
সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলের উৎপাদন বন্ধ থাকলেও মরিচা ধরা যন্ত্রপাতি ও সম্পদ রক্ষায় প্রতি মাসে সরকারের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ লাখ টাকা। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা এই রাষ্ট্রীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানটির ১৮৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন ও বিদ্যুৎ বিলসহ অন্যান্য রক্ষণাবেক্ষণ খরচ মেটাতে এই বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে। একসময়ের লাভজনক মিলটি দফায় দফায় বন্ধ হওয়ায় এর ওপর নির্ভরশীল কয়েক হাজার শ্রমিক বর্তমানে কর্মহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
জানা যায়, সিরাজগঞ্জ পৌরসভার রায়পুর এলাকায় ১৯৬০ সালে ৭৫ একর জায়গার ওপর মিলটি নির্মাণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে এটি জাতীয়করণ করে জাতীয় জুট মিল নামকরণ করা হয়। একসময় এটি অত্যন্ত লাভজনক থাকলেও দুর্নীতি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে লোকসানে পড়ে ২০০৭ সালে প্রথমবার এর উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে ২০১১ সালে পুনরায় চালু হলেও সোমবার (১ জুন) ২০২০ সালে এটি দ্বিতীয় দফায় বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
সর্বশেষ ২০২২ সালে কুষ্টিয়ার রশিদ গ্রুপ মিলটি লিজ নিয়ে পুনরায় উৎপাদন শুরু করে। তবে মাত্র দুই বছরের মাথায় ২০২৪ সালে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও বোনাস বকেয়া রেখেই লিজ নেওয়া প্রতিষ্ঠানটি মিলটি আবার বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে মিলটির কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি অলস পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। বর্তমানে এসব সম্পদ দেখাশোনার জন্য নিয়োজিত ১৮৯ জন কর্মীর বেতন ও আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে।
মিলটি বন্ধ হওয়ায় পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছেন বহু শ্রমিক। সাবেক শ্রমিক রতন আলী জানান, মিল চালু থাকাকালীন সপ্তাহে তার ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা আয় হতো। বর্তমানে তিনি ঘটকালি ও সামান্য জমিতে কৃষিকাজ করে কষ্টে সংসার চালাচ্ছেন। আরেক শ্রমিক বেলাল হোসেন জানান, পরিবারের প্রধান আয়ের উৎস হারিয়ে তিনি এখন চরম সংকটে দিন পার করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, দলীয়করণ ও লুটপাটের কারণেই ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানটি বারবার বন্ধের মুখে পড়েছে। দ্রুত মিলটি পুনরায় চালুর মাধ্যমে শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের দাবি জানিয়েছেন তারা।
জাতীয় জুট মিলের মহাব্যবস্থাপক সাজ্জাদ হোসেন জানান, প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বন্ধ মিলটি পুনরায় চালু করতে বিজেএমসি থেকে লিজ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, বর্তমানে ১৮৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিয়মিত বেতন ও বিদ্যুৎ বিল বাবদ মাসে প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে। কোনো প্রতিষ্ঠান মিলটি লিজ নিলেই দ্রুত পুনরায় উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।
- ১মাদক সংশ্লিষ্টতার সঙ্গে পুলিশ জড়িত থাকলেও ছাড় নয়: ডিআইজি
- ২ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ৩স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন পরিচালক ডা. নুরুল ইসলাম
- ৪পোশাকশিল্পের বিকাশে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
- ৫পারিবারিক বিরোধের জেরে তায়েবাকে হত্যার অভিযোগ, ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
- ৬বন্যাকবলিত ৩ হাজার ৫০ পরিবারকে ত্রাণ দিল শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন
- ৭সাতক্ষীরায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা
- ৮‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতেই চলবে বৈদেশিক সম্পর্ক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ৯মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা শুরু
- ১০UCB Price Sensitive Information
- ১এক মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছে ৫০ হাজার কোটি
- ২ভরা মৌসুমে চাঁদপুরে মাছঘাটে প্রচুর পাঙ্গাস আমদানি
- ৩একনেক সভায় ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
- ৪এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার
- ৫মানিকগঞ্জে বেসরকারি হাসপাতালে অভিযান
- ৬শ্রীপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনে নিজ অর্থায়নে স্থানীয়দের ড্রেন নির্মাণ
- ৭সবার জন্য চালু হচ্ছে ‘ন্যাশনাল হেলথ কার্ড’: আইসিটিমন্ত্রী
- ৮আস্থাহীন পুঁজিবাজারে আস্থা ফেরাতে পারবে কি নতুন কমিশন?
- ৯অনলাইনে রিটার্ন দাখিল ৪৭ লাখ
- ১০স্থানীয় সরকার কার্যকর হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্তিশালী হবে





পাঠকের মতামত