

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের আর্থিক খাত। বিশেষ করে দেশের ব্যাংক খাতকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল লুটেরার দল। ঋণের নামে তারা ব্যাংক খাত থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটে নিয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতা ছেড়ে বিদেশে পালিয়ে যায় শেখ হাসিনা। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার এসে আর্থিক খাতের অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত শুরু করে।
এরই অংশ হিসেবে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারসহ দেশের শীর্ষ পর্যায়ের ১০ শিল্পগোষ্ঠীর অবৈধ অর্থ উপার্জন, কর ফাঁকি ও অর্থপাচার খতিয়ে দেখতে যৌথ তদন্ত কমিটি গঠন করে সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে এই বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছিল। এর পর থেকে কাজ শুরু করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বয়ে যৌথ তদন্ত দল। সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। আর তাদের আইনি সহায়তা দিচ্ছে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।
এসব সংস্থার সম্মিলিত অনুসন্ধানে শেখ পরিবারসহ ১১টি শীর্ষ শিল্প গ্রুপের দেশে ও বিদেশে ৫৭ হাজার ২৫৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ আদালতের মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে।
সম্প্রতি শেখ পরিবারসহ ১১ শীর্ষ শিল্প গ্রুপের অবৈধ অর্থ উপার্জন, কর ফাকিসহ অনুসন্ধানের একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তদন্ত টিমগুলো।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেখ পরিবার ও ১০ শীর্ষ শিল্প গ্রুপের দেশে ও বিদেশে ১৩ হাজার ৮৭১ কোটি ৫৬ লাখ টাকার স্থাবর এবং ৪৩ হাজার ৩৮৫ কোটি ৩ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে।
এসব তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, দেশের ভেতর শেখ পরিবার ও শীর্ষ ১০ শিল্প গ্রুপের ৪৬ হাজার ৮০৫ কোটি ৩২ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭ হাজার ৭৭৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি ও ৩৯ হাজার ৩০ কোটি ৮৭ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে।
তথ্য বলছে, বিদেশে শেখ পরিবার ও শীর্ষ ১০ শিল্প গ্রুপের ১০ হাজার ৪৫১ কোটি ৮৬ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে স্থাবর সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে ৬ হাজার ৯৭ কোটি ১১ লাখ টাকার এবং অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে ৪ হাজার ৩৫৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকার।
শেখ হাসিনার পরিবারের বাইরে যে ১০ শিল্পগোষ্ঠীর পরিবারের সম্পদ জব্দ করা হয়েছে- সেগুলো হলো এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, নাবিল গ্রুপ, সামিট গ্রুপ, ওরিয়ন গ্রুপ, জেমকন গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, সিকদার গ্রুপ ও আরামিট গ্রুপ। এসব গ্রুপের পাশাপাশি গ্রুপের প্রধান ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত আর্থিক বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।
এএ
- ১সরিষাবাড়ীতে নির্মাণের ২ মাসের মাথায় ধসে পড়ল গাইড ওয়াল
- ২যবিপ্রবিতে প্রথমবারের মতো ‘স্টুডেন্ট হ্যান্ডবুক’ এর মোড়ক উন্মোচন
- ৩নোয়াখালীতে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক র্যালী ও আলোচনা সভা
- ৪হামের উপসর্গে আরও ছয়জনের মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৯০৮
- ৫সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে
- ৬প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে অনুকূল পরিবেশ চায় ঢাকা
- ৭মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হলে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধ করতে হবে: এমপি মানিক
- ৮ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৫৫ কোটি টাকার
- ৯দর বৃদ্ধির শীর্ষে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স
- ১০অটো নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজি কঠোরভাবে দমনের চেষ্টা চলছে
- ১কমোডিটি এক্সচেঞ্জের কার্যক্রম ও সম্ভাবনা নিয়ে সিএসইর সেমিনার
- ২আজ কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- ৩রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাই আজ
- ৪নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে : প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব
- ৫প্রযুক্তিনির্ভর কৃষির চালিকাশক্তি হবে তরুণরা
- ৬শেখ হাসিনাসহ ৪১ আসামির বিরুদ্ধে শুনানি ৩ সেপ্টেম্বর
- ৭কাঁটাময় শরীরে কোমল ফুল, শ্রীমঙ্গলে নতুন বিস্ময় ‘ক্যাকটাস’
- ৮জনগণের ভাগ্যের উন্নয়নই সরকারের মূল লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী
- ৯রাঙ্গামাটিতে পিকআপ উল্টে নিহত ৪
- ১০রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র বৈধ





পাঠকের মতামত