
এসএলআর সংরক্ষণে ব্যর্থ হওয়ায় পদ্মা ব্যাংকের (সাবেক ফারমার্স ব্যাংক) ৮৯ কোটি টাকা জরিমানা মওকুফ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে দুই বছরের বেশি সময়ের জন্য বিধিবদ্ধ জমা বা Statutory Liquidity Ratio (এসএলআর) সংরক্ষণ থেকে অব্যাহতি পেল ব্যাংকটি।
গত ৩১ অক্টোবর ২০১৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত মেয়াদের জন্য ব্যাংকটিকে এসএলআর সংরক্ষণ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এই সময়ে ব্যাংকটি এসএলআর সংরক্ষণ করতে না পারায় যে ৮৯ কোটি টাকা জরিমানার মুখে পড়েছিল সেটি মওকুফ হয়ে গেল।
এই অব্যাহতি দেয়ার লক্ষ্যে উক্ত সময়ের জন্য ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৩৩ ধারা থেকেও অব্যাহতি পেয়েছে পদ্মা ব্যাংক। বুধবার এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার ইস্যু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারিভশন (ডিওস)।
সার্কুলারের সাথে সংযুক্ত ডেপুটি গর্ভনর এ.কে.এম সাজেদুর রহমান খান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারের সাথে পরামর্শক্রমে পদ্মা ব্যাংককে এই অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
এর আগে ২০১৭ ও ২০১৮ সময়ের জন্য সিআরআর ও এসএলআর সংরক্ষণে ব্যর্থ হওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ১৪৪ কোটি টাকা জরিমানা মওকুফের আবেদন করেছিল পদ্মা ব্যাংক। ২০১৯ সালের নভেম্বরে করা ওই আবেদনে সাড়া দিয়ে এসএলআর সংরক্ষণের জন্য অব্যাহতি দেয়া হলো। তবে সিআরআর এর জন্য ৫৫ কোটি টাকা জরিমানা মওকুফ হয়নি।
ব্যাংকগুলোতে গচ্ছিত আমানতের ৪ শতাংশ নগদ অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে থাকা ব্যাংকগুলোর একাউন্টে জমা রাখতে হয়, এটি নগদ জমা বা Cash Reserve Ratio (সিআরআর) হিসেবে পরিচিত।
অন্যদিকে আমানতের ১৩ শতাংশ অর্থ নিরাপদ বিনিয়োগ যেমন-স্বর্ণ, সরকারি ট্রেজারি বিল বা বন্ডে বিনিয়োগ করতে হয়। আমানতকারীদের সুরক্ষার জন্য আইনে এমন বিধান আছে।
সময়ে সময়ে সিআরআর ও এসএলআর হারে পরিবর্তন করে থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক। কোভিড মোকাবিলায় নগদ অর্থের সংকট যেন না হয় সেজন্য গেল বছর এই হার কমানো হয়েছিল।
বর্তমানে কনভেনশনাল ব্যাংকগুলোর জন্য সিআরআর ও এসএলআর হার সম্বিলিতভাবে ১৭ শতাংশ, অন্যদিকে ইসলামী ব্যাংকগুলোর জন্য এই হার ৯.৫ শতাংশ।
কোন ব্যাংক নির্ধারিত হারে সিআরআর সংরক্ষণে ব্যর্থ হলে ঘাটতি অর্থের ৫ শতাংশ হারে প্রতিদিন জরিমানা গুণতে হয়।
অন্যদিকে এসএলআর সংরক্ষণে ব্যর্থ হলে ঘাটতি অর্থের স্পেশাল রেপোসুদ অনুযায়ী জরিমানা গুণতে হয়। বর্তমানে স্পেশাল রেপোরেট ৭.৭৫ শতাংশ।
২০১৭ সালে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে দেওয়া এক প্রতিবেদনে সাবেক ফারমার্স ব্যাংককে দেশের আর্থিক খাতের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।
ঋণ কেলেঙ্কারিসহ নানা অনিয়মের কারণে ২০১৮ সালের প্রথম দিকে সরকারের হস্তক্ষেপে ডুবতে থাকা এই ব্যাংকটির বেশিরভাগ শেয়ার সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী এবং আইসিবি কিনে নয়। ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে ব্যাংকটি নাম পাল্টে হয়ে যায় পদ্মা ব্যাংক।
খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত ব্যাংকটির ২০২০ সাল শেষে খেলাপির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা, যা বিতরণ করা মোট ঋণের ৬১.৬ শতাংশ। গেল বছর শেষে ব্যাংকখাতে খেলাপির হার ছিল প্রায় ৮ শতাংশ।
- ১ভরিতে ৩২৬৬ টাকা কমলো সোনার দাম
- ২সাকিবের পর এবার নওফেলের চট্টগ্রামের বাসভবনে আগুন দিল দুর্বৃত্তরা
- ৩নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বিসিক শিল্পনগরী’র গাছ বিক্রির অভিযোগ
- ৪কেশবপুরে সীমানা পিলারসহ দুই জন গ্রেফতার
- ৫লিথি গ্রুপের শ্রমিকদের আইনানুগ পাওনার দাবিতে গাজীপুরে অবস্থান কর্মসূচি
- ৬সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৮ জন নিহত
- ৭ইরান যুদ্ধ ‘খুব শিগগির’ শেষ হতে পারে: ট্রাম্প
- ৮আজ ঢাকার বায়ুর মান সহনীয়
- ৯সিরাজগঞ্জে ১০৪ বোতল স্ক্যাফসহ এক নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
- ১০দেশের ৭ জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
- ১দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আগ্রহী আনিসুর রহমান
- ২কয়রায় পুলিশ সুপারের সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময়
- ৩মনু সেচ প্রকল্পে জলাবদ্ধতা সমাধানের দাবিতে কৃষকদের স্মারকলিপি
- ৪আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নৌপথে ট্র্যাকিং সিস্টেম থাকা দরকার: নোয়াখালী জেলা প্রশাসক
- ৫বিতর্কিত সনদে রূপালী লাইফের মুখ্য নির্বাহী গোলাম কিবরিয়া
- ৬প্রশাসনে বদলি-পদায়নে এআই ব্যবহারের নির্দেশ
- ৭‘৩৬ জুলাই’ উপলক্ষে ৩৬ টাকায় মিলছে টেলিটকের ‘জেন-জেড’ সিম
- ৮অবৈধভাবে উত্তোলনকৃত বালু জব্দ, জড়িতরা ধরাছোঁয়ার বাইরে
- ৯সাবেক নারী সেনাসদস্যকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে
- ১০কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের অর্ধ-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত





পাঠকের মতামত