
বাংলাদেশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পর দেশের সামনে যেমন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে, তেমনি বেড়েছে প্রতিযোগিতা, চ্যালেঞ্জ ও অর্থনৈতিক চাপও। বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধ, ডলার সংকট, মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থানের চাপ এবং শিল্পখাতে স্থবিরতার মতো বাস্তবতা এখন অর্থনীতিকে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করছে। এমন প্রেক্ষাপটে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্য কোনো কার্যকর বিকল্প নেই। আর বিনিয়োগ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত হলো একটি স্থিতিশীল, স্বচ্ছ ও দীর্ঘমেয়াদি কর কাঠামো।
বিশ্বের উন্নত ও উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, যেসব দেশ দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ আকর্ষণে সফল হয়েছে, তারা করনীতিকে কেবল রাজস্ব আদায়ের মাধ্যম হিসেবে নয়; বরং শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। বাংলাদেশেও এখন সময় এসেছে কর ব্যবস্থাকে সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে পুনর্বিন্যাস করার।
বর্তমানে বাংলাদেশের কর কাঠামো নিয়ে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সবচেয়ে বড় অভিযোগ হলো অনিশ্চয়তা ও জটিলতা। প্রায় প্রতি বছর বাজেটে করহার, ভ্যাট নীতি কিংবা আমদানি শুল্কে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। এতে উদ্যোক্তারা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে পারেন না। একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান যখন ১০ বা ১৫ বছরের পরিকল্পনা নিয়ে বিনিয়োগ করে, তখন তারা চায় নীতিগত স্থিতিশীলতা। কিন্তু যদি প্রতি অর্থবছরে করনীতি বদলে যায়, তাহলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থাহীনতা তৈরি হয়।
এ কারণেই বাংলাদেশে অন্তত ১০ বছরের একটি “দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় করনীতি” প্রণয়ন জরুরি। যেখানে শিল্প, কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, রপ্তানি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা খাতের জন্য কর কাঠামো পূর্বনির্ধারিত থাকবে। বিনিয়োগকারীরা যদি আগে থেকেই জানেন আগামী দশ বছরে করহার কীভাবে পরিবর্তিত হবে, তাহলে তারা ঝুঁকি মূল্যায়ন করে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
বিশেষ করে করপোরেট করহার ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার বিষয়টি এখন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রতিযোগিতা বাড়ছে। ভারত, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া কিংবা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো শিল্প বিনিয়োগে ব্যাপক কর সুবিধা দিচ্ছে। বাংলাদেশে এখনও অনেক খাতে কার্যকর করহার তুলনামূলক বেশি এবং কর প্রদানের প্রক্রিয়াও জটিল। ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রায়ই অন্য দেশে চলে যাচ্ছে।
করপোরেট করহার কমানো মানেই যে রাজস্ব কমে যাবে—এ ধারণা সবসময় সঠিক নয়। বরং করহার যৌক্তিক হলে করজাল সম্প্রসারিত হয়, নতুন বিনিয়োগ আসে, শিল্প উৎপাদন বাড়ে এবং দীর্ঘমেয়াদে সরকারের রাজস্বও বৃদ্ধি পায়। অর্থনীতির ভাষায় একে “ব্রডেনিং দ্য ট্যাক্স বেইস” বলা হয়। বাংলাদেশের জন্য এখন সেই বাস্তবমুখী কৌশল গ্রহণের সময় এসেছে।
একইসঙ্গে কর ব্যবস্থাকে আরও ডিজিটাল ও হয়রানিমুক্ত করতে হবে। বর্তমানে অনেক ব্যবসায়ী কর অফিসের জটিলতা, অতিরিক্ত কাগজপত্র এবং অনানুষ্ঠানিক চাপের কারণে নিরুৎসাহিত হন। কর প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি হবে না। অনলাইনভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ কর ব্যবস্থাপনা চালু করে রিটার্ন দাখিল, কর পরিশোধ ও নিরীক্ষা কার্যক্রমকে স্বয়ংক্রিয় করতে হবে। এতে একদিকে দুর্নীতি কমবে, অন্যদিকে করদাতার ভোগান্তিও হ্রাস পাবে।
বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আরেকটি বড় সমস্যা হলো একই খাতে বহুমাত্রিক কর ও ফি। একজন উদ্যোক্তাকে আয়কর, ভ্যাট, অগ্রিম কর, উৎসে কর, ট্রেড লাইসেন্স, স্থানীয় করসহ নানা ধরনের আর্থিক দায় বহন করতে হয়। ফলে ব্যবসার প্রকৃত ব্যয় অনেক বেড়ে যায়। দীর্ঘমেয়াদে এই বহুমাত্রিক কর ব্যবস্থা সরলীকরণ করা জরুরি। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য একটি সহজ “একক কর ব্যবস্থা” চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।
দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী শিল্পখাতে কর প্রণোদনা বাড়ানোও সময়ের দাবি। গার্মেন্টস শিল্প একসময় কর ও নীতিগত সুবিধা পেয়েছিল বলেই আজ দেশের রপ্তানির প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে। এখন একই ধরনের সুবিধা কৃষিভিত্তিক শিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, তথ্যপ্রযুক্তি, ওষুধ, চামড়া, হালকা প্রকৌশল এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দেওয়া প্রয়োজন।
বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি কর অবকাশ এখন অত্যন্ত জরুরি। বিশ্ব যখন সবুজ অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে, তখন বাংলাদেশেও সৌর প্যানেল, ব্যাটারি, ইনভার্টার ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশে কর কমিয়ে বিনিয়োগ উৎসাহিত করা উচিত। এতে একদিকে জ্বালানি আমদানি নির্ভরতা কমবে, অন্যদিকে নতুন শিল্প ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে “ট্যাক্স হলিডে” বা নির্দিষ্ট সময়ের কর অবকাশ আরও বাস্তবমুখী হওয়া দরকার। বর্তমানে কিছু খাতে কর অবকাশ থাকলেও এর নীতিমালা জটিল এবং বাস্তবায়ন ধীরগতির। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা দ্রুত সেবা, আইনি নিশ্চয়তা ও নীতির ধারাবাহিকতা চান। তাই কর সুবিধার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য “ওয়ান স্টপ সার্ভিস” কার্যকর করতে হবে।
কর সংস্কারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো উৎপাদনমুখী বিনিয়োগ ও জল্পনামূলক বিনিয়োগের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করা। বর্তমানে অনেক অর্থ শিল্পে না গিয়ে জমি, ফ্ল্যাট কিংবা অপ্রয়োজনীয় বিলাসী খাতে চলে যাচ্ছে। এর কারণ উৎপাদন খাতে ঝুঁকি বেশি এবং কর সুবিধা তুলনামূলক কম। অন্যদিকে অপ্রদর্শিত অর্থ নানা সুযোগে অপ্রয়োজনীয় খাতে বিনিয়োগের সুযোগ পাচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হলে উৎপাদন, রপ্তানি ও প্রযুক্তিভিত্তিক খাতে কর সুবিধা বাড়াতে হবে এবং অনুৎপাদনশীল খাতে কর কঠোর করতে হবে।
বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত এখনও দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় কম। কিন্তু এর সমাধান শুধুমাত্র বিদ্যমান করদাতাদের ওপর চাপ বাড়ানো নয়। বরং নতুন করদাতা তৈরি এবং অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতিকে কর ব্যবস্থার আওতায় আনা জরুরি। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সহজ ও স্বল্পহারের করব্যবস্থা চালু করলে তারা স্বেচ্ছায় করজালে আসতে উৎসাহিত হবেন।
এক্ষেত্রে আস্থার পরিবেশ গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। করদাতারা যদি মনে করেন তাদের দেওয়া অর্থ সুশাসন, অবকাঠামো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, তাহলে কর প্রদানে আগ্রহ বাড়বে। কিন্তু দুর্নীতি ও অপচয়ের কারণে জনগণের মধ্যে এক ধরনের অনাস্থা তৈরি হলে কর আদায় কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বাড়ানো সম্ভব নয়।
দীর্ঘমেয়াদি কর সংস্কারে গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। উন্নত দেশগুলো গবেষণা ব্যয়ে কর ছাড় দিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশেও যারা গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সফটওয়্যার বা উচ্চমূল্য সংযোজন শিল্পে বিনিয়োগ করবে, তাদের জন্য বিশেষ কর প্রণোদনা চালু করা প্রয়োজন। ভবিষ্যতের অর্থনীতি হবে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি; তাই করনীতিকেও সেই বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
একইভাবে রপ্তানিবান্ধব করনীতি এখন সময়ের দাবি। বাংলাদেশের রপ্তানি এখনও মূলত তৈরি পোশাক খাতনির্ভর। বহুমুখীকরণ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতি ঝুঁকির মধ্যে থাকবে। তাই নতুন রপ্তানি খাতগুলোকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কর ছাড়, নগদ সহায়তা ও আমদানি শুল্ক সুবিধা দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল, আইসিটি সেবা এবং ওষুধশিল্প আন্তর্জাতিক বাজারে বড় সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
কর প্রশাসনের মানবিক সংস্কারও অত্যন্ত জরুরি। ব্যবসায়ীদের অনেকেই অভিযোগ করেন, কর কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্পর্ক প্রায়শই ভীতিকর ও জটিল। এই মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। কর প্রশাসনকে “নিয়ন্ত্রক” নয়, বরং “সেবা প্রদানকারী” প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে। কর কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি আধুনিক কর সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, একটি দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ নির্ধারণে তিনটি বিষয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—নীতির স্থিতিশীলতা, আইনের শাসন এবং কর কাঠামোর স্বচ্ছতা। বাংলাদেশে উদ্যোক্তার অভাব নেই, সম্ভাবনারও ঘাটতি নেই। প্রয়োজন শুধু এমন একটি অর্থনৈতিক পরিবেশ, যেখানে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ ও লাভজনক ভবিষ্যৎ দেখতে পাবেন।
আজকের বিশ্বে পুঁজি অত্যন্ত গতিশীল। যেখানে নীতি সহায়ক, অবকাঠামো উন্নত এবং কর কাঠামো সহজ—সেখানেই বিনিয়োগ চলে যায়। বাংলাদেশ যদি সত্যিই মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নত অর্থনীতির পথে এগোতে চায়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগবান্ধব কর সংস্কার আর বিলম্ব করার সুযোগ নেই।
শুধু রাজস্ব বাড়ানোর মানসিকতা নিয়ে করনীতি প্রণয়ন করলে সাময়িক আয় বাড়তে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অপরদিকে একটি ভারসাম্যপূর্ণ, স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব কর কাঠামো দেশের অর্থনীতিকে নতুন গতি দিতে পারে। কর্মসংস্থান বাড়বে, রপ্তানি সম্প্রসারিত হবে, বৈদেশিক বিনিয়োগ আসবে এবং অর্থনীতি আরও শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়াবে।
বাংলাদেশের আগামী অর্থনৈতিক যাত্রাপথে তাই কর সংস্কারকে কেবল অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এটিকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের কেন্দ্রীয় উপাদান হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। কারণ টেকসই বিনিয়োগ ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়, আর বিনিয়োগবান্ধব কর কাঠামো ছাড়া টেকসই বিনিয়োগও কখনো গড়ে ওঠে না।
লেখক : মো. সহিদুল ইসলাম সুমন
অর্থনীতি বিশ্লেষক, কলামিস্ট ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক গবেষক।
E-mail: msislam.sumon@gmail.com
- ১চলতি অর্থবছরে ৫০ আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ
- ২এক মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছে ৫০ হাজার কোটি
- ৩আস্থাহীন পুঁজিবাজারে আস্থা ফেরাতে পারবে কি নতুন কমিশন?
- ৪সব পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর
- ৫সরকারের প্রতিজ্ঞা ভাঙ্গার কারণে সবকিছু হতাশায় পরিণত হয়েছে
- ৬নতুন বিনিয়োগ সৃষ্টি ও ব্যবসার সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার
- ৭নামজারিতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি: আব্দুল মান্নান
- ৮জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া : তথ্যমন্ত্রী
- ৯মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক
- ১০কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
- ১ভাইরাল ভিডিও সম্পর্কে যা বললেন এমপি গাজী নজরুল ইসলাম
- ২চাঁদপুরে নিজ বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে বাড়ির মালিকের মৃত্যু
- ৩শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষমতা ফিরল কমিটির হাতে
- ৪নবীনগরে সরকারি পুকুরপাড়ের লিজ নিয়ে বিতর্ক
- ৫পাথরঘাটায় তরুণী নিখোঁজ
- ৬ময়মনসিংহে ট্রাক চাপায় নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত
- ৭সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত মুজিবুরের পরিবারকে সরকারি সহায়তা
- ৮শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিসিএসের স্বপ্নে প্রিয়ন্তী
- ৯প্রবাসী কার্ডে মিলবে প্রায়োরিটি চেক-ইন ও বোর্ডিং সুবিধা
- ১০মোদীর বাসভবন ঘিরে বিক্ষোভ, পদত্যাগ দাবি





পাঠকের মতামত