
>> ৪৩ দিনে সরকার ঋণ নিয়েছে ১০৯৫৯ কোটি টাকা
>> কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ শোধ করেছে ২৫৩৬ কোটি টাকা
বাজেট ঘাটতি মেটাতে অর্থবছরের শুরুতেই ব্যাংক ঋণনির্ভরতা বেড়েছে সরকারের। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রথম দেড় মাসে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিবছর বাজেট ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক খাত থেকে ঋণ করে সরকার। এবার মহামরি করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য। যার কারণে সরকারের রাজস্ব আহরণ কমে গেছে। লক্ষ্য অনুয়ায়ী রাজস্ব পাচ্ছে না। ফলে বাজেটের বাড়তি ব্যয় মেটাতে অতিমাত্রায় ব্যাংক ঋণনির্ভরতায় ঝুঁকে পড়েছে সরকার।
নতুন ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি মেটাতে সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এক লাখ ৯ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে বলে পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে চলতি অর্থবছরে ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছে ৮৪ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা। আর অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ২০ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য ব্যাংকবহির্ভূত খাত থেকে ৫ হাজার কোটি টাকাসহ মোট ২৫ হাজার কোটি টাকা নেবে বলে জানিয়েছে সরকার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৪৩ দিনে সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ নিয়েছে ১০ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকা। আলোচিত সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকার কোনো ঋণ না নিয়ে উল্টো আগের নেওয়া ঋণের দুই হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা শোধ করেছে। এতে করে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ব্যাংকঋণ দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৪২২ কোটি টাকা।
চলতি বছরের ১২ আগস্ট পর্যন্ত সরকারের মোট ঋণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৪৬ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকা। গত অর্থবছর শেষে (৩০ জুন পর্যন্ত) যা ছিল এক লাখ ৩৫ হাজার ৭২০ কোটি টাকা।
এদিকে গত অর্থবছর শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে সরকারের মোট ঋণ ছিল ৪৪ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকা। চলতি বছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ না নিয়ে উল্টো শোধ করায় ১২ আগস্ট পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সরকারের মোট ঋণ দাঁড়িয়েছে ৪১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা।
এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষিত নতুন মুদ্রানীতিতে চলতি অর্থবছরের জন্য বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি আগের বছরের মতো অপরিবর্তিত রেখে ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও গত অর্থবছরে ঘোষিত মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গেল অর্থবছরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির ছিল ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম। এছাড়া চলতি অর্থবছরে সরকারের ঋণ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করা হয়েছে ৪৪ দশমিক ৪ শতাংশ।
- ১বাগেরহাটে একই পরিবারের তিনজনের গলিত মরদেহ উদ্ধার
- ২৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই: ডিবিপ্রধান
- ৩বিএটি বাংলাদেশের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাখাবের বেনিদজে
- ৪শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড ও কাউন্সিলর একরাম হত্যার বিচার শুরু হয়েছে
- ৫সাতক্ষীরার ব্লিস হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড, নিরাপদে সরানো হলো রোগীদের
- ৬প্রাণিজ ও কৃষিপণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহী মালয়েশিয়া
- ৭বাংলাদেশে খাদ্য, এআই ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব
- ৮ফার্মগেটে ‘রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ সভায় যোগ দিলেন তারেক রহমান
- ৯সরিষাবাড়ীতে নিরপরাধ কিশোরকে মারধর করে চোর বানিয়ে ভিডিও প্রচার
- ১০রাতে ন্যাশনাল ব্যাংকে ২৩ কোটি লেনদেন, ১৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে দুদকে তলব
- ১চাঁদপুরে জুলাই আন্দোলনের মামলায় ৩৭৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
- ২অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে: বিদ্যুৎ বিভাগ
- ৩প্রধানমন্ত্রী ভারত যাবেন কিনা সময়ই বলে দেবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ৪নবীনগরে দেড়শ বিঘায় নতুন সম্ভাবনার আউশ আবাদ
- ৫বেইলি ব্রিজ ধস, মতলব-দাউদকান্দি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ
- ৬বাংলা কিউআরের প্রসারে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ক্যাম্পেইন উদ্বোধন
- ৭রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএন উইমেনের সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ৮চাঁদপুর ট্রাফিক পুলিশের রেকর্ড পরিমাণ মামলা ও জরিমানা আদায়
- ৯গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ভুক্তভোগী পাবে ক্ষতিপূরণ
- ১০জুলাইয়ে রপ্তানি আয় কমে ৪.৭২ বিলিয়ন ডলার





পাঠকের মতামত