প্রকাশিত: নভেম্বর ২২, ২০২১ ১১:২২ এএম

আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে ধরাধাম ছেড়ে পরলোকে পারি জমিয়েছেন এক সময়কার মাঠ কাঁপানো ফুটবলার ও দক্ষ সংগঠক বাদল রায়। গেল বছরের এই দিনে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পাওয়া এই ক্রীড়াবিদ, সংগঠক। দেখতে দেখতে পেরিয়ে গেছে বছর। বাদলের স্মরণে তাঁর প্রিয় ক্লাব সোনালী অতীত ২৭ নভেম্বর শনিবার এক স্মরণসভার আয়োজন করেছে।

কুমিল্লার সুতাকল ক্লাব দিয়ে ফুটবলে হাতেখড়ি হয়েছিল বাদল রায়ের। এরপর ১৯৭৭ সালে মোহামেডানের হয়ে ঢাকার মাঠে যাত্রা শুরু করে ক্যারিয়ারের শেষটাও এখানেই। ১৯৮১ ও ১৯৮৬ সালে মোহামেডানের অধিনায়ক ছিলেন বাদল রায়। ’৮৬-তে তিন বছর পর মোহামেডানের লিগ জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন। আবাহনী, ব্রাদার্স অনেক লোভনীয় প্রস্তাব দিলেও তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন অবলীলায়।

১৯৮২ দিলি­ এশিয়াডে তার জয়সূচক গোল রয়েছে ভারতের বিপক্ষে। ইনজুরির জন্য জাতীয় দলে বাদল রায়ের ক্যারিয়ার খুব বেশি দীর্ঘ হয়নি। খেলা ছাড়ার পর তিনি সংগঠক হয়েছেন। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন, বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, সোনালী অতীত ক্লাব, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পদে ছিলেন।

খেলোয়াড়ি জীবন থেকেই তিনি ছিলেন রাজনীতি সচেতন। ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তী সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের সহ-ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন৷

শেয়ার

পাঠকের মতামত

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে আনতে জাতীয় পর্যায়ে আন্তর্জাতিক মানের একটি প্যারা ক্রীড়া টুর্নামেন্ট ...

জার্মানির নতুন প্রধান কোচ ক্লপ

জুলিয়ান নাগেলসম্যানের পদত্যাগ এবং বিশ্বকাপ ফুটবলে জার্মানির হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর জার্মানি জাতীয় দলের নতুন প্রধান ...