
বলা হয় বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলে ইসলামের প্রচার-প্রসার ঘটে এই এলাকাকে কেন্দ্র করে। সময়ে সময়ে এই অঞ্চলে আগমন ঘটে কিছু ধর্ম সাধকদের। তাদের মধ্যে বুড়া হযরত বাগদাদী (রহ.), আওলাদে রাসুল (সা.)রা অন্যতম।
ইংরেজি ১৮২৮ সাল। প্রচণ্ড ধার্মিক পরিবারে জন্ম নেয়া আব্দুল্লাহ নিজ এলাকায় প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে উচ্চতর ধর্মীয় শিক্ষা লাভের উদ্দেশ্যে ভারত পাড়ি জমান। সেখানে দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসায় ভর্তি হন। দেওবন্দে দীর্ঘ ১৭ বছর অভিজ্ঞ ও প্রসিদ্ধ আলেমদের সান্নিধ্যে থেকে উচ্চতর জ্ঞান অর্জন ও দ্বীনী শিক্ষালাভ করেন।
ভারতে পড়ালেখা শেষে বাংলাদেশে ফেরার পথে তিনি কিছুদিন দিল্লীতে অবস্থান করেন। এ সময় দিল্লী শাহী জামে মসজিদের নির্মাণ শৈলী ও শৈল্পিক অবয়ব তাকে আকৃষ্ট করে। বাংলাদেশে ফিরে অনুরূপ একটি মসজিদ নির্মাণের স্বপ্ন ও ইচ্ছা তার অন্তরে দোলা দেয়। তিনি সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার প্রবল আত্মবিশ্বাস ও ইচ্ছা শক্তিকে লাগিয়ে নিজ এলাকায় এসে আল্লাহর ঘর পবিত্র মসজিদ নির্মাণে অগ্রসর হন।
দেখতে দেখতে তিনি দিল্লীর শাহী জামে মসজিদের হুবহু নমুনার ১১০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৭০ ফুট প্রস্থ এবং মাটি থেকে ১০ ফুট উঁচুতে ৩টি গম্বুজবিশিষ্ট বিখ্যাত এ মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। অধিকাংশ এলাকাবাসীর মতে ১৮৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এ মসজিদটি।
মসজিদটির অন্যতম আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে মসজিদের তলদেশে ২০ ফুট নিচে রয়েছে ৩ কামরা বিশিষ্ট গোপন ইবাদতখানা। নির্জন পরিবেশে সেখানে বসে আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন থাকতেন মাওলানা আবদুল্লাহ। মসজিদটির ভিটির উচ্চতা ১৫ ফুট। ১৩ধাপ সিঁড়ি ডিঙ্গিয়ে মসজিদে প্রবেশ করতে হয়। দেয়ালের প্রস্থ ৮ ফুট। মসজিদের সম্মুখের জরাজীর্ণ মিনারটির উচ্চতা ২৫ ফুট।
কথিত আছে, মসজিদের নির্মাণ কাজ মাওলানা আবদুল্লাহর কিছু জ্বীন শিষ্য রাতের আধারে সম্পন্ন করত। তাই এই ঐতিহাসিক মসজিদটি জ্বীনের মসজিদ নামে ব্যাপক পরিচিতি পায়। এলাকাবাসী এখনও বলেন, মসজিদের তলদেশে স্থাপিত পুকুরগুলোতে জ্বীনেরা গোসল করত, তারা এই মসজিদে নিয়মিত নামাজ আদায়সহ জিকির-আজকার অন্যান্য ইবাদত করত। এমনকি গভীর রাতে জিকিরের আওয়াজ অনেক দূর পর্যন্ত ভেসে আসত।
ঐতিহাসিক এই মসজিদটি লক্ষীপুর জেলার রায়পুর পৌর শহর থেকে ৮/৯ শ’ গজ পূর্বে পীর ফয়েজ উল্লাহ সড়কের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত। এই মসজিদটির নান্দনিক রূপায়ন ও অদ্ভুত অবকাঠামো এবং শৈল্পিক অবয়বের দিক থেকে এটি লক্ষ্মীপুর জেলার একটি প্রাচীন নিদর্শন। এর নির্মাণ কৌশল ও স্থাপত্যকলা দেখতে হাজার হাজার দেশ-বিদেশের বহু পর্যটকের সমাগম ঘটে। মসজিদটি রায়পুরের কালের সাক্ষী হয়ে আছে।
মসজিদটি এলাকায় ‘মৌলভী আবদুল্লাহ সাহেবের মসজিদ’ বলেও পরিচিতি রয়েছে। তবে মসজিদের সামনে সিঁড়ির কাছে লাগালো শিলালিপি থেকে জানা যায়, মসজিদের নাম ‘মসজিদ-ই-জামে আবদুল্লাহ। ’
- ১হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
- ২যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ঘোষণায় সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক পাচ্ছে বাংলাদেশ
- ৩বাংলাদেশে বিনিয়োগ চেয়ে কাতারের আমিরকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি
- ৪সরকার গঠন করেই তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করছেন: খোকন তালুকদার
- ৫রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে কিছু জানি না : স্পিকার
- ৬‘নতুন করে জ্বালানির দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই সরকারের’
- ৭পাটশিল্পের স্বর্ণযুগ ফেরাতে যবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থীর এআই অ্যাপ ‘ম্যাটেরিও’
- ৮রাজনগরে যাবজ্জীবন সাজা ও একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার
- ৯দৌলতপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, ফেরত পাঠালো বিজিবি
- ১০কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে চা দোকানির মরদেহ উদ্ধার
- ১মাদকসেবী-বখাটেদের চিন্হিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে : সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক
- ২বগুড়ায় উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনে আইনের খসড়া অনুমোদন
- ৩প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে
- ৪মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দেশসেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জুবাইদা রহমানের
- ৫রাষ্ট্রপতির ফোনালাপের বিষয়টি এখনো জানে না পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- ৬অদম্য তরুণ ইসমাইল ইকনের পাশে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
- ৭এক বছরের মধ্যে জুলাই গণহত্যার তদন্ত শেষের আশা চিফ প্রসিকিউটরের
- ৮ময়মনসিংহে পৃথক স্থান থেকে যুবকের মাথা ও মাটিচাপা দেহ উদ্ধার
- ৯ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, নতুন রোগী ৪৫০
- ১০সাতক্ষীরায় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তররে বাজার তদারকি অভিযান





পাঠকের মতামত