
কোনো ভোগ্যপণ্যের বাজার অস্থির হলে ভোক্তাদের স্বার্থে সরকার সেই পণ্যের দর নির্ধারণ করে দেয়। কিন্তু কখনোই নির্ধারিত দরে খুচরা বাজারে সেই পণ্য বিক্রি হতে দেখা যায় না। ভোক্তাদের এই অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তারা বলেন, যদি নির্ধারিত দরে সেই পণ্য বিক্রি না-ই হবে, তাহলে কেন তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়?
সাধারণ মানুষের ভোগান্তি নিরসনে একমাস আগে ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। তবে নির্ধারিত দামের চেয়ে বাজারে লিটারপ্রতি খোলা তেলে ৪৬ টাকা, বোতলজাত সয়াবিনের লিটারে ১০ টাকা ও পামতেলে ৭ টাকা বেশি নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে বাড়তে শুরু করেছে চিনি ও গুঁড়া দুধের দাম।
চট্টগ্রামের বৃহত্তর ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে প্রতিলিটার খোলা সয়াবিন ১৭৫ ও পামতেল ১৫৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে খুচরা বাজারে প্রতিলিটার খোলা সয়াবিন ১৮২ ও পামতেল ১৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বোতলজাত ভোজ্যতেল ১৬০ টাকায় বিক্রি হবার কথা থাকলেও তা ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা ও পাঁচলিটার ভোজ্যতেল ৮শ টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে।
অথচ গত ১৭ মার্চ খুচরা বাজারে প্রতিলিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৬০ টাকা ও খোলা তেল প্রতি লিটার ১৩৬ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। খুচরা পর্যায়ে পাঁচ লিটার তেলের বোতলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৭৬০ টাকা। অথচ পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা সরকারের বেঁধে দেয়া দরের তোয়াক্কাই করছেন না।
ব্যবসায়ীরা জানালেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দর বৃদ্ধি, চাহিদার তুলনায় এখন সরবরাহ তুলনামূলক কমে যাওয়ায় তেলের দামের উপর প্রভাব পড়েছে।
অপরদিকে এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজি চিনিতে ৬ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহে ৭২ থেকে ৭৪ টাকায় বিক্রি হওয়া চিনি আজ ৭৮ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
পাইকারিতেও বেড়েছে চিনির দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে ৫০ কেজি ওজনের চিনির বস্তায় ১শ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহে বস্তাপ্রতি চিনি ৩ হাজার ৬৩০ টাকায় বিক্রি হলেও চলতি সপ্তাহে তা ৩ হাজার ৭৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া ২০ টাকা বেড়ে প্যাকেটজাত গুঁড়া দুধ কোম্পানিভেদে ৭শ’ থেকে ৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে সবজির বাজারে প্রতিকেজি বেগুন ৫০ থেকে ৬০, গাজর ৫০, টমেটো ২০ থেকে ৩০ টাকা, শসা ৫০ থেকে ৬০, ঢেঁড়স-বরবটি ৮০, কাকরোল ১৪০, কাঁচামরিচ ৫৫ ও আলু ২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
তাছাড়া গত সপ্তাহের মতোই মাংসের বাজারে প্রতিকেজি গরুর মাংস ৭৫০ ও খাসি ৯শ’ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া ব্রয়লার ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, সোনালী ৩৩০ টাকা ও লেয়ার ২৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
তাছাড়া কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে দেশি আদা ৯০ থেকে ১শ ও আমদানি করা আদা ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি দেশি রসুন ৬০ থেকে ৭০ ও আমদানি করা রসুন ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
ভোক্তাদের অভিযোগ, বাজারে সব ধরনের পণ্যে সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্বল্প আয়ের মানুষদের।
নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিদিনই তারা অভিযান পরিচালনা করছেন। ব্যবসায়ীদের জরিমানাও করা হচ্ছে। তারপরও কাজ হচ্ছে না। সরবরাহ সংকট ও বিভিন্ন অজুহাতে দাম বাড়াচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।
- ১যশোর বোর্ডে প্রথম কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের সামিউল
- ২শেরপুর সীমান্তে ১৮ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ
- ৩তাড়াশে সাংবাদিক মৃণাল সরকার মিলু গ্রেপ্তার
- ৪চাঁদপুরে জমজ দুই বোনের একসঙ্গে জিপিএ-৫
- ৫সুন্দরবন মায়ের মতো আপন, অস্তিত্ব রক্ষায় এখনই চাই কঠোর পদক্ষেপ
- ৬মাদারীপুরে মানব পাচারের গডফাদার এনামুল গ্রেফতার
- ৭দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লবণাক্ততার বিষে বদলে যাচ্ছে উপকূলের জীবন
- ৮মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে চাঁদপুরে ৫ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
- ৯লালমোহনের বেতুয়া খালে বেহেন্দি ও রিং জাল জব্দ
- ১০সীতাকুণ্ডে শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে নিরাপত্তা ঘাটতি ছিল কি না, তদন্তে বের হবে
- ১১৫ আগস্ট উপলক্ষে জবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ব্যানার
- ২কেশবপুরে ভেজাল শিশু খাদ্য বিক্রির অপরাধে ব্যবসায়ীকে জরিমানা
- ৩ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে দলীয় সুপারিশে ছাত্রদল নেতা ও তার প্রেমিকার নাম
- ৪চলতি বছরে স্থানীয় সরকারের সকল নির্বাচন: শাহে আলম
- ৫কুষ্টিয়ায় অসহায় ভ্যান-রিকশা চালকদের মাঝে ১৫০ ছাতা বিতরণ
- ৬শাহজাদপুরে যমুনার ভাঙন রোধে বস্তা ফেলার দাবিতে মানববন্ধন
- ৭ভরিতে ২১৫৮ টাকা কমলো সোনার দাম
- ৮চাটমোহরে ধারালো অস্ত্রাঘাতে কুকুর হত্যার অভিযোগ
- ৯ঝিনাইদহে নেশার টাকার জন্য মাকে কুপিয়ে হত্যা
- ১০সীতাকুণ্ডে কারখানায় বিষাক্ত গ্যাস ‘লিকেজে’ নিহত বেড়ে ৫





পাঠকের মতামত