
রামকৃষ্ণদেব বলে গেছেন, ‘টাকা মাটি, মাটি টাকা’। এবার তার সেই বাণীকে বিকৃত করার অভিযোগ উঠলো পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা এবং নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে রিপাবলিক বাংলার ক্লিপ পোস্ট করেছেন তিনি। তাতে মমতাকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের কাছ থেকে আমরা শিখেছিলাম, যত মাটি, তত টাকা।’
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মমতাকে আক্রমণ করেন শুভেন্দু। পোস্টে বিরোধী দলনেতা লেখেন, ‘টাকা মাটি, মাটি টাকা – শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের এই চির প্রাসঙ্গিক বাণীকেও বিকৃত করতে ছাড়ছেন না মাননীয়া! বলছেন কিনা – যত মাটি, তত টাকা! অবশ্য বালি, চোর, অবৈধ নির্মাণের মদতকারী, জমি হাঙরদের থেকে এর চেয়ে বেশি কি আর আশা করা যায়। বাংলার মূর্খমন্ত্রী থুড়ি মুখ্যমন্ত্রী।’
এর আগে নির্বাচনের সময় তৃণমূলের বিরুদ্ধে কথা বলার অভিযোগ করে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের কার্তিক মহারাজকে বিঁধেছিলেন মমতা। সেই সঙ্গে রামকৃষ্ণ মিশনকেও ‘কাঠগড়ায়’ তুলেছিলেন। পরে অবশ্য সুর নরম করেন মমতা। তবে ১৮ মে তার ভাষণ ঘিরে সমালোচনার ঢেউ ওঠে।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সব সাধু এক হন না। সব স্বজন সমান হয় না। আমাদের মধ্যেও কি আমরা সবাই সমান? এই যে বহরমপুরের একজন মহারাজ আছেন। আমি শুনেছি অনেক দিন ধরে… কার্তিক মহারাজ। ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘকে আমি খুব শ্রদ্ধা করতাম। আমার শ্রদ্ধার তালিকায় তারা দীর্ঘদিন ধরেই আছেন। কিন্তু যে লোকটা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্ট বসতে দেব না। সেই লোকটাকে আমি সাধু বলে মনে করি না। কারণ, তিনি সরাসরি রাজনীতি করে দেশটার সর্বনাশ করছেন।’
মমতা আরও বলেন, ‘কে কে এসব করছেন, আমি তাদের চিহ্নিত করছি। আমি রামকৃষ্ণ মিশকে কোন সাহায্যটা করিনি। সিপিএম যখন খাবার বন্ধ করে দিয়েছিল, তখন সমর্থন করেছিলাম আপনাদের। সিপিএম তখন আপনাদের কাজ করতে দেয়নি। আসানসোলে রামকৃষ্ণ মিশন আছে। সেখানে দিল্লি থেকে নির্দেশ আসে। বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য বলা হয়।
তার প্রশ্ন, কেন সাধুরা এই কাজ করবেন? রামকৃষ্ণ মিশনকে সবাই সম্মান করে। ওদের যারা সদস্য হয়, দীক্ষা নেয়, তারা আছেন। তাদের আমি ভালোবাসতে পারি। আমি দীক্ষা নিতে পারি। কিন্তু রামকৃষ্ণ মিশন ভোট দেয় না কোনও দিনও। এটা আমি জানি। তাহলে অন্যকে কেন ভোট দিতে বলব? মনে রাখবেন, স্বামী বিবেকানন্দের বাড়িটাই থাকত না, আপনাদের এই মেয়েটা যদি না থাকত।’
মমতার এই ভাষণ নিয়ে বেশ বিতর্ক হয় বাংলায়। সম্প্রতি কলকাতার রাস্তায় নেমে সাধুরা প্রতিবাদ মিছিলও করেন।
- ১এক বছরের মধ্যে জুলাই গণহত্যার তদন্ত শেষের আশা চিফ প্রসিকিউটরের
- ২সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী
- ৩বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চট্টগ্রামে এনসিপির শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার
- ৪আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের সাথে হজ এজেন্সি প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা
- ৫পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর
- ৬রাষ্ট্রপতি চাইলে পদত্যাগ করতে পারবেন, সংবিধানে সেই সুযোগ আছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ৭বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ
- ৮পেঁয়াজ আমদানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হবে : কৃষিমন্ত্রী
- ৯ব্লক মার্কেটে লেনদেন ২২ কোটি টাকার
- ১০কেশবপুরে তিনদিনব্যাপী ফল মেলা’র উদ্বোধন
- ১লোকসানী শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারদর এক মাসে বেড়েছে ৬৮ শতাংশ
- ২‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতেই চলবে বৈদেশিক সম্পর্ক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ৩পারিবারিক বিরোধের জেরে তায়েবাকে হত্যার অভিযোগ, ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
- ৪মাদক সংশ্লিষ্টতার সঙ্গে পুলিশ জড়িত থাকলেও ছাড় নয়: ডিআইজি
- ৫কানাডা থেকে ৪০ হাজার টন এমওপি সার কিনবে সরকার
- ৬মানিকগঞ্জে বেসরকারি হাসপাতালে অভিযান
- ৭ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ৮UCB Price Sensitive Information
- ৯চকরিয়ায় ২০ প্যাকেট ইয়াবাসহ মাদককারবারী আটক
- ১০স্থানীয় সরকার কার্যকর হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্তিশালী হবে





পাঠকের মতামত