
মো. সহিদুল ইসলাম সুমন: পহেলা বৈশাখ মানেই বাংলার প্রান্তিক জনপদে এক নতুন আবাহন, এক নতুন সংকল্পের মহোৎসব। কিন্তু ২০২৬ সালের এই নতুন ভোরের সূর্য কেবল আলপনা আর পান্তা-ইলিশের চিরায়ত উৎসবে সীমাবদ্ধ থাকছে না; বরং এই দিনটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসের পাতায় চিহ্নিত হতে যাচ্ছে এক আমূল পরিবর্তনের স্মারক হিসেবে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ‘কৃষক কার্ড’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আমাদের কৃষি অর্থনীতির শিরা-উপশিরায় যে পরিবর্তনের ঝংকার তুলতে যাচ্ছে, তাকে কেবল একটি প্রশাসনিক উদ্যোগ বললে কম বলা হবে। এটি আসলে আমাদের চিরায়ত কৃষি কাঠামোর মেরুদণ্ড বদলে ফেলার এক সাহসী ও বৈজ্ঞানিক অভিযাত্রা। বহু বছর ধরে আমরা কৃষিকে কেবল শ্রমনির্ভর এক খাত হিসেবে দেখে এসেছি, কিন্তু আজ সেই শ্রমের সঙ্গে যখন আধুনিক প্রযুক্তির সংজ্ঞায়ন ঘটছে, তখন এক নতুন দিগন্তের উন্মেষ অনিবার্য।
আমাদের দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে কৃষির অবদান যদি আমরা গভীরভাবে ব্যবচ্ছেদ করি, তবে দেখব যে জিডিপিতে এই খাতের হিস্যা ১১ থেকে ১২ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করলেও, শ্রমশক্তির প্রায় ৪০ শতাংশ এখনও এই মাটির সঙ্গেই ঘর বাঁধে। অথচ দুর্ভাগ্যজনক বাস্তবতা হলো, এই বিশাল জনগোষ্টীই অর্থনীতির সবচেয়ে অরক্ষিত প্রান্তে বাস করে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের অর্থনৈতিক সমীক্ষা এবং বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক সূচকগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আমাদের প্রান্তিক কৃষকরা উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য থেকে যেমন বঞ্চিত হন, তেমনি সরকারি ভর্তুকির সুফল তাদের কাছে পৌঁছানোর আগেই মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে চলে যায় এক বড় অংশ। এই যে বাজার ব্যবস্থার অদক্ষতা, একে জয় করাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সরকার প্রতিটি কৃষকের একটি সুনির্দিষ্ট ডিজিটাল পরিচয় বা ‘ইউনিক আইডি’ নিশ্চিত করতে যাচ্ছে। এতে কৃষকের জমির খতিয়ান থেকে শুরু করে ফসলের ধরন এবং গত কয়েক বছরের উৎপাদন সক্ষমতার তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। অর্থনীতির ভাষায় বলতে গেলে, এটি তথ্যের অপ্রতিসাম্য বা ‘ইনফরমেশন অ্যাসিমেট্রি’ দূর করার এক মোক্ষম হাতিয়ার। যখন সরকারের কাছে প্রতিটি খামারের নির্ভুল তথ্য থাকবে, তখন নীতি নির্ধারণ আর অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়ার মতো অনিশ্চিত থাকবে না।
কৃষক কার্ডের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়বে আমাদের রাজকোষ নীতি বা ফিসক্যাল পলিসিতে। প্রতি বছর জাতীয় বাজেটে কৃষিখাতে যে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি বরাদ্দ রাখা হয়—যার পরিমাণ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত লক্ষ্যমাত্রায় প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা স্পর্শ করতে পারে—তার সুষম বণ্টন নিয়ে সবসময়ই এক ধরনের অস্বচ্ছতা থেকে গেছে। সার, বীজ এবং কীটনাশকের জন্য দেওয়া এই বিশাল অঙ্কের টাকা সরাসরি কৃষকের কাছে না পৌঁছে অনেক সময় ডিলার কিংবা প্রভাবশালীদের কবজায় চলে যায়। কৃষক কার্ড চালুর ফলে সরকার ‘ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার’ বা ডিবিটি মডেল কার্যকর করতে পারবে। অর্থাৎ ভর্তুকির অর্থ সরাসরি কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কিংবা এই কার্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত ডিজিটাল ওয়ালেটে জমা হবে। এতে সারের কালোবাজারি যেমন বন্ধ হবে, তেমনি সরকারি কোষাগারের অর্থের অপচয় কমবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এই ধরনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে আমাদের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কারণ যখন উৎপাদন খরচ প্রকৃত কৃষকের হাতের নাগালে আসবে, তখন সরবরাহ শৃঙ্খলে অস্থিরতা কমে আসবে এবং খাদ্যপণ্যের দামে এক ধরনের স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা যাবে।
অন্যদিকে আমাদের গ্রামাঞ্চলে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের যে চরম সংকট দীর্ঘকাল ধরে চলে আসছে, তারও একটি বৈজ্ঞানিক সমাধান এই কৃষক কার্ডে নিহিত আছে। বাংলাদেশের ক্ষুদ্র কৃষকরা এখনও মহাজন কিংবা অনানুষ্ঠানিক উৎস থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিতে বাধ্য হন, কারণ ব্যাংকগুলোর কাছে কৃষকের ক্রেডিট হিস্ট্রি বা ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা যাচাইয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য মাধ্যম নেই। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে যখন একজন কৃষকের বিগত কয়েক বছরের উৎপাদনের ডেটা ব্যাংকের সামনে থাকবে, তখন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কৃষিঋণ দিতে পারবে। এটি গ্রামীন অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ বা ‘মানি সার্কুলেশন’ বৃদ্ধি করবে। ২০২৬ সালের পরবর্তী কয়েক বছরে আমরা যদি গ্রামীণ বিনিয়োগের হার ২ থেকে ৩ শতাংশ বৃদ্ধি করতে পারি, তবে সেটি জাতীয় জিডিপিতে অন্তত ০.৫ শতাংশ অতিরিক্ত প্রবৃদ্ধি যোগ করার ক্ষমতা রাখে। এই গাণিতিক সম্ভাবনাকে অবহেলা করার কোনো অবকাশ নেই।
আমি আমার দীর্ঘ কর্মজীবনে দেখেছি, প্রযুক্তি যত উন্নতই হোক না কেন, তার সুফল নির্ভর করে বাস্তবায়নের স্বচ্ছতার ওপর। আমাদের দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের একটি বড় অংশ এখনও ডিজিটাল সাক্ষরতার দিক থেকে পিছিয়ে। তাদের হাতে একটি স্মার্ট কার্ড ধরিয়ে দিলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে না। যদি ডাটাবেস তৈরিতে ভুল তথ্য প্রবেশ করানো হয়, কিংবা যদি প্রকৃত ভূমিহীন বর্গাচাষীরা এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হতে পারেন, তবে এই পুরো মহাযজ্ঞই মুখ থুবড়ে পড়বে। ভূমিহীন বর্গাচাষীদের অধিকার সুরক্ষা করা এই প্রকল্পের জন্য সবচেয়ে বড় অগ্নিপরীক্ষা। জমির মালিকানা না থাকলেও যারা প্রকৃত উৎপাদনকারী, তারা যেন কোনোভাবেই এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, সেটি নিশ্চিত করা আমলাতন্ত্রের দায়িত্ব। এছাড়া ডাটা সিকিউরিটি বা তথ্যের নিরাপত্তার বিষয়টিও মাথায় রাখা জরুরি। কৃষকের ব্যক্তিগত তথ্য যেন কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে না যায়, সেদিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখতে হবে।
প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর দিক থেকেও আমাদের অনেক পথ চলা বাকি। প্রায়ই দেখা যায় যে বড় কোনো সরকারি উদ্বোধনের পর সার্ভার জটিলতায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ে। কৃষক কার্ডের ক্ষেত্রেও যদি কৃষককে তার পাওনা বুঝে পেতে দিনের পর দিন ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তবে এই রূপান্তরের মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে। আমাদের ইন্টারনেটের গতি এবং সার্ভারের সক্ষমতা যেন এই বিপুল চাপের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে, তা নিশ্চিত করা জরুরি। আমি মনে করি, এই প্রকল্পকে কেবল কৃষি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে আইসিটি বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সাথে একটি নিবিড় সমন্বয় গড়ে তোলা প্রয়োজন। বিচ্ছিন্নভাবে কোনো বিভাগই এককভাবে এত বড় পরিবর্তন সামলাতে পারবে না।
একটি বিষয় আমাদের মনে রাখা দরকার, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ এখন পৃথিবীর অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। প্রতি বছর বন্যা, খরা কিংবা লোনা পানির অনুপ্রবেশে আমাদের কৃষকরা নিঃস্ব হচ্ছেন। আগে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর ক্ষতিপূরণ দিতে যে দীর্ঘ প্রশাসনিক জটিলতা পোহাতে হতো, কৃষক কার্ড সেই সময়কে কয়েক দিনে নামিয়ে আনতে পারে। স্যাটেলাইট ডেটা এবং কৃষক কার্ডের তথ্যের সমন্বয় ঘটিয়ে সরকার খুব সহজেই নির্ণয় করতে পারবে কোন অঞ্চলের কোন কৃষক কতটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এই যে তাৎক্ষণিক সাড়াদানের ক্ষমতা, এটি আমাদের কৃষকের টিকে থাকার লড়াইয়ে এক অজেয় শক্তি জোগাবে। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার পর আমরা দেখেছি ত্রাণ বিতরণে সঠিক তালিকার অভাবে কতটুকু বিশৃঙ্খলা হয়েছিল। কৃষক কার্ড থাকলে সেই বিশৃঙ্খলার কোনো স্থান থাকত না।
শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও এই কার্ড এক বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখতে পারে। স্মার্ট কৃষির ধারণা কেবল যান্ত্রিক লাঙ্গল ব্যবহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং কোন মাটিতে কোন সার কতটুকু লাগবে, কিংবা বৈশ্বিক আবহাওয়ার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে কখন বীজ বপন করা সঠিক হবে—সেই সুনির্দিষ্ট পরামর্শ কৃষকের মোবাইলে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে এই কার্ডের মাধ্যমে। এটি এক ধরনের ‘প্রিসিশন ফার্মিং’ বা নিখুঁত কৃষির দিকে আমাদের নিয়ে যাবে। জাপানি কিংবা ইসরায়েলি কৃষিতে যে ধরনের প্রযুক্তিনির্ভরতা আমরা দেখি, কৃষক কার্ড হতে পারে সেই যাত্রার প্রথম সোপান। আমাদের কৃষকের সহজাত বুদ্ধি আর ডিজিটাল তথ্যের সমন্বয় যদি সঠিকভাবে ঘটানো যায়, তবে আগামী এক দশকে বাংলাদেশ খাদ্য রফতানিকারক দেশ হিসেবে বিশ্বে এক নতুন পরিচিতি পাবে, এতে আমার কোনো সন্দেহ নেই।
বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটি বেছে নেওয়ার পেছনেও একটি গভীর সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক দর্শন কাজ করছে। এটি আমাদের শিকড়ের সাথে আধুনিকতার এক সেতুবন্ধন। আমরা যখন স্মার্ট বাংলাদেশ -এর স্বপ্ন দেখছি, তখন কৃষিকে পেছনে ফেলে সেই স্বপ্নপূরণ অসম্ভব। কৃষি যদি স্মার্ট না হয়, তবে শিল্প বা সেবা খাত দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে না। কারণ সস্তা এবং নিরাপদ খাদ্যই হলো যে কোনো শিল্পায়নের মূল জ্বালানি। কৃষক কার্ড উদ্বোধনের এই মুহূর্তটি তাই আমাদের জন্য কেবল উদ্যাপনের নয়, বরং এক গভীর দায়বদ্ধতার। এই কার্ডের মাধ্যমে আমরা কৃষকের কাছে যে অঙ্গীকার করছি, তার প্রতিটি অক্ষর যেন মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়িত হয়। আমাদের মনে রাখতে হবে, কৃষক কার্ড কেবল কৃষকের অধিকার নয়, এটি আমাদের জাতীয় অর্থনীতির এক রক্ষা কবচ।
সবশেষে বলা যায়, আমরা এক ক্রান্তিকালে দাঁড়িয়ে আছি। একদিকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের হাতছানি, অন্যদিকে বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির টালমাটাল প্রভাবে খাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্ন। এই দুইয়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে কৃষক কার্ড হলো বাংলাদেশের এক কৌশলী চাল। এটি কেবল প্রযুক্তি নয়, এটি একটি অর্থনৈতিক দর্শন। যদি আমরা এই উদ্যোগকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে একটি পেশাদার এবং দক্ষ কাঠামোর ওপর দাঁড় করাতে পারি, তবে ২০২৬ সালের ১৪ এপ্রিল আমাদের কৃষি ইতিহাসের এক স্বর্ণোজ্জ্বল বাঁক হিসেবে অমর হয়ে থাকবে। মাটির ঘ্রাণ আর সিলিকন চিপের এই মেলবন্ধন যেন বাংলার কৃষকের মুখে চিরস্থায়ী হাসি ফুটিয়ে তোলে, এটাই আমাদের কাম্য। উন্নয়নের এই চাকা যেন কোনো আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় থেমে না যায়, সেদিকে আমাদের জাগ্রত দৃষ্টি রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, কৃষক বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে, আর কৃষক যদি স্মার্ট হয়, তবেই বাংলাদেশ পৃথিবীর মানচিত্রে এক অনন্য উচ্চতায় আসীন হবে।
মতামত লেখকের নিজস্ব
লেখক : অর্থনীতি বিশ্লেষক, কলামিস্ট ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক গবেষক।
E-mail: msislam.sumon@gmail.com
- ১চাঁদপুরে ইলিশের আকাল, কারণ অনুসন্ধানে বিশেষজ্ঞ দল
- ২রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে
- ৩জিয়াউল আহসানের বাড়িতে দুদকের অভিযান শেষ, মালামাল জব্দ
- ৪কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ
- ৫জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ২.২ শতাংশ, বড় পতন শিল্প ও সেবাখাতে
- ৬পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লেনদেন বেড়েছে ৯০ শতাংশ
- ৭চলমান প্রকল্পগুলোকে পরিমার্জন করা হবে : পরিবেশমন্ত্রী
- ৮তাড়াশে ৬১ বছরের পুরানো ঈদগাহ দখলের অভিযোগ
- ৯পুরানা পল্টন কলেজের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
- ১০গ্রাহকদের জন্য নিজস্ব ওএমএস চালু করছে মর্ডান সিকিউরিটিজ
- ১রণক্ষেত্র দিল্লি: ভারতের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে বড় আন্দোলনের’ ডাক সিজেপির
- ২কেশবপুরে দুই দিনব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- ৩মতিগঞ্জে টর্নেডোয় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান
- ৪মেসি নয়, সেরা খেলোয়ারের পুরস্কার জিতলেন রদ্রি
- ৫সাতক্ষীরায় বিলে মৎস্য ঘের থেকে গাড়িচালকের মরদেহ উদ্ধার
- ৬প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হলেন রাশেদ খাঁন
- ৭সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
- ৮কমলগঞ্জে মনিপুরি গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
- ৯আইএফআইসি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের প্রায় অর্ধেকই বেনামি
- ১০প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ, সহযোগিতা জোরদারের আশ্বাস





পাঠকের মতামত