
সৃষ্টিতে রহস্য আর রহস্য। পৃথিবী জুড়ে এমন অনেক কিছুই রয়েছে, যেগুলো সম্পর্কে ন্যূনতম কোনো ধারণাই আমাদের নেই। বেশি দূরে যেতে হবে না। ‘ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া’ই যে কত সৃষ্টি, কত ঘটনা এদিক-ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে, তা-ই অনেক সময় আমাদের গোচরে আসে না।
বেশ কোটি বছর ধরে দক্ষিণ আমেরিকার মিষ্টি পানির হ্রদ, খাঁড়ি আর নদীতে পিরানহারা বসবাস করে আসছে। ভেনেজুয়েলার ওরিনোকো নদীর অববাহিকা থেকে আর্জেন্টিনার পারানা নদী পর্যন্ত এদের ঝাঁকে ঝাঁকে দেখা যায়। সেখানে মোট ৩০টি প্রজাতির পিরানহা দেখেত পাওয়া যায়। প্রায় আড়াই কোটি বছর আগেও দক্ষিণ আমেরিকায় বসবাসকারী পিরানহা প্রজাতির জীবাশ্ম মিলেছে। মেগাপিরানহা প্যারানেনসিস নামের সেই আদি সংস্করণ থেকেই আধুনিক পিরানহা মাছের উত্পত্তি বলে দাবি বিজ্ঞানীদের।
কলকাতা টাইমস-এর তথ্য, শিকারি হিসেবে পিরানহার খ্যাতি মূলত তার দাঁত এবং নিরন্তর কামড় দেওয়ার ক্ষমতার সুবাদে। পূর্ণবয়স্ক মাছের দুই পাটি অত্যন্ত ধারালো দাঁত থাকে। কামড়ালে পাটি দুইটি পরস্পরের খাঁজে বসে যায়। পিরানহার দাঁতের আকৃতি অনেক সময় ছুরির ফলার সঙ্গে তুলনা করা হয়। এরা মাংসাশী বলে দাঁতের এমন গঠন খাবার খেতে সাহায্য করে। সারা জীবনে একাধিক বার দাঁত খোয়ায় পিরানহারা। তবে একসঙ্গে তাদের ৪টি উপড়ে যাওয়া দাঁত ফের গজিয়ে ওঠে।
এই মাছ সম্পর্কে সাহিত্য ও সিনেমায় অনেক হাড়-হিম বর্ণনা পাওয়া যায় যা অতিরঞ্জিত, তবে শিকার বা শত্রুর শরীরে দাঁত বসানোর সময় বিপুল শক্তি খরচ করে এই মাছ। ২০১২ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, লালচোখো পিরানহাদের প্রতি কামড়ের ওজন হয় প্রায় ৩৫ কেজি, যা তাদের নিজস্ব ওজনের তিন গুণ। জানা গেছে, প্রাগৈতিহাসিক মেগাপিরানহা প্যারানেনসিসদের মুখগহ্বরে দুইটির বদলে ৪টি দাঁতের পাটি থাকত।
পানির নিচে পেলে মানুষকে মাত্র কয়েক মিনিটে ছিঁড়ে খেতে পিরানহাদের না কি জুড়ি নেই। কল্পকাহিনীর এই বর্ণনার সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল নেই। প্রথমত, জ্যান্ত মানুষকে পিরানহারা কখনো আক্রমণ করে না। তবে দক্ষিণ আমেরিকার নদীতে নেমে হঠাত্ মারা যাওয়া মানুষের শরীরে এই মাছের ঝাঁক দাঁত বসিয়েছে, এমন নজির বিরল নয়।
কিন্তু তা বলে কয়েক মিনিটে জ্যান্ত মানুষকে কঙ্কালে পরিণত করার ক্ষমতা তাদের নেই। তেমন ঘটনা ঘটতে হলে ৩০০-৫০০ পিরানহার ঝাঁককে অন্তত ৫ মিনিট পরিশ্রম করতে হবে। আর একটি কথা– রক্তের স্বাদ পেলে পিরানহা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তাই জখম কোনো প্রাণীকে পানিতে পেলে, পিরানহার ঝাঁক আক্রমণ করবেই।
গবেষণায় দেখা গেছে, পিরানহার কয়েকটি প্রজাতি গর্জন করতে পারে। মত্স্যব্যবসায়ীদের জালে ধরা পড়া লাল-পেটওয়ালা পিরানহাদের এমন শব্দ করতে শোনা গেছে। শব্দটি অনেকটা কুকুরের ঘেউ ঘেউয়ের মতো।
বেলজিয়ামের একদল গবেষক লক্ষ্য করেছেন, নিজের শরীরের ভেতর থাকা সুইমব্লাডার কাজে লাগিয়ে আওয়াজ তৈরি করে পিরানহারা। শত্রুকে ভয় দেখাতে, শিকারকে ঘাবড়ে দিতে এবং নিশানার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রাক মুহূর্তে তারা তিন রকম আওয়াজ করে। দাঁতে দাঁত পিষেও এক ধরনের শব্দ তৈরি করতে পারে এই শিকারি মাছ।
- ১ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী
- ২তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- ৩‘তেলাপোকাদের’ চিহ্নিত করে গুন্ডা দমন আইনে মামলার ঘোষণা শুভেন্দুর
- ৪মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
- ৫পল্টনে আল ওয়াহদাহ ফাউন্ডেশনের ফ্রি কুরআন বিতরণ
- ৬খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পারে : আইজিপি
- ৭চকরিয়ায় বন্যার্ত ৫০ পরিবারকে ধরা’র ত্রাণ বিতরণ
- ৮সৌদিতে ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের হামলা, তেল পরিশোধনাগার থেকে বের হচ্ছে ধোঁয়া
- ৯ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জড়িত
- ১০রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রজ্ঞাপন জারি
- ১চা শ্রমিককে মারধরের অভিযোগে দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি ও মানববন্ধন
- ২চকরিয়ায় বন্যার্ত ৫০ পরিবারকে ধরা’র ত্রাণ বিতরণ
- ৩বীরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার
- ৪রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় তারেক রহমান
- ৫কুলাউড়ায় তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু
- ৬হাইটেক পার্ক আধুনিকায়ন, বায়োটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
- ৭সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে দেশের নতুন চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী
- ৮হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
- ৯কুড়িগ্রামে রয়েল হাসপাতালকে জরিমানা ও কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ
- ১০চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যায় ভেসে গেল ফসল, কৃষকের মাথায় হাত





পাঠকের মতামত