প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১ ১২:৪৯ পিএম

ই-কমার্স সূচকে অবনতি হয়েছে বাংলাদেশের। এক-দুই নয়, একবারে ১২ ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশের এখন র্যাঙ্ক ১১৫। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থার (ইউএনসিটিএডি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংস্থাটি বি টু সি (ক্রেতার কাছে সরাসরি বিক্রয়) ই-কমার্স সূচক ২০২০-এর তালিকা প্রকাশ করে।

এতে দেখা যায়, ২০১৯ সালে বাংলাদেশের র্যাঙ্কিং ছিল ১০৩। সেখানে মহামারির বছর ২০২০ সালে এসে হয়েছে ১১৫। সূচক হয়েছে ৩৩ দশমিক ৩ পয়েন্ট। ২০১৯ সালের তুলনায় কমেছে ৫ দশমিক ৮ পয়েন্ট।

এদিকে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত ই-কমার্স র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়েছে। ২০২০ সালে তালিকার ৭১ নম্বরে উঠে এসেছে দেশটি। ২০১৯ সালে তারা ৭৫ নম্বরে ছিল।

এছাড়া ই-কমার্স র্যাঙ্কে বাংলাদেশের পেছনে রয়েছে পাকিস্তান। ২০২০ সালে দেশটির র্যাঙ্ক হয়েছে ১১৫। ২০১৯ সালে র্যাঙ্ক ছিল ১১৪।

অপরদিকে ই-কমার্স র্যাঙ্কিংয়ে ১ নম্বরে রয়েছে সুইজারল্যান্ড, ২ নম্বরে নেদারল্যান্ড, ৩-এ ডেনমার্ক, ৪-এ সিঙ্গাপুর এবং ৫ নম্বরে যুক্তরাজ্য।

ইউএনসিটিএডি’র প্রতিবেদনে বলা হয়, উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে যেখানে অর্ধেক মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করেন, সেখানে নিম্ন আয়ের দেশগুলোর মানুষের অনলাইনে কেনাকাটা বা লেনদেনের প্রবণতা কম।

মোট চারটি উপসূচকের উপর ভিত্তি করে এই সূচক প্রণয়ন করা হয়। সেগুলো হলো- জনসংখ্যার কত অংশ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে, ই-কমার্স সাইটে কতজনের অ্যাকাউন্ট রয়েছে, ইন্টারনেট সার্ভারের নির্ভরযোগ্যতা, সরবরাহের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্যতা।

শেয়ার

পাঠকের মতামত

এফবিসিসিআইয়ের নতুন প্রশাসককে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের শুভেচ্ছা

বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর নবনিযুক্ত প্রশাসক ...

রপ্তানি খাতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অপরিসীম: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশের রপ্তানি খাতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অপরিসীম বলে উল্লেখ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। সোমবার ...

চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ হবে: অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় গড়ে ওঠা চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে (সিইআইজেড) শেষ পর্যন্ত এক বিলিয়ন মার্কিন ...