
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের আগেই জম্মু ও কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন হবে। দেশটির শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।
অমিত শাহ বলেন, বিধানসভা নির্বাচন মিটলে জম্মু ও কাশ্মীরে রাজ্যের মর্যাদা ফেরানোর প্রক্রিয়াও শুরু হবে। ইতোমধ্যে উপত্যকায় লোকসভা নির্বাচন হয়ে গেছে। এই ভোট শান্তিপূর্ণভাবে মিটেছে, যা থেকে প্রমাণিত নরেন্দ্র মোদি সরকারের ‘কাশ্মীর নীতি’ সফল হয়েছে।
গত শনিবার রাতে বার্তা সংস্থা পিটিআইকে তিনি বলেন, ‘আমি সংসদেও বলেছি, কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেলে আমরা রাজ্যের মর্যাদা ফেরানোর প্রক্রিয়াও শুরু করে দেব। অনগ্রসর শ্রেণিগুলোর সমীক্ষা, বিধানসভা ও লোকসভা কেন্দ্রগুলোতে আসন পুনর্বিন্যাস বা ‘ডিলিমিটেশন’—সব আপাতত পরিকল্পনামাফিক চলছে। আসন পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে।
স্বরাষ্টমন্ত্রী বলেন, অন্যথায় শ্রেণি অনুযায়ী সংরক্ষণ দেওয়া সম্ভব হতো না। কাশ্মীরে লোকসভা ভোটও হয়ে গেছে। বাকি শুধু বিধানসভা নির্বাচন, তা-ও হয়ে যাবে। সুপ্রিম কোর্ট যে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন, সেটার আগেই ওই প্রক্রিয়া আমরা শেষ করব।
গত ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছিলেন, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন করতে হবে। পাঁচ দফায় পাঁচটি আসনে লোকসভা ভোট হয়েছে উপত্যকায়।
ভোটের হার উল্লেখ করে অমিত শাহ বলেন, কাশ্মীরের বাসিন্দাদের মনোভাবে পরিবর্তন এসেছে। সে কারণেই এত বিপুল পরিমাণে মানুষ বুথে গিয়ে ভোট দিয়েছেন সেখানে। জম্মু ও কাশ্মীরে ভোটের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি বলেন, ‘অনেকে বলেছিলেন, উপত্যকার মানুষ ভারতের সংবিধানে বিশ্বাস করেন না। কিন্তু এই নির্বাচনটি ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী হয়েছে। কাশ্মীরের সংবিধান আর সেখানে নেই। যারা উপত্যকায় পৃথক দেশ চান, যারা পাকিস্তানে চলে যেতে চান, তারাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন। এটা গণতন্ত্রের জয়। মোদি সরকারের কাশ্মীর নীতির জয়।’
২০১৪ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে সবশেষ বিধানসভা ভোট হয়েছিল অবিভক্ত জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যে। ২০১৯ সালের আগস্টে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ নম্বর ধারাটি বাতিল করে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ অধিকার এবং রাজ্যের মর্যাদা বিলোপ করেছিল মোদি সরকার। এর তিন বছর আগেই অবশ্য রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল বিধানসভা। এখনো পর্যন্ত সেখানে আর সেই ভোট হয়নি।
পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর জম্মু ও কাশ্মীরের অন্তর্ভুক্ত হবে কি না, সে প্রসঙ্গে অমিত শাহ জানান, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য অনেক গুরুতর আলোচনা প্রয়োজন। কারণ এই সিদ্ধান্ত গোটা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বিষয়টি বিজেপির ইশতেহারেও রয়েছে।
- ১চলতি অর্থবছরে ৫০ আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ
- ২সব পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর
- ৩সরকারের প্রতিজ্ঞা ভাঙ্গার কারণে সবকিছু হতাশায় পরিণত হয়েছে
- ৪নতুন বিনিয়োগ সৃষ্টি ও ব্যবসার সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার
- ৫নামজারিতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি: আব্দুল মান্নান
- ৬জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া : তথ্যমন্ত্রী
- ৭মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক
- ৮কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
- ৯বিনা চিকিৎসায় কেউ মারা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ১০যানজট নিরসনে নবীনগর বাজারে উচ্ছেদ অভিযান, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা
- ১‘লুটপাটে সহায়তাকারী’ আইএফআইসির এমডি মনসুর মোস্তফা বহাল তবিয়তে
- ২ভাইরাল ভিডিও সম্পর্কে যা বললেন এমপি গাজী নজরুল ইসলাম
- ৩চাঁদপুরে নিজ বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে বাড়ির মালিকের মৃত্যু
- ৪শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষমতা ফিরল কমিটির হাতে
- ৫নবীনগরে সরকারি পুকুরপাড়ের লিজ নিয়ে বিতর্ক
- ৬পাথরঘাটায় তরুণী নিখোঁজ
- ৭ময়মনসিংহে ট্রাক চাপায় নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত
- ৮শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিসিএসের স্বপ্নে প্রিয়ন্তী
- ৯সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত মুজিবুরের পরিবারকে সরকারি সহায়তা
- ১০প্রবাসী কার্ডে মিলবে প্রায়োরিটি চেক-ইন ও বোর্ডিং সুবিধা





পাঠকের মতামত