধে ধস, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ





পাঠকের মতামত