প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৯, ২০২০ ১০:৪৯ পিএম

চলতি বছরে বেশ কয়েকটি রাসায়নিক উপাদান রূপচর্চায় বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ত্বকের পরিচর্যায় নানা উপাদান ব্যবহার হয়। তবে কিছু ত্বক বান্ধব রাসায়নিক উপাদান আছে যা এক প্রকার অ্যাসিড। তবে সেগুলো ক্ষতিকর নয়।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানো, বয়সের ছাপ হ্রাস, ব্রণের সমস্যা কমানো-সহ বিভিন্ন ত্বকের সমস্যা দূর করতে এই ধরনের অ্যাসিড উপকারী।

রূপচর্চা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে এ বছর জনপ্রিয়তা পাওয়া এমন সব প্রসাধনীর উপকারিতাগুলো এখানে দেওয়া হল:

# রেটিনল: এ বছর সবচেয়ে বেশি প্রচলন দেখা দেয়। এটা ভিটামিন এ থেকে উৎপাদিত, যা ত্বক পরিষ্কার রাখতে, দাগ কমাতে ও বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে। রেটিনল, বয়সের ছাপ ও প্রদাহ কমাতে খুব ভালো কাজ করে।

# হায়লুরনিক অ্যাসিড: ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এর তুলনা নেই। ত্বক মসৃণ ও দীর্ঘক্ষণ সতেজ রাখতে এটা ভালো কাজ করে। ২০২০ সালে ত্বক বিশেষজ্ঞরা এই অ্যাসিড ব্যবহারের উপকারিতা সম্পর্কে জানিয়েছেন। তাই যে কেউ ত্বকের যত্ন নিতে হায়লুরনিক অ্যাসিড নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন।

# ল্যাকটিক অ্যাসিড: মৃদু রাসায়নিক পিল ও এক্সফলিয়েটর হিসেবে ল্যাকটিক অ্যাসিড সামনের সারিতে। ‘হাইপার পিগমেন্টেশন’ ব্রণের দাগ ছোপ ও মলিন ত্বক ও রংয়ের ভারসাম্যহীনতা বজায় রাখতে সহায়তা করে। ফেইশল ও ত্বক পরিষ্কার রাখতে যেহেতু এখন বাইরে যাওয়া হয় না তাই রাসায়নিক এক্সফলিয়েটর হিসেবে এই অ্যাসিড ব্যবহার করা যায়।

# গ্লাইকোলিক অ্যাসিড: এটা একটা জাদুকরী উপাদান। এটা ব্রণ ও ব্ল্যাক-হেডসের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। গ্লাইকোল অ্যাসিড সহজেই ত্বককে সুন্দর রাখতে ভূমিকা রাখে। ত্বকের লোমকূপ সংকুচিত করে তেল নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

# নায়াসিনামাইড: ত্বকের যত্নে সবচেয়ে বেশি উপকারী ও বহুল ব্যবহৃত উপাদান হল নায়াসিনামাইড। এটা ভিটামিন বি-৩ হিসেবেও পরিচিত, যা ত্বকের মলিনতা দূর করে, বয়সের ছাপ কমায় ও ত্বক সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে।

শেয়ার

পাঠকের মতামত

অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কি আপনার সন্তান? যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন

অধিকাংশ মা-বাবাই চিন্তিত কারণ, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের স্ক্রিনে কাটানো সময়ের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। ভিডিও দেখা, ...