
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় এতিমখানার জন্য সরকারি বরাদ্দের এক টন করে চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে উপজেলা প্রশাসন। এদিকে অভিযোগ উঠেছে, সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলার ২০টিরও বেশি এতিমখানায় গিয়ে অভিযুক্ত উপজেলা যুবদল নেতা মনির হোসেন মোল্লা ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা করে পৌঁছে দিয়েছেন এবং দায় স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।
এর আগে, উপজেলার ৪৬টি এতিমখানার জন্য বরাদ্দকৃত ৪৬ টন চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগ ছিল, এক টন চালের পরিবর্তে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে ৫০০ থেকে ৬০০ কেজি চাল অথবা ১৫ থেকে ১৭ হাজার টাকা দিয়ে বাকি চালের মূল্য আত্মসাৎ করা হয়েছে।
সংবাদ প্রকাশের পর ১৬ ও ১৭ জুলাই কয়েকটি এতিমখানা পরিদর্শন করে তাদের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই অতিরিক্ত ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা পেয়েছে। সংশ্লিষ্টরা দাবি করেন, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর অভিযুক্ত পক্ষ তাদের কাছে গিয়ে এই টাকা দেয়।
কয়েকটি এতিমখানা কর্তৃপক্ষ ভিডিও সাক্ষাৎকারে জানান, শুরুতে কোনো প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার, আবার কোনো প্রতিষ্ঠানকে ১৭ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এক টন চালের পরিবর্তে মাত্র ৫০০ থেকে ৬০০ কেজি চাল বা তার সমমূল্যের আংশিক অর্থ দিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়। পরে সংবাদ প্রকাশের পর বাকি অর্থ ফেরত দেওয়া শুরু হয় বলে তারা দাবি করেন।
এতিমখানা পরিচালকদের ভাষ্য, ভবিষ্যতে এতিমদের সরকারি বরাদ্দ নিয়ে যেন কোনো ধরনের অনিয়ম না হয়, সে জন্য তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উপজেলার সাড়ে পাঁচানী হোসাইনীয়া এতিমখানার সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি নুরুল আমীন মাস্টার বলেন, “এতিমদের স্বার্থে সংশ্লিষ্টদের কাছে বারবার অনুরোধ করেও কোনো ফল পাইনি। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত টাকা দেওয়া হয়েছে। এতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।”
কলাকান্দা ইউনিয়নের সাতানী নেদায়ে ইসলাম আশেকী মানঞ্জুর হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি বাহাউদ্দিন বলেন, প্রথমে এক টন চালের পরিবর্তে আমাকে ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল এবং জানানো হয়েছিল আর কিছু দেওয়া হবে না। পরে বৃহস্পতিবার আরও ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। এতে আমাদের এতিমদের অনেক উপকার হবে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা যুবদল নেতা মনির হোসেন মোল্লা বলেন, আমি এসব বিষয়ে কিছুই জানি না। অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
এ বিষয়ে চাল বিতরণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)-এর কাছে অভিযোগ, এতিমখানায় অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়া এবং প্রকল্প-সংক্রান্ত নথিপত্র বহিরাগত ব্যক্তির কাছে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসব বিষয়ে আমার কোনো তথ্য জানা নেই।
চাল বিতরণ কমিটির সভাপতি ও মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টিআর
- ১ফ্রান্সে ভয়াবহ দাবানল, সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে শত শত মানুষকে
- ২মাদকের টাকা না পেয়ে কোরআনে আগুন
- ৩প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা
- ৪যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সচেতনতায় এআইয়ের ব্যবহার নিয়ে আরএইচস্টেপের কর্মশালা
- ৫উজানের ঢলে তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই
- ৬প্রধানমন্ত্রীসহ তার বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের টার্গেট করে পেইড প্রচারণা চালাচ্ছে দেশী-বিদেশী চক্র
- ৭সিএসই-৩০ ইনডেক্সে নতুন ৪ কোম্পানি যুক্ত
- ৮ভরিতে ২৭৪১ টাকা বাড়ল সোনার দাম
- ৯স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ জুলাই
- ১০মিডল্যান্ড ব্যাংকের বোর্ড সভা ২৮ জুলাই
- ১ভাইরাল ভিডিও সম্পর্কে যা বললেন এমপি গাজী নজরুল ইসলাম
- ২চাঁদপুরে নিজ বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে বাড়ির মালিকের মৃত্যু
- ৩শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষমতা ফিরল কমিটির হাতে
- ৪নবীনগরে সরকারি পুকুরপাড়ের লিজ নিয়ে বিতর্ক
- ৫পাথরঘাটায় তরুণী নিখোঁজ
- ৬ময়মনসিংহে ট্রাক চাপায় নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত
- ৭কয়রায় চরম ঝুঁকি নিয়ে চলছে ৪ হাজার মানুষের চলাচল
- ৮শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিসিএসের স্বপ্নে প্রিয়ন্তী
- ৯প্রবাসী কার্ডে মিলবে প্রায়োরিটি চেক-ইন ও বোর্ডিং সুবিধা
- ১০মোদীর বাসভবন ঘিরে বিক্ষোভ, পদত্যাগ দাবি





পাঠকের মতামত