প্রকাশিত: আগস্ট ২৭, ২০২০ ৭:০০ এএম

আমেরিকার জনপ্রিয় ডিপার্টমেন্ট স্টোর সিয়ার্স ও জেসিপেনি নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করেছে। গত কয়েক মাসে তারা কয়েক ডজন বিক্রয়কেন্দ্রও তারা বন্ধ করেছে।

এই সুযোগটি হাতছাড়া করতে চায় না আমাজন। দুটি প্রতিষ্ঠানই নিজেদের আয়ত্তে নিয়ে আসতে চায় তারা।ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বরা হয়, আমাজন আমেরিকার বৃহত্তম মলের মালিক সাইমন প্রোপার্টি গ্রুপের সঙ্গে আলোচনায় বসছে। একই সঙ্গে তারা বন্ধ সিয়ার্স ও জেসিপেনির বিক্রয়কেন্দ্রগুলোও নিজেদের আয়ত্তে আনতে চায়।

তারা এসব বিক্রয়কেন্দ্রগুলোকে ওয়্যারহাউস হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে, যাতে তারা সহজেই নিজেদের পণ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারে।করোনার এই সময়ে আমাজনের গ্রাহক চাহিদা প্রতিদিন বাড়ছে। ফলে গ্রাহকের কাছে পণ্য পৌঁছে দিতে আগের চেয়ে বেশি সময় লাগছে। আগে যেখানে গ্রাহকের দরজায় পণ্য পৌঁছে দিতে তাদের দু দিন বা তার চেয়ে কম সময় লাগত, এখন সেখানে এক সপ্তাহ বা তার চেয়ে বেশি সময় লাগছে।

এ অবস্থায় গ্রাহকের চাহিদা মেটাতে আমাজন আমেরিকার বিভিন্ন স্থানে নতুন নতুন গুদাম তৈরির পাশাপাশি পুরোনো দোকান ও মল কিনতে শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় তারা সিয়ার্স ও জেসিপেনির বিষয়ে মনোযোগী হয়ে উঠেছে।

জেসিপেনি গত জুনে ঘোষণা দিয়েছিল যে, এই গ্রীষ্মে ১৫৪টি স্টোর তারা বন্ধ করবে। তার আগে গত নভেম্বরে সিয়ার্স তাদের ৯৯টি স্টোর বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল। আমাজন এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চায় না।

শেয়ার

পাঠকের মতামত

ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

ব্রিটেনের বাকিংহাম প্যালেসে রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাতের পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ ...

রণক্ষেত্র দিল্লি: ভারতের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে বড় আন্দোলনের’ ডাক সিজেপির

দিল্লির যন্তর মন্তর এখন জনসমুদ্র। রূপ নিয়েছে ক্ষোভের আগ্নেয়গিরিতে। অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক ও ককরোচ জনতা ...