
এসএমই খাতের উপর অনেক দেশের বড় ইন্ডাস্ট্রি নির্ভরশীল বলে মন্তব্য করেছেন ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর।
তিনি বলেন, এসএমই ফাইন্যান্সের মাধ্যমেই শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। এখন যারা ছোট প্রতিষ্ঠান তারাই এক সময় বড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। বাংলাদেশে অনেক বড় প্রতিষ্ঠান ছোট থেকেই শুরু হয়েছিলো।
মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড ও পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সব সময় যে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো টিকে থাকবে তা নয়, বড়রা এক সময় হারিয়ে যাবে। সেই জায়গা দখল করবে ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো।
ছোট ছোট এসএমই প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাব-কন্ট্রাকের মাধ্যমে টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব বড় প্রতিষ্ঠানের বলেও মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে ভ্যালু সিস্টেমের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে।
আহসান এইচ মনসুর বলেন, বাংলাদেশে কৃষির পরই এসএমই খাতের অবস্থান। কিন্তু এই খাতের উদ্যোক্তারা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন না। ৯২ শতাংশ উদ্যোগ শুরু হয়েছে নিজের বা পরিবারের অর্থে। মাত্র ১-১.৫ শতাংশ উদ্যোগ প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ নিয়ে শুরু হয়েছে। তাই এই খাতটি নিয়ে সরকার ও সংশ্লিষ্টজনদের চিন্তা করা উচিত।
এই গবেষক বলেন, এসএমই খাতে জব ক্রিয়েশন ভালো। আর এটা আমাদের দেশের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই জব ক্রিয়েশন করতে হলে এসএমই খাতকে দেখতে হবে।
কোভিডের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান ঝরে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই কঠিন মুহূর্তে এসব প্রতিষ্ঠানের পাশে দাঁড়াতে হবে। তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করে টিকিয়ে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। না হলে সঙ্কট বাড়বেই।
তিনি বলেন, এই মুহুর্তে ব্র্যাক ব্যাংক ৫১ শতাংশ ঋণ দিচ্ছে ক্ষুদ্র ও মাঝি খাতের উদ্যোক্তাদের। এই খাতে আমাদের ৬০ শতাংশ ঋণ দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। বড় উদ্যোক্তাদের চেয়ে ছোট উদ্যোক্তারা কম ঋণ খেলাপি কম বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আরিফ খান।
সেমিনারে আইডিএলসি ও পিআরআই পরিচালিত একটি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।
গবেষণাটি পরিচালনা করেন ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর ও অধ্যাপক বজলুর রশিদ খন্দকার।
গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক বজলুর রশিদ খন্দকার।
এতে দেখানো হয়, ২০১৯ সালে আইডিএলসি থেকে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়েছেন প্রায় ১৪ হাজার মানুষ। এরমধ্যে ৩০ শতাংশ মাইক্রো ও ৭০ শতাংশ স্মল। এখান থেকে ঋণ নিয়ে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান অন্তত ১৬ জনের কর্ম সংস্থান করেছে বলেও গবেষণায় উঠে আসে।
সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন সায়েমা হক বিদিশা।
- ১জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে চাঁদপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল
- ২১০ জেলায় বন্যার আশঙ্কা
- ৩আমরা যেন জুলাইকে হারিয়ে না ফেলি : রাষ্ট্রপতি
- ৪জুলাইয়ের চেতনায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার অব্যাহত থাকবে: আনসার ডিজি
- ৫জুলাইয়ে পুঁজিবাজারে বিও হিসাব কমেছে প্রায় ২৩ হাজার
- ৬‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি বাস্তবায়নের পথে বহুমুখী চ্যালেঞ্জ রয়েছে
- ৭জুলাইয়ে বাংলা কিউআরে পেমেন্ট ছাড়াল ১২৫০ কোটি টাকা
- ৮জুলাই শহীদদের নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
- ৯তারেক রহমানের নেতৃত্বেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছিল : শামীম
- ১০মোড়লগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত
- ১শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির চিরন্তন অনুপ্রেরণা: ইউএনও রোমানা আফরোজ
- ২কুবিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে ‘দায়সারা’ আয়োজনের অভিযোগ
- ৩জুলাইয়ের ডকুমেন্টারি ঘিরে রাষ্ট্রপতির সামনেই হট্টগোল
- ৪যমুনায় গোসলে নেমে নিখোঁজ দুই স্কুলছাত্রের একজনের মরদেহ উদ্ধার
- ৫কয়রায় দুঃস্থ ও অসহায়দের মাঝে ব্যাটারিচালিত ভ্যান বিতরণ
- ৬কুষ্টিয়ায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা
- ৭ময়মনসিংহে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন
- ৮যে ডকুমেন্টারিতে আবু সাঈদের ছবি নেই, সেটা কোনো ডকুমেন্টারি নয়
- ৯লোহিত সাগরে হামলায় ভারতীয় কার্গো জাহাজ ডুবি
- ১০‘আরেকটি বিপ্লব আসন্ন’, দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের





পাঠকের মতামত