বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
প্রকাশিত: নভেম্বর ৯, ২০২৫ ১০:৫৫ এএম

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। এ সময় অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি সংগ্রহ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং ইসলামী ব্যাংকের পক্ষ থেকে অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিএইচআরও ড. মো. কামাল উদ্দিন জসিম স্বাক্ষর করেন। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তত একশোটি স্কলারশিপ ও একশোটি কম্পিউটার প্রদানের দাবি জানান এবং সহায়তার আশ্বাস দেন।

শনিবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব যশোর জোন মো. শফিউল আজম এবং প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান, আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. শাহজাহান আলী, আইআইইআর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় ড. মো. কামাল উদ্দিন জসিম বলেন, আজকের সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে এই দুই প্রতিষ্ঠানের বন্ধন যুগ যুগ ধরে টিকে থাকবে এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। অনলাইন পেমেন্ট কার্যক্রম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় আরও এগিয়ে যাবে এবং এ কাজগুলো ছাড়াও বিভিন্ন মাল্টিডাইমেনশনাল অ্যাসপেক্টগুলোকে এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে আমি যেদিন নিযুক্ত হলাম, সেদিন থেকে ছাত্র সংগঠনগুলোর একটি দাবি ছিল—শিক্ষার্থীরা যেন অনলাইন পেমেন্ট করতে পারে, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে করে দেওয়া। আজকের দিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ঐতিহাসিক দিন। আমরা ছাত্রদের সবচেয়ে অগ্রগণ্য দাবির বাস্তবায়ন দেখতে পাচ্ছি। এজন্য ইসলামী ব্যাংক এগিয়ে এসেছে এবং সহযোগিতা করেছে, এজন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

উপাচার্য আরও বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর ছাত্রদের জন্য বড় একটি কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছি। এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রত্যন্ত অঞ্চলে হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমি দাবি করছি, অন্তত একশোটি স্কলারশিপ এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দেওয়ার জন্য। এছাড়াও অনেক সেমিনার, লাইব্রেরি ও ল্যাবরেটরির উপকরণের স্বল্পতা রয়েছে। আমরা চাইব কমপক্ষে একশোটি কম্পিউটারের সহায়তা যেন তারা প্রদান করে। আইসিটি সেলকে বলব দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে যেন শিক্ষার্থীরা এই সুবিধা ভোগ করতে পারে।

শেয়ার

পাঠকের মতামত

জিয়াউল আহসানের বাড়িতে দুদকের অভিযান শেষ, মালামাল জব্দ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানের ‌‘জয়িতা’ নামের আটতলা বাড়িতে অভিযান ...

টানা বৃষ্টিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সবজির বাজারে অস্থিরতা

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল ও মৎস্যভান্ডার হিসেবে খ্যাত বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন সংলগ্ন বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জসহ বিভিন্ন ...

৯৯৯-এ ফোনে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১০ শিক্ষার্থী উদ্ধার

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভিতর হামহাম জলপ্রপাতে আটকে পড়া ১০ জন পর্যটককে কমলগঞ্জ ...