
পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন রিমান্ডে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য দিয়েছেন। ফটিকছড়ি থানার হত্যা ও অস্ত্র মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডে থাকা ইমন পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন যে, তিনি প্রতি মাসে গড়ে প্রায় এক কোটি টাকা চাঁদা আদায় করতেন। যার অর্ধেক টাকাই চলে যেত বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর কাছে।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ইমন জানিয়েছেন, তার চাঁদাবাজি পরিচালনার সুনির্দিষ্ট একটি চক্র ও পদ্ধতি ছিল। প্রথমে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ব্যবসায়ী, প্রবাসী এবং নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের মালিকদের জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ করা হতো। এরপর বিদেশি নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে কল করে টার্গেটকৃত ব্যবসায়ীদের গতিবিধির নিখুঁত বর্ণনা দেওয়া হতো-যেমন তিনি বর্তমানে কী রঙের পোশাক পরেছেন কিংবা তার পরিবারের সদস্যরা কে কোথায় চলাচল করছেন। কথামতো চাঁদার টাকা না দিলে ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের বাড়ি কিংবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর বা ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হতো। ভয়ে ভুক্তভোগীরা ঝামেলা এড়াতে মুখ না খুলে নগদ টাকায় সমঝোতা করে চাঁদা পরিশোধ করতেন।
অতিরিক্ত চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ জানিয়েছেন, ইমনের চাঁদাবাজির মাসিক হিসাব ছিল প্রায় এক কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫০ লাখ টাকা পাঠানো হতো বিদেশে পলাতক তার গুরু সাজ্জাদ আলীর কাছে (যা হুন্ডির মাধ্যমে পাঠানো হতো), ১৫ লাখ টাকা খরচ হতো দল পরিচালনার পেছনে এবং বাকি টাকা ইমন নিজে রাখতেন।
ইমন পুলিশকে আরও জানিয়েছেন যে তার বাহিনীতে প্রায় সহস্রাধিক সহযোগী ও অন্তত ৫০ জন সক্রিয় শুটার রয়েছে। তবে বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী হুন্ডির মাধ্যমে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
ইমনের বিরুদ্ধে বাকলিয়ার জোড়া খুন এবং পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকার ঢাকাইয়া আকবর হত্যাসহ অন্তত ১৫টি গুরুতর মামলা রয়েছে। অস্ত্র ব্যবহারে দক্ষ ইমন সাধারণত ১৫ থেকে ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র নিজের কাছে রাখতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। বর্তমানে পুলিশ তাঁর হুন্ডি চক্রের অন্যান্য সহযোগীদের শনাক্ত করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মৃত ওমানপ্রবাসী মো. মুসার ছেলে ইমন। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সন্ত্রাসী ‘বড় সাজ্জাদ’-এর মাধ্যমে অপরাধ জগতে পাকাপোক্তভাবে যুক্ত হন তিনি। গত বছর বড় সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী ‘ছোট সাজ্জাদ’ গ্রেপ্তার হওয়ার পর ইমন ও মোহাম্মদ রায়হান যৌথভাবে চট্টগ্রামের এই সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ নেন।
টিআর
- ১সংবিধান পর্যালোচনায় নতুন সংশোধনী, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জুলাই সনদের আলোকেই
- ২নবীনগরে দেড়শ বিঘায় নতুন সম্ভাবনার আউশ আবাদ
- ৩সূচকের মিশ্রাবস্থায় কমলো লেনদেন
- ৪বিদ্বেষমূলক না হলে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আইনগত বাধা নেই
- ৫ডিএসইর ছাঁটাই হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ব-স্ব পদে পুনর্বহাল দাবি
- ৬পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়
- ৭শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার
- ৮শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা
- ৯মুখ সামলান আর তা না হলে শরীর সামলাতে পারবেন না: খোকন তালুকদার
- ১০জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হাজীগঞ্জের রোকেয়া সুলতানার সনদ গ্রহণ
- ১নতুন মন্ত্রিসভায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চাঁদপুর তিন আসনের এমপি মানিক
- ২ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৫৩ কোটি টাকার
- ৩গাজীপুরে অনিয়মের অভিযোগে ভুমি অফিসের চারজন বরখাস্ত
- ৪মধ্যপ্রাচ্যে কমছে জনশক্তি রপ্তানি, বাড়ছে ইউরোপে
- ৫লেনদেনের শীর্ষে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ
- ৬অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে: বিদ্যুৎ বিভাগ
- ৭আমি হত্যার পক্ষে নই, এজন্যই ইরানের সঙ্গে চুক্তি চাই : ট্রাম্প
- ৮দুধ দিয়ে গোসল করে রাজনীতি ছাড়লেন যুবদল নেতা মাহাবুব আলম
- ৯প্রধানমন্ত্রী ভারত যাবেন কিনা সময়ই বলে দেবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ১০ইসিতে আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিল বিএনপি-জামায়াতসহ ৩৮ রাজনৈতিক দল





পাঠকের মতামত