
মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে শিল্প ঋণে ধাক্কা লেগেছে! করোনাকালে কমে গেছে ব্যবসা-বাণিজ্য। নানা অনিশ্চয়তায় নতুন বিনিয়োগের ঝুঁকি নিতে চাইছেন না উদ্যোক্তারা। তাই কমেছে ঋণের চাহিদা। যে কারণে শিল্প খাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ বিতরণ কমে গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, গত বছর এ খাতে মোট তিন লাখ ৬১ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ হয়েছে। ২০১৯ সালে বিতরণের পরিমাণ ছিল চার লাখ ২৫ হাজার ৮২ কোটি টাকা। এ হিসাবে এক বছরে বিতরণ কমেছে ৬৩ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা বা ১৫ শতাংশ।
পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, গত বছর মার্চে দেশে করোনার সংক্রমণ ও প্রাদুর্ভাবের সময়ের শুরুর দিকে শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ যে হারে কমেছিল, শেষ দিকে সরকারের বিশেষ প্রণোদনার ঋণ প্রবাহ বাড়ায় সার্বিক পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
করোনা মোকাবিলা ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সিএমএসএমই, শিল্প ও সেবাসহ বিভিন্ন খাতে গত বছরের ২৫ মার্চ পাঁচ হাজার কোটি, ৫ এপ্রিল ৬৭ হাজার ৭৫০ কোটি এবং পরে আরও ২৩টি প্যাকেজে মোট ১ লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে সরকার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিকে ব্যাংকগুলো এক লাখ ৫৩৪ কোটি টাকার শিল্প ঋণ বিতরণ করেছে। আগের বছর একই প্রান্তিকে যার পরিমাণ ছিল এক লাখ ১১ হাজার ৬২৩ কোটি টাকা। ওই হিসাবে ডিসেম্বর প্রান্তিকে আগের বছরের তুলনায় শিল্প ঋণ বিতরণ কমেছে ১১ হাজার ৮৯ কোটি টাকা বা ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
গেল বছর জুন ও সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে শিল্প ঋণ বিতরণের হার আরও কম ছিল। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ঋণ বিতরণের পরিমাণ গত সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ১২ দশমিক ৮৬ শতাংশ কমে ৯৪ হাজার ৮৫০ কোটি টাকায় নামে। জুন প্রান্তিকে ৩৫ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ৭৪ হাজার ২৫৭ কোটি টাকায় নামে। তবে করোনার প্রভাব শুরুর আগে মার্চ প্রান্তিকে ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেড়ে ৯১ হাজার ৬৬২ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ হয়।
২০২০ সালে শিল্প খাতে বিতরণের পাশাপাশি ঋণ আদায় ৮ দশমিক ৯২ শতাংশ কমে তিন লাখ ১৯ হাজার ২৭৪ কোটি টাকায় নেমেছে। আগের বছর যেখানে আদায় ছিল তিন লাখ ৫০ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা। মূলত করোনাভাইরাসের প্রভাব শুরুর পর গত জুন ও সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ব্যাপকভাবে আদায় কমে যাওয়ার প্রভাবে এমন হয়েছে। তবে গত ডিসেম্বর প্রান্তিকে আদায় ৩ দশমিক ৬২ শতাংশ বেড়েছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিকে ৯২ হাজার ৭১৭ কোটি টাকার ঋণ আদায় হয়। আগের বছরের একই সময়ে আদায়ের পরিমাণ ছিল ৮৯ হাজার ৪২৭ কোটি টাকা।
সব মিলিয়ে ২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে শিল্প খাতে ব্যাংকগুলোর বকেয়া স্থিতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৭২ হাজার ৩৫২ কোটি টাকায়। আগের বছর শেষে যার পরিমাণ ছিল পাঁচ লাখ ৪৭ হাজার ৪১০ কোটি টাকা। ফলে বকেয়া স্থিতি বেড়েছে ৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ।
বকেয়া স্থিতি এ হারে বাড়লেও শিল্প খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ মাত্র শূন্য দশমিক ৬৪ শতাংশ বেড়ে ৪৫ হাজার ৪১৫ কোটি টাকা হয়েছে। ২০১৯ সাল শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৪৫ হাজার ১২৭ কোটি টাকা। মূলত ২০২০ সালে কেউ ঋণ পরিশোধ না করলেও খেলাপি হবে না- এমন সুবিধার কারণে বকেয়া অনেক বাড়লেও খেলাপি ঋণ সেভাবে বাড়েনি।
- ১দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশে চট্টগ্রামের কাঞ্চন পেয়ারা
- ২রৌমারীতে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
- ৩শ্রীপুরে কৃষকের বাড়ীতে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুট
- ৪চাঁদপুরে ফুটবল মাঠ উদ্বোধন করলেন শেখ ফরিদ আহম্মেদ
- ৫বগুড়া-সিলেটের মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের শোক
- ৬ডিএমপির অভিযানে রাজধানীতে ৪১৪ জন গ্রেফতার
- ৭চাঁদপুরে একযোগে বদলি ৩১ ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা
- ৮শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের নাম করে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছেন: ফখরুল
- ৯কফি রফতানি বেড়েছে ভিয়েতনামের
- ১০ভরিতে ৩২৬৬ টাকা কমলো সোনার দাম
- ১দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আগ্রহী আনিসুর রহমান
- ২বিতর্কিত সনদে রূপালী লাইফের মুখ্য নির্বাহী গোলাম কিবরিয়া
- ৩‘৩৬ জুলাই’ উপলক্ষে ৩৬ টাকায় মিলছে টেলিটকের ‘জেন-জেড’ সিম
- ৪প্রশাসনে বদলি-পদায়নে এআই ব্যবহারের নির্দেশ
- ৫জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স শেষপর্বের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬০.৯৭ শতাংশ
- ৬বিটিভির মহাপরিচালক হলেন কাজী জেসিন
- ৭এআই-এর কারণে উন্নত দেশগুলোতে চাকরি হারানোর ঝুঁকি তিন গুণ বেশি
- ৮ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিজ্ঞান ও ধর্মীয় মূল্যবোধ কাজে লাগাতে হবে
- ৯দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে নরসিংদীতে ১১ দলীয় জোটের স্মারকলিপি প্রদান
- ১০তনু হত্যা: সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ





পাঠকের মতামত