প্রকাশিত: জুলাই ১৫, ২০২১ ১০:৩৮ পিএম , আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২১ ১০:৪০ পিএম

করোনাভাইরাসের কারণে পর্যটন খাতের হোটেল/মোটেল ও থিম পার্কের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য এক হাজার কোটি টাকার এক বছর মেয়াদি চলতি মূলধন ঋণ সহায়তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আট শতাংশ সুদে ঋণ দিবে ব্যাংকগুলো। তার মধ্যে চার শতাংশ গ্রহক দিবে বাকি চার শতাংশ সরকার ভর্তুকি হিসেবে প্রদান করবে।

বৃহস্পতিবার রাতে (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি সার্কুলার ইস্যু করে তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক/প্রধান নির্বাহী বরাবর পাঠানো হয়।

ইস্যুকৃত চিঠিতে বলা হয়েছে, এ প্যাকেজের আওতায় ঋণের অনুমোদন ও বিতরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। সরকার কর্তৃক ভর্তুকি বাবদ প্রদত্ত সুদ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের একাউন্টস এন্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্ট প্রদান করা হবে।

এছাড়া বাণিজ্যক ব্যাংকগুলো ঋণের প্রদানের জন্য তাদের নিজস্ব সীমার উপর ভিত্তি করে ঋণ দিতে হবে। এরআগে ব্যাংকগুলোকে আগামী ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের প্রস্তাবনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠাবে। এরপর ব্যাংকসমূহ হতে সীমা সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার পর বিআরপিডি চূড়ান্ত সীমা নির্ধারণ করে দিবেন।

ব্যাংকগুলো থেকে দেয়া ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ এক বছর। এরপর বিনিয়োগে গ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক লেনদেন সন্তোষজনক হলে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণ/বিনিয়োগের সুবিধাটি নবায়ন করা যাবে।

যে সকল হোটেল/মোটেল/থিম পার্ক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ সরকার এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ হতে ইতঃপূর্বে কোন সুবিধা গ্রহণ করেনি সে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য এ প্যাকেজের আওতায় ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। ঋণ গ্রহীতা যে ব্যাংকের মাধ্যমে বর্তমানে লেনদেন করে থাকে সে ব্যাংকের মাধ্যমে এ প্যাকেজের আওতায় ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। যে সকল প্রতিষ্ঠান একাধিক ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করে থাকে সে সকল প্রতিষ্ঠান লেনদেনকৃত ব্যাংকসমূহের যেকোন একটি ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবে ।

গ্রাহককে ঋণ প্রদানের পর ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে (মার্চ, জুন, সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বর) আরোপিত সুদ/মুনাফার পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে পরিশোধিত হলে সরকারের নিকট হতে সুদ/ মুনাফার বিপরীতে অবশিষ্ট ৪ শতাংশ ভর্তুকি হিসেবে পাবে। তবে সময়মতো সুদ/মুনাফা পরিশোধ না করলে সরকারি ভর্তুকি সুদ ঋণ গ্রহীতাকে বহন করতে হবে।

তফসিলি ব্যাংকগুলো প্রতি তিন মাস শেষে পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে উক্ত ঋণের বিপরীতে ভর্তুকি প্রাপ্তির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের একাউন্টস এন্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্ট বরাবর আবেদন করবে।

শেয়ার

পাঠকের মতামত

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে শিল্পকারখানা, ঋণের সুদ মওকুফ চায় চট্টগ্রাম চেম্বার

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহে দীর্ঘস্থায়ী সংকটে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়ে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। এ ...

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের বই ছাপাতে ৯৪৮ কোটি টাকা অনুমোদন

আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক, ইবতেদায়ি, মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি স্তরের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও ...

বিশ্বব্যাংক এআই-এর কারণে উন্নত দেশগুলোতে চাকরি হারানোর ঝুঁকি তিন গুণ বেশি

জেনারেটিভ এআই-এর কারণে উন্নত দেশগুলোতে চাকরি হারানোর ঝুঁকি উন্নয়নশীল দেশের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি ...

এফবিসিসিআইয়ের নতুন প্রশাসককে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের শুভেচ্ছা

বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর নবনিযুক্ত প্রশাসক ...