

- মে মাসের ২০ দিনে এসেছিল ৪৬০ মিলিয়ন ডলার
- জুনের ২০ দিনে এসেছে ২৪৭ মিলিয়ন ডলার
>> গ্রাহকদের আস্থা ফেরাতে সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে: জহির হোসেন, ইসলামী ব্যাংকের বোর্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত
>> জুন শেষে ভাল কিছু দেখতে পাবেন: আলতাফ হোসেন, ভারপ্রাপ্ত এমডি, ইসলামী ব্যাংক
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির সাবেক এমডি ওমর ফারুক খানকে হঠাৎ পদ থেকে সরিয়ে দেয়া এবং চেয়ারম্যান ড. জুবাইদুর রহমানকে সরিয়ে দিয়ে ৫ আগস্টের পর কর্মকর্তাদের দাবির মুখে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরের পদ থেকে সরে দাড়ানো খুরশীদ আলমকে চেয়ারম্যান করাকে কেন্দ্র করে গ্রাহকদের মধ্যে যে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে সেটার বড় প্রভাব পড়েছে ব্যাংকটির প্রবাসী আয়েও। যদিও গ্রাহকদের আন্দোলনের মুখে কেন্দ্রীয় ব্যাংক খুরশীদ আলমকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে, কিন্তু গ্রাহকদের আস্থাহীনতা এখনো দূর হয়নি। যার ফলে চলতি জুন মাসে ইসলামী ব্যাংকের প্রবাসী আয় আসা কমে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এর আগে প্রতি মাসেই প্রবাসী আয় আসার দিক থেকে শীর্ষ অবস্থানে ছিল ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির বোর্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন বাণিজ্য প্রতিদিনকে বলেন, গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। গ্রাহকদের আস্থা ফিরছে। তারা টাকা রাখতেছে। দিন দিন আরও উন্নতি হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি বছরের মে মাসের প্রথম ২০ দিনে দেশের শীর্ষ বাণিজ্যিক ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছিল ৪৬০ মিলিয়ন ডলার। আর পরের মাস জুনের ২০ দিনে ব্যাংকটির মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ২৪৭ মিলিয়ন ডলার। সেই হিসাবে মে মাসের ২০ দিনের তুলনায় জুন মাসের ২০ দিনে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় কম এসেছে ২১৩ মিলিয়ন ডলার।
এর মাধ্যমে প্রবাসী আয় আসার দিক থেকে সব সময় শীর্ষ অবস্থানে থাকা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি তৃতীয় অবস্থানে চলে গেছে।
এদিকে চলতি জুন মাসে প্রবাসী আয় আসার দিক থেকে শীর্ষ অবস্থানে চলে গেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। জুন মাসের ২০ দিনে ব্যাংকটির মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ৩৩৫ মিলিয়ন ডলার।
আর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক। চলতি জুন মাসের ২০ দিনে ব্যাংকটির মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ২৫৪ মিলিয়ন ডলার।
এছাড়া, আগের মে মাসেও প্রবাসী আয় আসার দিক থেকে শীর্ষ অবস্থানে ছিল ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের মে মাসে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছিল ৫৯২ মিলিয়ন ডলার। আর দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। এটার মাধ্যমে মে মাসে প্রবাসী আয় এসেছিল ৪৬৭ মিলিয়ন ডলার। আর মে মাসে প্রবাসী আয় আসার দিক থেকে তৃতীয় অবস্থানে ছিল রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক। এটার মাধ্যমে মে মাসে প্রবাসী আয় এসেছিল ২৪২ মিলিয়ন ডলার।
এ বিষয়ে কথা বললে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলতাফ হোসেন বাণিজ্য প্রতিদিনকে বলেন খুব শিগগিরই সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে। জুন শেষে আপনারা ভাল কিছু দেখতে পাবেন।
উল্লেখ্য, গত ২৪ মে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় কর্মকর্তাদের দাবির মুখে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরের পদ থেকে সরে দাড়ানো খুরশীদ আলমকে। এরপর থেকেই গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে কিছু গ্রাহকরা তাঁর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। একইসঙ্গে দেশের বিভিন্ন শাখায়ও একই ব্যানারে গ্রাহকরা আন্দোলনে অংশ নেন।
পরবর্তী দুই সপ্তাহ ধরে আন্দোলন চলতে থাকে। একই সময়ে গ্রাহকেরা সারা দেশের বিভিন্ন শাখা থেকে তাদের আমানত তুলে নিতে থাকেন। এতে ব্যাংকটি থেকে প্রায় ৮,০০০ কোটি টাকা আমানত তুলে নেওয়া হয়। অন্যদিকে ব্যাংকটির সিআরআর ইতিবাচক অবস্থা থেকে নেতিবাচক পর্যায়ে চলে যায়।
এ পরিস্থিতিতে ব্যাংকটির তারল্য সংকট দেখা দিলে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০,০০০ কোটি টাকা সহায়তা চায়। পরবর্তীতে সংকট বাড়তে থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের নিয়োগ দেওয়া চেয়ারম্যানকে অপসারণ করে। এক সদস্যবিশিষ্ট পর্ষদের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নতুন করে মোহাম্মদ জহির হোসেন-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগের প্রধান বলেন, ইসলামী ব্যাংকের প্রবাসী আয় আসার গতি কমে যাওয়ার কারণে ডলার বাজারেও কিছুটা প্রভাব পড়েছে। বিদেশি অ্যাগ্রিগেটররা এখন কিছুটা বেশি রেট চাচ্ছে। গত সপ্তাহে প্রতি ডলারের দর ছিল ১২৩ টাকা, যা এ সপ্তাহে বেড়ে অনেক ব্যাংকে ১২৩ টাকা ২০ পয়সা পর্যন্ত হয়েছে।
কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইসলামী ব্যাংক তাদের অর্জিত ডলারের প্রায় ৮০ শতাংশ বাজারে বিক্রি করে দেয়। তবে জুন মাসে রেমিট্যান্স কম আসায় বিক্রির পরিমাণও কমেছে। ফলে ডলার বাজারে এক ধরনের প্রভাব পড়েছে।
এএ
- ১প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে অনুকূল পরিবেশ চায় ঢাকা
- ২মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হলে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধ করতে হবে: এমপি মানিক
- ৩ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৫৫ কোটি টাকার
- ৪দর বৃদ্ধির শীর্ষে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স
- ৫অটো নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজি কঠোরভাবে দমনের চেষ্টা চলছে
- ৬দর পতনের শীর্ষে ফার কেমিক্যাল
- ৭আইডিআরএ’র সদস্য হলেন সিরাজুল ইসলাম
- ৮লেনদেনের শীর্ষে মালেক স্পিনিং
- ৯যে কোনো ফরম্যাটে এটাই সবচেয়ে বড় জয় : শান্ত
- ১০উত্থানে শুরু পতনে শেষ
- ১কমোডিটি এক্সচেঞ্জের কার্যক্রম ও সম্ভাবনা নিয়ে সিএসইর সেমিনার
- ২আজ কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- ৩পেশাগত দক্ষতা ও গবেষণা উন্নয়নে যবিপ্রবির সঙ্গে তিন প্রতিষ্ঠানের চুক্তি
- ৪রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাই আজ
- ৫নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে : প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব
- ৬প্রযুক্তিনির্ভর কৃষির চালিকাশক্তি হবে তরুণরা
- ৭কাঁটাময় শরীরে কোমল ফুল, শ্রীমঙ্গলে নতুন বিস্ময় ‘ক্যাকটাস’
- ৮জনগণের ভাগ্যের উন্নয়নই সরকারের মূল লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী
- ৯রাঙ্গামাটিতে পিকআপ উল্টে নিহত ৪
- ১০শেখ হাসিনাসহ ৪১ আসামির বিরুদ্ধে শুনানি ৩ সেপ্টেম্বর





পাঠকের মতামত