
মাদারীপুর সদর উপজেলার সরকারি খাদ্য গুদামগুলোতে আমন চাল সংগ্রহ অভিযানে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকার আমন চালের ভালো দাম নির্ধারণ করলেও স্থানীয় খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে গুদামে নিম্নমানের ‘হাইব্রিড’ চাল মজুদ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, এই চাল মানবেতর এবং সাধারণত হাঁস-মুরগি বা মাছের ফিড তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
লক্ষ্যমাত্রা ও বাজারমূল্যের ব্যবধান
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে মাদারীপুর সদর উপজেলায় ৬৬৫ মেট্রিক টন আমন সিদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইটেরপুল গুদামে ৩০০ মেট্রিক টন এবং চরমুগরিয়া গুদামে ৩৬৫ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের কথা রয়েছে। সরকার প্রতি কেজি চালের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করেছে ৫০ টাকা।
তবে সরেজমিনে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গুদামে যে চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে তার বাজারমূল্য বড়জোর ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, এই বিপুল পরিমাণ মূল্যের ব্যবধান হাতিয়ে নিতেই মিলাররা নিম্নমানের চাল সরবরাহ করছে।
সরেজমিন চিত্র ও ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ
চরমুগরিয়া ও ইটেরপুল গুদামে গিয়ে দেখা যায়, ট্রাক থেকে নিম্নমানের চাল আনলোড করে গুদামজাত করা হচ্ছে। সংগৃহীত চালের নমুনা নিয়ে স্থানীয় চাল ব্যবসায়ীদের দেখালে তারা বিষ্ময় প্রকাশ করেন।
চাল ব্যবসায়ী মো. নুরুল ইসলাম ও আবুল কালাম বেপারী বলেন, “এত নিম্নমানের চাল আমরা সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রির জন্য রাখি না। এগুলো সাধারণত পশু-পাখির খাদ্য হিসেবে বিক্রি হয়। এমনকি রিকশাচালকরাও এই চাল কিনে খান না।”
ব্যবসায়ী শাহ আলম বেপারী জানান, এই চালগুলো মূলত মাছ ও মুরগির ফিড তৈরির কারখানায় ব্যবহৃত হয়।
অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে চরমুগরিয়া গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ মল্লিক বলেন, “আমাদের প্রায় সব চালই ভালো মানের। সামান্য কিছু এদিক-ওদিক হতে পারে। আমরা সরকারি নির্দেশনা মেনেই কাজ করছি।”
অন্যদিকে ইটেরপুল গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সঞ্জয় সাহা দায়ভার মিলারদের ওপর চাপিয়ে বলেন, “মিলাররা হাইব্রিড চালই বেশি দিচ্ছে। বাজারে এর দাম কম হলে আমাদের কিছু করার নেই।”
বিষয়টি নিয়ে জেলা খাদ্য কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং সংবাদকর্মীরা কেন গুদামে গিয়েছেন সেই প্রশ্ন তুলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “নিম্নমানের চাল সংগ্রহের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আমি দ্রুত খোঁজখবর নিয়ে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
সাধারণ মানুষের অভিযোগ, সরকারি ভাণ্ডারে যদি এই নিম্নমানের চাল মজুদ করা হয়, তবে পরবর্তীতে ওএমএস বা ভিজিএফ-এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ খাওয়ার অযোগ্য চাল পেতে বাধ্য হবে।
বিএইচ
- ১এনএসইজেডে ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে এমইপি, তৈরি হবে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম
- ২১৬ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে: চট্টগ্রামে আইনমন্ত্রী
- ৩খানজাহান আলী বিমানবন্দর চালু হলে বদলে যাবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি
- ৪বাজারের ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক
- ৫অনেক বছর পরে মানিকগঞ্জবাসীর স্বপ্ন পূরণের সুযোগ এসেছে: পর্যটন মন্ত্রী
- ৬নড়াইলে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি সম্পন্ন
- ৭তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগের সময় বাড়াল বিএসইসি
- ৮জুলাই নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে ইবিতে ‘রিমেম্বারিং জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত
- ৯২৫ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮ হাজার ৪৭ কোটি টাকা
- ১০মাদারীপুরে দুই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা
- ১সার্ককে আরও গতিশীল করতে চায় বাংলাদেশ-মালদ্বীপ
- ২কোনো একসময় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
- ৩চলতি অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার
- ৪তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
- ৫বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
- ৬সিরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ৩৫
- ৭সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সরকার পর্যালোচনা করছে
- ৮চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
- ৯চাঁদপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার বাবলু মারা গেছেন
- ১০সাউথ বাংলার বোর্ড সভা ২৯ জুলাই





পাঠকের মতামত