
ভারত আগামী শস্য উৎপাদন মৌসুমে (২০২৪-২৫) চাল উৎপাদনে রেকর্ড গড়তে পারে। এ সময় পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় উৎপাদন বাড়তে পারে ধারণা করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। খবর এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল।
সূত্রের দেয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২৪-২৫ উৎপাদন মৌসুমে (জুলাই-জুন) ভারতে ১৩ কোটি ৫৫ লাখ থেকে ১৩ কোটি ৮০ লাখ টন পর্যন্ত চাল উৎপাদন হতে পারে। এর আগে দেশটি ২০২২-২৩ উৎপাদন মৌসুমে চাল উৎপাদনে রেকর্ড গড়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগও আগামী মৌসুমে ভারতে রেকর্ড পরিমাণ চাল উৎপাদনের পূর্বাভাস দিয়েছে। এ সময় দেশটিতে মোট ১৩ কোটি ৮০ লাখ টন চাল উৎপাদন হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
ভারতের আবহাওয়া বিভাগের (আইএমডি) পূর্বাভাস অনুসারে, চলতি বছরের আগস্ট-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে চাষাবাদের অনুকূল পরিস্থিতি ‘লা নিনা’ বিরাজ করতে পারে। এটি এল নিনোর বিপরীত অবস্থা। এ আবহাওয়ায় মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় প্রশান্ত সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যায়। যার কারণে ভারতীয় উপমহাদেশে বৃষ্টিপাত বাড়ে। আর আইএমডির এ পূর্বাভাসের পরিপ্রেক্ষিতেই ভারত আগামী মৌসুমে রেকর্ড পরিমাণ চাল উৎপাদন করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভারতীয় উপমহাদেশে তিন বছর পর লা নিনা পরিস্থিতি ফিরে আসছে বলে পূর্বাভাসে জানিয়েছে আইএমডি। ফলে চলতি বছরের জুন-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হবে, যা ধানসহ অন্যান্য খরিপ শস্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোয় সাধারণত খরিপ ও রবি মৌসুমে ফসলের আবাদ হয়। খরিপ মৌসুমের চাল মাড়াই করা হয় প্রতি বছরের নভেম্বর নাগাদ। অন্যদিকে রবি শস্য সাধারণত নভেম্বর-ডিসেম্বর পর্যন্ত রোপণ করা হয়। এ মৌসুমের ফসল তোলা হয় এপ্রিল-মে মাস পর্যন্ত। ভারতে মোট উৎপাদিত চালের ৭০ শতাংশই খরিপ মৌসুমে উৎপাদন হয়।
ভারত বিশ্বের বৃহত্তম চাল রফতানিকারক দেশ। সরকারি তথ্যানুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারতের মোট জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ছিল ১৫ শতাংশের বেশি। দেশটিতে চালের উৎপাদন বেশি হলে বৈশ্বিক বাজারেও তার প্রভাব পড়বে। অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে দরপতনও হতে পারে। এছাড়া ভারতের চাল রফতানিতে চলমান নিষেধাজ্ঞায়ও পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরই মধ্যে উচ্চ ফলনের সম্ভাবনায় চালের দাম কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
এর আগে ২০২২ সালের আগস্টে ভাঙা চাল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা এবং নন-বাসমতী সাদা চালের রফতানিতে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে ভারত সরকার। পরের বছর নন-বাসমতী সাদা চাল রফতানিতেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। পাশাপাশি সেদ্ধ চাল রফতানিতে ২০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে তারা। এছাড়া বাসমতী চাল রফতানির সীমা ৯৫০ টনে বেঁধে দেয় দেশটি। ফলে ভারতের চাল রফতানি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১৮ দশমিক ৫ শতাংশে কমে ১ কোটি ৬৫ লাখ টনে পৌঁছে।
তবে অতিরিক্ত শুল্ক ধার্য করা সত্ত্বেও সেদ্ধ চাল এখনো আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে আছে। চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত প্লাটস মূল্যায়নের ভিত্তিতে ৫ শতাংশ ভাঙা সেদ্ধ চাল প্রতি টন ৫৩১ ডলার বিক্রি হয়েছে। অন্যদিকে একই ধরনের থাই চালের মূল্য ছিল ৬০৬ ডলার।
- ১তাড়াশে ৬১ বছরের পুরানো ঈদগাহ মাঠ দখলের অভিযোগ
- ২পুরানা পল্টন কলেজের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
- ৩গ্রাহকদের জন্য নিজস্ব ওএমএস চালু করছে মর্ডান সিকিউরিটিজ
- ৪টানা বৃষ্টিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সবজির বাজারে অস্থিরতা
- ৫প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা উন্নত এবং সহজ প্রাপ্তি নিশ্চিতের নির্দেশ
- ৬৯৯৯-এ ফোনে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১০ শিক্ষার্থী উদ্ধার
- ৭জোট শরিকদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী
- ৮হজে বাংলাদেশের জন্য ব্যাকআপ আবাসন ১ শতাংশ বহালের অনুরোধ ধর্মমন্ত্রীর
- ৯চট্টগ্রামে বন্যার্তদের মাঝে মাঝে খুলনার ২ জুলাই কন্যার ত্রাণ বিতরণ
- ১০তিন যুগের ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি
- ১চাঁদপুরে এক কালভার্ট বদলে দেবে ৮ গ্রামের মানুষের জীবন
- ২মে মাসে ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় ধাক্কা
- ৩কেশবপুরে দুই দিনব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- ৪রণক্ষেত্র দিল্লি: ভারতের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে বড় আন্দোলনের’ ডাক সিজেপির
- ৫কমলগঞ্জে মনিপুরি গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
- ৬প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হলেন রাশেদ খাঁন
- ৭সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
- ৮প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ, সহযোগিতা জোরদারের আশ্বাস
- ৯সাতক্ষীরায় বিলে মৎস্য ঘের থেকে গাড়িচালকের মরদেহ উদ্ধার
- ১০মেসি নয়, সেরা খেলোয়ারের পুরস্কার জিতলেন রদ্রি





পাঠকের মতামত