

* স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ৫৪ জন গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ড থেকে টাকা চুরির পর নতুন সার্কুলার জারি করতে চেয়েও পারেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
* সার্কুলারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গ্রাহকদের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে অন্যদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর সুবিধা আপাতত বন্ধ রাখতে চেয়েছিল।
* অভিযোগ রয়েছে এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা ঠেকিয়ে দিয়েছে বিকাশ।
একদিকে নিরাপত্তা ইস্যু দেখিয়ে চালু হওয়া মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), ব্যাংক ও পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারদের (পিএসপি) মধ্যে আন্তঃলেনদেনে যুক্ত হয়নি দেশের বৃহত্তম এমএফএস প্রতিষ্ঠান বিকাশ, অন্যদিকে প্রতারণা ঠেকাতে গ্রাহকদের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে শুধু নিজের এমএফএস অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর সুযোগ রেখে অন্যদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর সুবিধা বন্ধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রস্তাবেও সাড়া দেয়নি প্রতিষ্ঠানটি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সম্প্রতি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ৫৪ জন গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ড থেকে ২৭ লাখ টাকা চুরি হয়। এ ঘটনার পরই বাংলাদেশ ব্যাংক ছয়টি ব্যাংক, তিনটি এমএফএস প্রোভাইডারদের সাথে বৈঠক করে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি সার্কুলার জারির প্রস্তুতিও নিয়েছিল। সার্কুলারে গ্রাহকদের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে শুধু নিজের এমএফএস অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর সুযোগ রাখা এবং অন্যদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর সুবিধা আপাতত বন্ধ রাখতে চেয়েছিল। সার্কুলারের একটা খসড়াও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই সার্কুলার আর আলোর মুখ দেখতে পায়নি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি সূত্র বাণিজ্য প্রতিদিনকে জানিয়েছে, বিকাশের কারণে এই সার্কুলারটি আর জারি করা হয়নি। হয়তো উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে বিকাশ এটা ঠেকিয়ে দিয়েছে। এস আলমের বিদায়ের পর এই সেক্টরে এখন ব্র্যাক ব্যাংকের বিকাশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। কার্ড থেকে এ্যাড মানি করে একটা চক্র প্রতারণা করছে। অন্যের হিসাবে পাঠানোর সুবিধা বন্ধে বাধা দিচ্ছে বিকাশ। নিরাপত্তা অজুহাত দেখিয়ে তারা আন্তঃলেনদেনেও যুক্ত হচ্ছে না। আসল কথা হল তাদের ব্যবসা কমে যাবে। তাদের দেয়া মতামতের ভিত্তিতেই চার্জ সাড়ে ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন তারাই যুক্ত হচ্ছে না। আর কেন্দ্রীয় ব্যাংকও তাদের ব্যাপারে নিরব। বিকাশের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের এই রহস্যজনক ভূমিকা মানুষের মনে সন্দেহ সৃষ্টি করছে।
কর্মকর্তারা বলছেন, বিকাশ এখন ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’ নীতি অবলম্বন করছে। আসলে তাদের কোনো সমস্যা নাই। নিরাপত্তার কথা যেটা তারা বলছে আসলে এটা একটা অজুহাত।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিকাশের হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশনস অ্যান্ড পিআর শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম বাণিজ্য প্রতিদিনকে বলেন, প্রথমত, এ নিয়ে কার সাথে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আলোচনা হয়েছে আমার জানা নাই। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রীয় ব্যাংক হল আমাদের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত আমরা মানতে বাধ্য। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপর বিকাশ কোনো প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করে না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বাণিজ্য প্রতিদিনকে বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক হল নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আমাদের উপর কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রভাব খাটানোর সুযোগ নাই। কারো প্রভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে না। আমরা অবশ্যই সব কিছুর জন্য তাদের কাছে জবাব চাইব।
এমএফএস লেনদেনে ওটিপি যেভাবে কাজ করে
গ্রাহক যখন এমএফএস অ্যাপের ‘অ্যাড মানি’ অপশন ব্যবহার করেন, তখন তাকে ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ও টাকার পরিমাণ লিখতে হয়। এই অনুরোধটি কার্ড সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কে (যেমন ভিসা, মাস্টারকার্ড, অ্যামেক্স, ইউনিয়নপে) পাঠানো হয়। কার্ড নেটওয়ার্ক এরপর তা পাঠায় কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংকের কাছে।
এরপর ব্যাংকের নিরাপত্তা সার্ভার ওটিপি তৈরি করে থার্ড-পার্টি অ্যাগ্রিগেটরের মাধ্যমে তা গ্রাহকের কাছে পাঠায়। অ্যাগ্রিগেটর তখন মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে কোডটি গ্রাহকের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে পৌঁছে দেয়।
আন্তঃলেনদেন
আন্তঃলেনদেনে অর্থ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ব্যাংক, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার এবং এমএফএস তার গ্রাহক থেকে সর্বোচ্চ কত টাকা চার্জ নিতে পারবে তা ঠিক করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে চাইলেই একটি প্রতিষ্ঠান আর আগের মতো চার্জ নিতে পারবে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্ধারিত চার্জ অনুযায়ী এক এমএফএস থেকে আরেক এমএফএসে টাকা পাঠাতে স্থানান্তরিত অর্থের ওপর সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৮৫ শতাংশ তথা প্রতি হাজারে সাড়ে আট টাকা চার্জ নেওয়া যাবে। পিএসপি নিতে পারবে প্রতি হাজারে দুই টাকা এবং ব্যাংক পাবে দেড় টাকা।
বিএইচ
- ১দুদকের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান
- ২মার্জিন ঋণ নীতিতে বড় পরিবর্তন: গেজেট প্রকাশ
- ৩বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার শক্তিশালী দর্শন
- ৪অস্ট্রেলিয়াকে হারানো টাইগারদের দেশে ফিরলে সংবর্ধনা
- ৫আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না করলে নীতি সহায়তা নয়
- ৬কাঁচা মরিচ ও টমেটো আমদানিতে শুল্ক-কর অব্যাহতির প্রস্তাব অনুমোদন
- ৭চাঁদপুরে মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে আটক ৪, ইয়াবা-গাঁজা উদ্ধার
- ৮নিষিদ্ধ আ. লীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ইবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ
- ৯এপ্রিল-মার্চে হবে অর্থবছর, ২০২৭-২৮ হবে ৯ মাসের
- ১০মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে আরও এক বছর থাকছেন নাসিমুল গনি
- ১ছাত্রদলের শীর্ষ পদে সর্বোচ্চ আলোচনায় জবির জিয়াউদ্দিন বাসিত
- ২চাঁদপুরে এলপিজি ফিলিং স্টেশন মালিককে লাখ টাকা জরিমানা
- ৩ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণে ন্যাশনাল ব্যাংকের ‘সিএএসএ’ ক্যাম্পেইন
- ৪চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে বন্যার শঙ্কা
- ৫এসএসসিতে ১২ লাখ খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন, আরও বাড়তে পারে
- ৬উপসচিব হলেন ২৭৭ কর্মকর্তা
- ৭বাংলাদেশ-কানাডা প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে আলোচনা
- ৮স্বামীর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু
- ৯অভিযানে জব্দ দুই কোটির মালামাল এজাহারে হয়ে গেল ৩ লাখ টাকা
- ১০অগ্রণী ব্যাংক ফান্ডের ৪% লভ্যাংশ ঘোষণা





পাঠকের মতামত