
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে প্রথমে স্থিতিশীল এবং পরে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাওয়াই সরকারের লক্ষ্য। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যেন সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছায়, এবারের বাজেটে সে বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেছেন, বাজেটে ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে স্থিতিশীল অর্থনীতি, স্থিতিশীল অর্থনীতি থেকে সমৃদ্ধির অর্থনীতি খুব পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। প্রথম দিকে ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে। একবারে স্থিতিশীল হয়ে গেলে আমরা সমৃদ্ধির পথে যাবো। তখন অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে।
সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
বৈঠকে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, টাকাটা দেওয়ার পরে আমরা জানতে চাচ্ছি তাদের জীবনের পরিবর্তনটা কতটুকু। এটার একটা মেজারমেন্ট দরকার। কারণ, আমাদের তো জানতে হবে যে এই টাকাটা পাওয়ার পর তার জীবনের পরিবর্তনটা কিভাবে এলো। আমরা তো চাচ্ছি তার জীবনে পরিবর্তন আনার জন্য এবং সেটা কতটুকু আসছে সেটা আমাদের জানতে হবে।
তিনি বলেন, আবার কেউ যদি পিছিয়ে যায়, তাহলে কেন পিছিয়ে গেল সেটাও বিশ্লেষণ করতে হবে। তাহলে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।
বড় বাজেট বাস্তবায়নে সামনে অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ কী—এমন প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, চ্যালেঞ্জ খুব সোজা। এই যে বলেছি—ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে স্থিতিশীল অর্থনীতি, স্থিতিশীল অর্থনীতি থেকে সমৃদ্ধির অর্থনীতি খুব পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে।
তিনি বলেন, এর আগে কোনো বাজেটে এভাবে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে আমরা শুনিনি। একেবারে নাম ধরে ধরে বলা হয়েছে। কাদের জন্য কী অ্যালোকেশন (বরাদ্দ), কাদের জীবনে পরিবর্তন করার জন্য আমাদের উদ্যোগ কী, একেবারে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। সমাজের, দেশের কোনো একজন নাগরিককে বাদ রেখে এই বাজেট হয়নি। প্রত্যেককে মাথায় রেখে বাজেট হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পুরো বিষয়টিকে আমরা বলছি ডেমোক্র্যাটাইজেশন অফ দি ইকোনমি অর্থাৎ অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ। একটা গ্রুপ বেনিফিট পাবে, পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি হবে—আর বাকি দেশের লোক অর্থনীতির কোনো সুযোগ পাবে না, তাদের কাছে অর্থনীতির সুফল যাবে না, সে অংশগ্রহণ করতে পারবে না, সেটা তো একটা গণতান্ত্রিক দেশের অর্থনীতির জন্য কাম্য নয়। এজন্য আমরা এই পরিবর্তনটা আনার চেষ্টা করছি।
বিএইচ
- ১মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা শুরু
- ২UCB Price Sensitive Information
- ৩কানাডা থেকে ৪০ হাজার টন এমওপি সার কিনবে সরকার
- ৪চাঁদপুরে ভরণ-পোষণ দাবি করায় মা’কে হত্যাচেষ্টা
- ৫স্থানীয় সরকার কার্যকর হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্তিশালী হবে
- ৬স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল আগস্টে, প্রথম ধাপের ভোট অক্টোবরে
- ৭বন্যাকবলিত ৪,৫০০ পরিবারের পাশে ব্র্যাক ব্যাংক
- ৮সুন্দরবনে ৩০ কেজি হরিণের মাংস জব্দ, আটক ১
- ৯মরণনেশা ক্যাসিনো আসক্তিতে এক তরুণের মৃত্যু
- ১০সৌদির বিরুদ্ধে হুথিদের নৌ অবরোধ ঘোষণার নিন্দা জানাল বাংলাদেশ
- ১চলতি অর্থবছরে ৫০ আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ
- ২এক মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছে ৫০ হাজার কোটি
- ৩নতুন বিনিয়োগ সৃষ্টি ও ব্যবসার সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার
- ৪একনেক সভায় ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
- ৫সরকারের প্রতিজ্ঞা ভাঙ্গার কারণে সবকিছু হতাশায় পরিণত হয়েছে
- ৬ভরা মৌসুমে চাঁদপুরে মাছঘাটে প্রচুর পাঙ্গাস আমদানি
- ৭সব পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর
- ৮নামজারিতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি: আব্দুল মান্নান
- ৯কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
- ১০এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার





পাঠকের মতামত